
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেও প্রার্থিতা ফিরে পাননি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিন। তার জায়গায় পরে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় নুসরাত তাবাসসুমকে, যার মনোনয়নপত্রকে বৈধও ঘোষণা করেছে ইসি।
তবে হাল ছাড়েননি মনিরা। প্রার্থিতা ফিরে পেতে দ্বারস্থ হন উচ্চ আদালতের। এবার তিনি চিঠি দিয়েছেন ইসিকে। তাতে অনুরোধ করেছেন, উচ্চ আদালতে রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যেন নুসরাতকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ না করা হয়।
রোববার (৩ মে) ইসির ডেসপাস বিভাগে মনিরা ওই চিঠি দিয়েছেন। এর আগে শনিবার নুসরাতের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে রোববার রাত ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়নি।
মনিরা শারমিন চিঠিতে লিখেছেন, ইসিতে তার প্রার্থিতা বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে রিট করেছেন। সোমবার (৪ মে) সে আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এই শুনানি ও উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত তিনি ইসিকে গেজেট প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
চিঠিতে লিখেছেন, ‘মামলা শুনানি না হওয়া পর্যন্ত নুসরাত তাবাসসুমের প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়া আবশ্যক। যেহেতু দল আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন দিয়েছে, সেহেতু হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের জন্য নির্বাচন কমিশনার অপেক্ষা করা উচিত। অন্যথায় আমি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হব।’
এর আগে শনিবার (২ মে) সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে ইসি। সংস্থাটির একটি সূত্র জানিয়েছে, সোমবার তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে।
এর আগে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০ সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করে ইসি। আজ রোববার রাত ৯টার দিকে তাদের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় নুসরাত আপাতত শপথ নিতে পারছেন না।
মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম দুজনই এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেও প্রার্থিতা ফিরে পাননি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিন। তার জায়গায় পরে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় নুসরাত তাবাসসুমকে, যার মনোনয়নপত্রকে বৈধও ঘোষণা করেছে ইসি।
তবে হাল ছাড়েননি মনিরা। প্রার্থিতা ফিরে পেতে দ্বারস্থ হন উচ্চ আদালতের। এবার তিনি চিঠি দিয়েছেন ইসিকে। তাতে অনুরোধ করেছেন, উচ্চ আদালতে রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যেন নুসরাতকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ না করা হয়।
রোববার (৩ মে) ইসির ডেসপাস বিভাগে মনিরা ওই চিঠি দিয়েছেন। এর আগে শনিবার নুসরাতের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে রোববার রাত ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়নি।
মনিরা শারমিন চিঠিতে লিখেছেন, ইসিতে তার প্রার্থিতা বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে রিট করেছেন। সোমবার (৪ মে) সে আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এই শুনানি ও উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত তিনি ইসিকে গেজেট প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
চিঠিতে লিখেছেন, ‘মামলা শুনানি না হওয়া পর্যন্ত নুসরাত তাবাসসুমের প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়া আবশ্যক। যেহেতু দল আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন দিয়েছে, সেহেতু হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের জন্য নির্বাচন কমিশনার অপেক্ষা করা উচিত। অন্যথায় আমি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হব।’
এর আগে শনিবার (২ মে) সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে ইসি। সংস্থাটির একটি সূত্র জানিয়েছে, সোমবার তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে।
এর আগে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০ সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করে ইসি। আজ রোববার রাত ৯টার দিকে তাদের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় নুসরাত আপাতত শপথ নিতে পারছেন না।
মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম দুজনই এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে