
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী জাতীয় নির্বাচনে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী দলগুলোর সঙ্গে বিএনপি যেসব আসনে সমঝোতা করেছে, সেসব আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’দের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলগুলো। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে দলগুলোকে আশ্বস্ত করেছেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথক পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানান পাঁচ দলের নেতারা। বৈঠকগুলোতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করা দলগুলো হলো— নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, লেবার পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও এবি পার্টি। জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের আমলে এসব দল দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নিয়ে আসছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এসব দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়েছে বিএনপির।
বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকগুলোতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। আসন সমঝোতার ভিত্তিতে এসব দলের প্রার্থীদের জন্য বিএনপি যেসব আসন ছেড়ে দিয়েছে, সেসব আসনের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
দলগুলো বৈঠকে তারেক রহমানকে অবহিত করে, তাদের জন্য ছেড়ে দেওয়া অনেক আসনেই বিএনপি নেতারা ‘বিদ্রোহী’ তথা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনের মাঠেও তারা অত্যন্ত সক্রিয়। দলগুলো দাবি জানায়, বিএনপি যেন এসব ‘বিদ্রোহী’দের ভোটের মাঠ থেকে সরিয়ে নেয়।
বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান বৈঠকগুলোতে ‘শরিক’ দলগুলোর নেতাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। তাদের ছাড় দেওয়া আসনগুলোতে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ইস্যুটি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন বলেও আশ্বস্ত করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিএনপি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মনজু সাক্ষাতে নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। সাক্ষাতের আগে তারা প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকবইয়ে সই করেন।
বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনি জোটের এসব সঙ্গী দলগুলোর মধ্যে মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসনে, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ও জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থী হয়েছেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের আরও তিন নেতাকে আসন ছাড় দিয়েছে বিএনপি।
মনোনয়নপত্র দাখিলের খবর থেকে জানা গেছে, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছাড় দেওয়া চার আসনেই বিএনপি নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে দেশ জুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বিএনপি নেতা রুমিন ফারহানা।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী দলগুলোর সঙ্গে বিএনপি যেসব আসনে সমঝোতা করেছে, সেসব আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’দের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলগুলো। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে দলগুলোকে আশ্বস্ত করেছেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথক পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানান পাঁচ দলের নেতারা। বৈঠকগুলোতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করা দলগুলো হলো— নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, লেবার পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও এবি পার্টি। জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের আমলে এসব দল দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নিয়ে আসছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এসব দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়েছে বিএনপির।
বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকগুলোতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। আসন সমঝোতার ভিত্তিতে এসব দলের প্রার্থীদের জন্য বিএনপি যেসব আসন ছেড়ে দিয়েছে, সেসব আসনের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
দলগুলো বৈঠকে তারেক রহমানকে অবহিত করে, তাদের জন্য ছেড়ে দেওয়া অনেক আসনেই বিএনপি নেতারা ‘বিদ্রোহী’ তথা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনের মাঠেও তারা অত্যন্ত সক্রিয়। দলগুলো দাবি জানায়, বিএনপি যেন এসব ‘বিদ্রোহী’দের ভোটের মাঠ থেকে সরিয়ে নেয়।
বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান বৈঠকগুলোতে ‘শরিক’ দলগুলোর নেতাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। তাদের ছাড় দেওয়া আসনগুলোতে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ইস্যুটি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন বলেও আশ্বস্ত করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিএনপি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মনজু সাক্ষাতে নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। সাক্ষাতের আগে তারা প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকবইয়ে সই করেন।
বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনি জোটের এসব সঙ্গী দলগুলোর মধ্যে মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসনে, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ও জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থী হয়েছেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের আরও তিন নেতাকে আসন ছাড় দিয়েছে বিএনপি।
মনোনয়নপত্র দাখিলের খবর থেকে জানা গেছে, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছাড় দেওয়া চার আসনেই বিএনপি নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে দেশ জুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বিএনপি নেতা রুমিন ফারহানা।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৩-৪ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে এই মামলা করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম পাঁচ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিব পেয়েছেন চার হাজার ৬৮৮ ভোট।
১ দিন আগে
ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম চার হাজার ৪৩২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন তিন হাজার ৭৭৭ ভোট। সে হিসাবে রাকিবের চেয়ে ৬৫৫ ভোটে এগিয়ে আছেন রিয়াজুল।
১ দিন আগে
বাস্তবতা হলো, এই ১৬ লক্ষ টাকার মধ্যে প্রায় ১১ লক্ষ টাকাই উপদেষ্টা হিসেবে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা, যা ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে পরিশোধিত, আয়করযোগ্য এবং সম্পূর্ণভাবে নথিভুক্ত। বাকি অংশ এসেছে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কনসালটেন্ট (পরামর্শক) হিসেবে বৈধ পেশাগত কাজের সম্মানী থেকে, যা
১ দিন আগে