
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছেন।
এনসিপিতে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিবের পাশাপাশি মীর আরশাদুল হক নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া সেল ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য, পরিবেশ সেলের প্রধান এবং চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে এনসিপির মনোনয়নও পেয়েছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) সাবেক সহসভাপতি।
ছাত্রজীবনে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলন-প্রতিবাদে সক্রিয় ছিলেন মীর আরশাদুল হক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি প্রথমে জাতীয় নাগরিক কমিটিতে যুক্ত হন। পরে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের উদ্যোগে এনসিপি গঠিত হলে সেখানেও যোগ দেন।
১৭ বছর পর লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন মীর আরশাদুল।
‘একটি বিশেষ ঘোষণা’ শিরোনামে ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি এই মুহূর্তে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলাম। চট্টগ্রাম-১৬ সংসদীয় আসনে এনসিপির হয়ে আমি নির্বাচন করছি না। আজ একটি বিশেষ দিনে এই ঘোষণা দিচ্ছি, যেদিন দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। সুস্বাগতম।’
এনসিপি নিয়ে হতাশার কথা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রতিশ্রুতি নিয়ে এনসিপির যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর গত ১০ মাসের অভিজ্ঞতায় আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে, এই দল ও দলের নেতারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। যে স্বপ্ন ও সম্ভাবনা দেখে এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলাম, তার কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। দল ও দলের বড় অংশের নেতারা ভুল পথে আছেন বলেই আমি মনে করি। এই ভুল পথে আমি চলতে পারি না। এই মুহূর্ত থেকে এনসিপির সঙ্গে আমার কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকবে। তাঁদের প্রতি শুভকামনা রইল।’
গণতন্ত্রে উত্তরণ এবং দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠাকে এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বলে মন্তব্য করে তিনি লেখেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার কাছে মনে হচ্ছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করার কোনো বিকল্প নেই। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী সময়ে তারেক রহমানের বিভিন্ন কার্যক্রম ও বক্তব্য পর্যালোচনা করে আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ হলো—এই মুহূর্তে সবাইকে ধারণ করে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা ও সক্ষমতা তারই আছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যখন অন্যান্য দল ধর্ম ও পপুলিজমকে প্রধান এজেন্ডা করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাচ্ছে, তখন তারেক রহমান স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশসহ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে একটি স্পষ্ট ভিশন জাতির সামনে তুলে ধরছেন। জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, সংস্কৃতি ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাতে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত সমাধানের কথা তিনি বলছেন। এই স্মার্ট অ্যাপ্রোচ আমাকে আকৃষ্ট করেছে।’
তরুণদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘পপুলিজম বা হুজুগে প্রভাবিত না হয়ে দেশের সামগ্রিক স্বার্থ, ভবিষ্যৎ ও কল্যাণ বিবেচনা করে তারেক রহমানের জনকল্যাণমূলক ভিশন বাস্তবায়নে তরুণদের সহযোগিতা ও সমর্থন জানানো উচিত। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে রাখলাম।’
মীর আরশাদুল হকের পদত্যাগের বিষয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে দলটির একটি সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতার আলোচনা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে দলের ভেতরে মতভেদ রয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে জোটে যেতে অনিচ্ছুক নেতাদের একজন ছিলেন মীর আরশাদুল হক।
যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এনসিপি সামগ্রিকভাবে ভুল পথে চলে গেছে। তারা তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দল হয়ে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে। এই দলে থেকে আগামী দিনের অনিশ্চয়তা ও কঠিন সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না বলেই আমার মনে হয়েছে। তাই পদত্যাগ করেছি। দেশের স্বার্থে আমি বিএনপি ও তারেক রহমানকে সমর্থন করছি।’
তিনি জানান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের কাছে তিনি ইতোমধ্যে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছেন।
এনসিপিতে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিবের পাশাপাশি মীর আরশাদুল হক নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া সেল ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য, পরিবেশ সেলের প্রধান এবং চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে এনসিপির মনোনয়নও পেয়েছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) সাবেক সহসভাপতি।
ছাত্রজীবনে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলন-প্রতিবাদে সক্রিয় ছিলেন মীর আরশাদুল হক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি প্রথমে জাতীয় নাগরিক কমিটিতে যুক্ত হন। পরে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের উদ্যোগে এনসিপি গঠিত হলে সেখানেও যোগ দেন।
১৭ বছর পর লন্ডন থেকে তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন মীর আরশাদুল।
‘একটি বিশেষ ঘোষণা’ শিরোনামে ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি এই মুহূর্তে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলাম। চট্টগ্রাম-১৬ সংসদীয় আসনে এনসিপির হয়ে আমি নির্বাচন করছি না। আজ একটি বিশেষ দিনে এই ঘোষণা দিচ্ছি, যেদিন দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। সুস্বাগতম।’
এনসিপি নিয়ে হতাশার কথা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রতিশ্রুতি নিয়ে এনসিপির যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর গত ১০ মাসের অভিজ্ঞতায় আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে, এই দল ও দলের নেতারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। যে স্বপ্ন ও সম্ভাবনা দেখে এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলাম, তার কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। দল ও দলের বড় অংশের নেতারা ভুল পথে আছেন বলেই আমি মনে করি। এই ভুল পথে আমি চলতে পারি না। এই মুহূর্ত থেকে এনসিপির সঙ্গে আমার কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকবে। তাঁদের প্রতি শুভকামনা রইল।’
গণতন্ত্রে উত্তরণ এবং দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠাকে এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বলে মন্তব্য করে তিনি লেখেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার কাছে মনে হচ্ছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করার কোনো বিকল্প নেই। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী সময়ে তারেক রহমানের বিভিন্ন কার্যক্রম ও বক্তব্য পর্যালোচনা করে আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ হলো—এই মুহূর্তে সবাইকে ধারণ করে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা ও সক্ষমতা তারই আছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যখন অন্যান্য দল ধর্ম ও পপুলিজমকে প্রধান এজেন্ডা করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাচ্ছে, তখন তারেক রহমান স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশসহ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে একটি স্পষ্ট ভিশন জাতির সামনে তুলে ধরছেন। জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, সংস্কৃতি ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাতে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত সমাধানের কথা তিনি বলছেন। এই স্মার্ট অ্যাপ্রোচ আমাকে আকৃষ্ট করেছে।’
তরুণদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘পপুলিজম বা হুজুগে প্রভাবিত না হয়ে দেশের সামগ্রিক স্বার্থ, ভবিষ্যৎ ও কল্যাণ বিবেচনা করে তারেক রহমানের জনকল্যাণমূলক ভিশন বাস্তবায়নে তরুণদের সহযোগিতা ও সমর্থন জানানো উচিত। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে রাখলাম।’
মীর আরশাদুল হকের পদত্যাগের বিষয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে দলটির একটি সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতার আলোচনা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে দলের ভেতরে মতভেদ রয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে জোটে যেতে অনিচ্ছুক নেতাদের একজন ছিলেন মীর আরশাদুল হক।
যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এনসিপি সামগ্রিকভাবে ভুল পথে চলে গেছে। তারা তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দল হয়ে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে। এই দলে থেকে আগামী দিনের অনিশ্চয়তা ও কঠিন সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না বলেই আমার মনে হয়েছে। তাই পদত্যাগ করেছি। দেশের স্বার্থে আমি বিএনপি ও তারেক রহমানকে সমর্থন করছি।’
তিনি জানান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের কাছে তিনি ইতোমধ্যে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি।

সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনি জোট হওয়ায় হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদ সরে দাঁড়িয়েছেন নির্বাচন থেকে।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফরে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই।
১ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত প্যানেল ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’। সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস), সহসাধারণ সম্পাদকসহ (এজিএস) এ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদের মধ্যে ১৬টিতেই জয় পেয়েছেন ছাত্রশিবির–সমর্থিত প্যানেলের
১ দিন আগে
আমন্ত্রণ বার্তায় বলা হয়, নানান বাস্তবতার কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের গণমাধ্যম সম্পাদক, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি দেখা-সাক্ষাৎ কিংবা শুভেচ্ছা বিনিময়ের সুযোগ হয়নি। সেই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ সময় পর জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসর
১ দিন আগে