
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরির জন্য কাজ করবে এনসিপি। কিন্তু কারো সাথে নির্বাচনি জোটে যাবে না।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) গণসংহতি আন্দোলন এবং এনসিপির মধ্যকার বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধানের মৌলিক বিধান পরিবর্তন করতে হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই পরিবর্তন করতে হবে। তাহলে সেটা টেকসই হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে সরকার যে টাইমফ্রেম প্রস্তাব করেছে আমরা প্রাথমিকভাবে সেটা সমর্থন করি। তবে তার আগে মৌলিক সংস্কারের প্রশ্ন ও আওয়ামী লীগের বিচারের প্রশ্নের বিষয়ে সুরাহা হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংস্কারের বিষয়ে আমরা জুলাই সনদের কথা বলছি। নির্বাচনের ক্ষেত্রেও আমাদের দাবি গণপরিষদ নির্বাচন। দল হিসেবে আমরা এই বিষয়গুলোতেই ফোকাস করতে চাই।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা যেহেতু জুলাই অভ্যুত্থান থেকে উঠে এসেছি তাই আমরা মনে করি আমাদের এজেন্ডা মৌলিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার। আমরা সেই এজেন্ডার ভিত্তিতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসছি। সেটার ভিত্তিতে মাঠের ঐক্য হতে পারে, রাজনৈতিক ঐক্য হতে পারে। তবে নির্বাচনের জন্য আমরা এখনও কোনো ঐক্যে যাচ্ছি না।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরির জন্য কাজ করবে এনসিপি। কিন্তু কারো সাথে নির্বাচনি জোটে যাবে না।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) গণসংহতি আন্দোলন এবং এনসিপির মধ্যকার বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধানের মৌলিক বিধান পরিবর্তন করতে হলে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই পরিবর্তন করতে হবে। তাহলে সেটা টেকসই হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে সরকার যে টাইমফ্রেম প্রস্তাব করেছে আমরা প্রাথমিকভাবে সেটা সমর্থন করি। তবে তার আগে মৌলিক সংস্কারের প্রশ্ন ও আওয়ামী লীগের বিচারের প্রশ্নের বিষয়ে সুরাহা হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংস্কারের বিষয়ে আমরা জুলাই সনদের কথা বলছি। নির্বাচনের ক্ষেত্রেও আমাদের দাবি গণপরিষদ নির্বাচন। দল হিসেবে আমরা এই বিষয়গুলোতেই ফোকাস করতে চাই।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা যেহেতু জুলাই অভ্যুত্থান থেকে উঠে এসেছি তাই আমরা মনে করি আমাদের এজেন্ডা মৌলিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার। আমরা সেই এজেন্ডার ভিত্তিতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসছি। সেটার ভিত্তিতে মাঠের ঐক্য হতে পারে, রাজনৈতিক ঐক্য হতে পারে। তবে নির্বাচনের জন্য আমরা এখনও কোনো ঐক্যে যাচ্ছি না।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত পরশুদিন পতিত ফ্যাসিট সরকার ভারতে বসে প্রেস কনফারেন্সের চেষ্টা করেছেন। এর প্রেক্ষিতে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে ধরনের প্রতিবাদ জানিয়েছে। সে ধরনের প্রতিবাদ এর আগে কোনো সরকার জানাতে পারেনি।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘যারা গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, যাদের কোনো অনুশোচনা নাই, বাংলাদেশের মানুষের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করে নাই, তাদের কোনো রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করবে না।’
১ দিন আগে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের বিকাশে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকার বিশ্বাস করে, একটি টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।’
১ দিন আগে
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমার বলার একটাই কথা, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি বাংলাদেশকে খুন করেননি, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি খুন, গুম, গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সেই সব সত্যের মুখোমুখি যদি তিনি হতে চান, তাহলে অবশ্যই তিনি আসবেন।
১ দিন আগে