
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনি জোটের আলোচনা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। মাঝে সে আলোচনা স্তিমিত হয়ে এলেও ভোট কাছে চলে আসায় সে আলোচনা নতুন করে গতি পেয়েছে। খবর মিলেছে, জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোট চূড়ান্ত, ৩০ আসনে তাদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।
দুই দলের এই জোট নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। তার একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আব্দুল কাদের এনসিপি-জামায়াতের জোটবদ্ধ হওয়াকে ‘তারুণ্যের রাজনীতির কবর’ বলে অভিহিত করেছেন। দাবি করেছেন, সারা দেশে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যেই এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে উল্লেখ করে আব্দুল কাদের বলেন, ‘এরই মধ্য দিয়ে কার্যত এনসিপি জামাতের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।’
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে দেওয়া পোস্টে জোটের ভেতরে আসন ভাগাভাগি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নিয়ে আব্দুল কাদের তার পোস্টে নানা তথ্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এনসিপি প্রাথমিকভাবে ৫০টি আসন দাবি করলেও দীর্ঘ দরকষাকষি শেষে ৩০টি আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে।
আব্দুল কাদেরের দেওয়া তথ্য, জোটের শর্ত অনুযায়ী এনসিপি বাকি ২৭০টি আসনে কোনো প্রার্থী দিতে পারবে না এবং সেসব আসনে তারা জামায়াতকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রতিটি আসনের বিপরীতে এনসিপিকে দেড় কোটি টাকা করে নির্বাচনি খরচ দেওয়া হবে বলেও দাবি করেন আব্দুল কাদের। বলেন, সমঝোতার ৩০ আসনে কারা কারা চূড়ান্ত হবেন সেই দায়িত্ব জামায়াতের পক্ষ থেকে এনসিপির একজনকে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।
আব্দুল কাদেরের পোস্ট অনুযায়ী, নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী ও জামায়াতের আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের মিলে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবেন।
পোস্টে সরকারের সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে নিয়েও গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন আব্দুল কাদের। তিনি দাবি করেন, ছোটন গংদের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের একটি সমঝোতা হয়েছে, যেখানে পশ্চিমা বিশ্বের চাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আব্দুল কাদেরের ভাষ্য, পশ্চিমারা জামায়াতকে সরাসরি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দেখতে চায় না বিধায় সমঝোতা অনুযায়ী নির্বাচনে জিতলে নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী হবেন, আর বিরোধী দলে গেলে তিনি বিরোধী দলীয় নেতার ভূমিকা পালন করবেন।
বিপ্লব পরবর্তী সময়ে তরুণদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে আব্দুল কাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এত এত তরুণ নিজের গোছানো ক্যারিয়ার, পরিবার পরিজন বাদ দিয়ে দেশের হাল ধরতে এসেছিল, একটা সম্ভাবনা তৈরি করেছিল, স্বপ্ন দেখেছিল। নাহিদ ইসলামরা গতকাল রাতে গিয়ে সেই স্বপ্নকে মাটিচাপা দিয়ে এসেছেন!

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনি জোটের আলোচনা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। মাঝে সে আলোচনা স্তিমিত হয়ে এলেও ভোট কাছে চলে আসায় সে আলোচনা নতুন করে গতি পেয়েছে। খবর মিলেছে, জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোট চূড়ান্ত, ৩০ আসনে তাদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।
দুই দলের এই জোট নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। তার একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আব্দুল কাদের এনসিপি-জামায়াতের জোটবদ্ধ হওয়াকে ‘তারুণ্যের রাজনীতির কবর’ বলে অভিহিত করেছেন। দাবি করেছেন, সারা দেশে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যেই এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে উল্লেখ করে আব্দুল কাদের বলেন, ‘এরই মধ্য দিয়ে কার্যত এনসিপি জামাতের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।’
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে দেওয়া পোস্টে জোটের ভেতরে আসন ভাগাভাগি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নিয়ে আব্দুল কাদের তার পোস্টে নানা তথ্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এনসিপি প্রাথমিকভাবে ৫০টি আসন দাবি করলেও দীর্ঘ দরকষাকষি শেষে ৩০টি আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে।
আব্দুল কাদেরের দেওয়া তথ্য, জোটের শর্ত অনুযায়ী এনসিপি বাকি ২৭০টি আসনে কোনো প্রার্থী দিতে পারবে না এবং সেসব আসনে তারা জামায়াতকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রতিটি আসনের বিপরীতে এনসিপিকে দেড় কোটি টাকা করে নির্বাচনি খরচ দেওয়া হবে বলেও দাবি করেন আব্দুল কাদের। বলেন, সমঝোতার ৩০ আসনে কারা কারা চূড়ান্ত হবেন সেই দায়িত্ব জামায়াতের পক্ষ থেকে এনসিপির একজনকে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।
আব্দুল কাদেরের পোস্ট অনুযায়ী, নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী ও জামায়াতের আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের মিলে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবেন।
পোস্টে সরকারের সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে নিয়েও গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন আব্দুল কাদের। তিনি দাবি করেন, ছোটন গংদের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের একটি সমঝোতা হয়েছে, যেখানে পশ্চিমা বিশ্বের চাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আব্দুল কাদেরের ভাষ্য, পশ্চিমারা জামায়াতকে সরাসরি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দেখতে চায় না বিধায় সমঝোতা অনুযায়ী নির্বাচনে জিতলে নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী হবেন, আর বিরোধী দলে গেলে তিনি বিরোধী দলীয় নেতার ভূমিকা পালন করবেন।
বিপ্লব পরবর্তী সময়ে তরুণদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে আব্দুল কাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এত এত তরুণ নিজের গোছানো ক্যারিয়ার, পরিবার পরিজন বাদ দিয়ে দেশের হাল ধরতে এসেছিল, একটা সম্ভাবনা তৈরি করেছিল, স্বপ্ন দেখেছিল। নাহিদ ইসলামরা গতকাল রাতে গিয়ে সেই স্বপ্নকে মাটিচাপা দিয়ে এসেছেন!

জামায়াত আমির বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তৈরি করা হচ্ছে।, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।
১৪ ঘণ্টা আগে
পরিবারের সদস্যদের আগ্রহ ঈদের আগে মির্জা আব্বাসকে দেশে নিয়ে আসা। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০৩৬ সালের মধ্যে জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকারি দল হওয়ার স্বপ্ন দেখে বলে জানিয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জোটের আশায় বসে না থেকে এককভাবে দেশব্যাপী দলীয় সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
এই দুজনের প্রার্থিতা ঘিরে দুজনের দলের মধ্যেও চলছে নানা আলোচনা। আলোচনা চলছে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও। এনসিপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনলাইন-অফলাইনে কথার লড়াইও থেমে নেই। ফলে দুজনের প্রার্থিতা জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর সংসদের জোটবদ্ধ থাকা জামায়াত ও এনসিপির সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব
২ দিন আগে