
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে মোট ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা ব্যয় করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ বুধবার দলটির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন-এ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া হয়। দলীয় চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের-এর পক্ষে হিসাব জমা দেন অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া।
জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে মোট ১৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত নির্বাচনী প্রচারণার জন্য দলীয়ভাবে কোনো অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণা খাতে দলটি ব্যয় করেছে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া জনসভা আয়োজনের পেছনে খরচ হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনায় স্টাফ ব্যয় বাবদ আরও ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা প্রতিবেদনে জাতীয় পার্টি জানায়, নির্বাচনী সব ধরনের আর্থিক লেনদেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর বনানী শাখার একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ওই হিসাব নম্বরে ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা জমা রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রাজনীতি/একে

গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে মোট ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা ব্যয় করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ বুধবার দলটির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন-এ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া হয়। দলীয় চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের-এর পক্ষে হিসাব জমা দেন অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া।
জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে মোট ১৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত নির্বাচনী প্রচারণার জন্য দলীয়ভাবে কোনো অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণা খাতে দলটি ব্যয় করেছে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া জনসভা আয়োজনের পেছনে খরচ হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনায় স্টাফ ব্যয় বাবদ আরও ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা প্রতিবেদনে জাতীয় পার্টি জানায়, নির্বাচনী সব ধরনের আর্থিক লেনদেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর বনানী শাখার একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ওই হিসাব নম্বরে ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা জমা রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
রাজনীতি/একে

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে