
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি, জাতীয় শ্রমিক জোট, জাতীয় যুব জোট ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ শহিদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাসদ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠতম অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর অতিবাহিত হওয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ঐতিহাসিক ন্যায্যতা ছিল।
নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনতা-উত্তরকালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তথা গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা সব সময় সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের ‘জন্মশত্রু’ পাকিস্তানপন্থীরা রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে ৭১-এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইছে। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্মারক ও নাম-নিশানা মুছে ফেলার অপচেষ্টায় লিপ্ত। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মীমাংসিত বিষয়গুলোকে নতুন করে অমিমাংসিত ও অস্বীকার করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।
বর্তমান এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্মশত্রু ও পাকিস্তানপন্থীদের রুখে দিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান জাসদ নেতারা।
শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন— জাসদ সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন মোল্লা, দফতর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহম্মদ সেলিম, জাতীয় যুব জোটের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সুজন, আল আজম খান, যুব জোট ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আলাউদ্দিন খোকন, শ্রমিক জোট নেতা রায়হান আহমেদ মুকুল, ছাত্রলীগ সহ—সম্পাদক নাইম মল্লিক, ছাত্রলীগ ঢাকামহানগর দক্ষিণ সভাপতি সোরায়েদ হোসেন সাদী প্রমুখ।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি, জাতীয় শ্রমিক জোট, জাতীয় যুব জোট ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ শহিদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাসদ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠতম অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর অতিবাহিত হওয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ঐতিহাসিক ন্যায্যতা ছিল।
নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনতা-উত্তরকালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তথা গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা সব সময় সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের ‘জন্মশত্রু’ পাকিস্তানপন্থীরা রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে ৭১-এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইছে। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্মারক ও নাম-নিশানা মুছে ফেলার অপচেষ্টায় লিপ্ত। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মীমাংসিত বিষয়গুলোকে নতুন করে অমিমাংসিত ও অস্বীকার করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।
বর্তমান এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্মশত্রু ও পাকিস্তানপন্থীদের রুখে দিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান জাসদ নেতারা।
শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন— জাসদ সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন মোল্লা, দফতর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহম্মদ সেলিম, জাতীয় যুব জোটের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সুজন, আল আজম খান, যুব জোট ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আলাউদ্দিন খোকন, শ্রমিক জোট নেতা রায়হান আহমেদ মুকুল, ছাত্রলীগ সহ—সম্পাদক নাইম মল্লিক, ছাত্রলীগ ঢাকামহানগর দক্ষিণ সভাপতি সোরায়েদ হোসেন সাদী প্রমুখ।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে