
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের হৃত স্বপ্ন পুনরুদ্ধার এবং তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণে একটি বৈষম্যহীন ও সংবেদনশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করল নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘অলটারনেটিভস’।
শুক্রবার (৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটির ‘ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি’ গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাহফুজ আলম ও ডা. তাজনুভা জাবীনসহ ১৭ জন তরুণ নেতৃত্ব।
নবগঠিত এই কমিটির সদস্যরা সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনীতি-সচেতন তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা, জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা ও নীরবে থাকা সক্রিয় আন্দোলনকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে একটি দায়িত্বশীল ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনকে সারা দেশে বিস্তৃত করা।
অলটারনেটিভস’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, নতুন রাজনৈতিক চিন্তার বিকাশ এবং জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার হৃত স্বপ্ন পুনরুদ্ধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা আগামী দিনে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
কমিটির সদস্যরা পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাংগঠনিক যোগাযোগ ও সংলাপের মাধ্যমে ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-জনতাকে এক করে সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে নেবেন।
ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটির সংগঠকদের মধ্য রয়েছেন, আহমদ ইবনে আরিফ (অনি), ইমন সৈয়দ, ইমরান আহমেদ, জাহিন ফারুক আমিন, তানভীর চৌধুরী, ডা. তাজনুভা জাবীন, দুর্জয় দাশ গুপ্ত, ফরহাদুল আলম সবুজ, মাহফুজ আলম, মায়িদা তানহা বিদুষী, মুতাসিম বিল্লাহ, মনিরুজ্জামান,মো. রায়হানুর রহমান (রাবি), মোহাম্মাদ এরফানুল হক, সাজ্জাদ হোসেন শহীদুল্লাহ, শেখ ফরিদ এবং হাসান আলী।
সাংগঠনিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে পরবর্তীতে ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটির সদস্যসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে এমনটা জানানো হয়।

জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের হৃত স্বপ্ন পুনরুদ্ধার এবং তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণে একটি বৈষম্যহীন ও সংবেদনশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করল নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘অলটারনেটিভস’।
শুক্রবার (৬ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটির ‘ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি’ গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাহফুজ আলম ও ডা. তাজনুভা জাবীনসহ ১৭ জন তরুণ নেতৃত্ব।
নবগঠিত এই কমিটির সদস্যরা সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনীতি-সচেতন তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা, জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা ও নীরবে থাকা সক্রিয় আন্দোলনকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে একটি দায়িত্বশীল ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনকে সারা দেশে বিস্তৃত করা।
অলটারনেটিভস’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, নতুন রাজনৈতিক চিন্তার বিকাশ এবং জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার হৃত স্বপ্ন পুনরুদ্ধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা আগামী দিনে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
কমিটির সদস্যরা পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাংগঠনিক যোগাযোগ ও সংলাপের মাধ্যমে ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-জনতাকে এক করে সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে নেবেন।
ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটির সংগঠকদের মধ্য রয়েছেন, আহমদ ইবনে আরিফ (অনি), ইমন সৈয়দ, ইমরান আহমেদ, জাহিন ফারুক আমিন, তানভীর চৌধুরী, ডা. তাজনুভা জাবীন, দুর্জয় দাশ গুপ্ত, ফরহাদুল আলম সবুজ, মাহফুজ আলম, মায়িদা তানহা বিদুষী, মুতাসিম বিল্লাহ, মনিরুজ্জামান,মো. রায়হানুর রহমান (রাবি), মোহাম্মাদ এরফানুল হক, সাজ্জাদ হোসেন শহীদুল্লাহ, শেখ ফরিদ এবং হাসান আলী।
সাংগঠনিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে পরবর্তীতে ন্যাশনাল অর্গানাইজিং কমিটির সদস্যসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে এমনটা জানানো হয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে