
ঢাবি প্রতিনিধি

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামী নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের বেকসুর খালাস রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। এ সময় ওই রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের হামলার বিচার দাবি করেন সংগঠন দুটির নেতারা।
দুই ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয় শুক্রবার (৩০ মে) বিকেল ৫টায়। সমাবেশে সংগঠন দুটির নেতারা জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করেন। সমাবেশ শেষ করে শাহবাগ পর্যন্ত মিছিল করেন তারা।
মিছিল ও সমাবেশে ‘জামাত শিবির রাজাকার, এই মুহূর্ত বাংলা ছাড়’, ‘গুপ্ত বাহিনীর আস্তানা ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ছ-তে ছাত্রশিবির, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’, ‘হাসিনা আজহার এই বাংলার গাদ্দার’, ‘আ তে আজহার, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’, ‘লীগ গেছে যেই পথে শিবির যাবে সেই পথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, আমরা এখানে দুটি কারণে দাঁড়িয়েছি। প্রথমত, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে আমাদের বন্ধুদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলা চালিয়েছে একাত্তরের পরাজিত শক্তি ছাত্রশিবির।
দ্বিতীয় কারণ তুলে ধরে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুলকে তার যুদ্ধাপরাধের দায় থেকে খালাস করা হয়েছে। কোন প্রক্রিয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে, তা পরিষ্কার না করে সরকারের কর্তাব্যক্তিরা একে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাকে বেখসুর খালাস দেওয়ার প্রতিবাদে আমরা সমাবেশ করছি।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাংগঠনিক সম্পাদক সুহাইল আহমেদ শুভ বলেন, গত পরশু ছাত্র ফ্রন্টের স্কুলবিষয়ক সম্পাদক বিশ্বজিৎ নন্দী রাতে বাসায় ফেরার সময় শিবিরের সন্ত্রাসীরা মব তৈরি করে তাকে আটকে রাখে। পরে তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে পুলিশ। তাকে আটকে রাখা হয় শুধু এ টি এম আজহারকে রাজাকার সাব্যস্ত করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কারণে। সেই পুলিশ প্রশাসনকে আমরা ধিক্কার জানাই।

সমাবেশ শেষে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মীদের একটি মিছিল শাহবাগ মোড় ঘুরে আবার টিএসসি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। ছবি: রাজনীতি ডটকম
ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন শুভ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধকারী আল-বদর বাহিনীর প্রধানকে (এ টি এম আজহার) মুক্ত করা হয়েছে। তার প্রতিবাদে দেশব্যাপী একাত্তরের পক্ষের শক্তি আন্দোলন সংগ্রাম করছে। এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-শিবির মব তৈরি করছে, উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তারা এতেই ক্ষান্ত হয়নি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মিছিলে শিবির হামলা করেছে, চট্টগ্রামেও তারা হামলা করেছে। একজন নারী শিক্ষার্থীকে লাথি দিয়ে ফেলে দিয়েছে তারা, যার মধ্য দিয়ে জামায়াত-শিবিরের আসল চরিত্র উন্মোচিত হয়েছে।
বাহাউদ্দীন শুভ দাবি করেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে মবে ইন্ধন দিচ্ছে জামায়াত-শিবির। তিনি বলেন, হলগুলোতে ছাত্রলীগের মতো একক আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে শিবির। যারা একাত্তরের বিপক্ষে কাজ করেছে, পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছে, তাদের রাজনীতি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলতে দেওয়া যায় না।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি শাহবাগ ঘুরে ফের টিএসসি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামী নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের বেকসুর খালাস রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। এ সময় ওই রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের হামলার বিচার দাবি করেন সংগঠন দুটির নেতারা।
দুই ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয় শুক্রবার (৩০ মে) বিকেল ৫টায়। সমাবেশে সংগঠন দুটির নেতারা জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করেন। সমাবেশ শেষ করে শাহবাগ পর্যন্ত মিছিল করেন তারা।
মিছিল ও সমাবেশে ‘জামাত শিবির রাজাকার, এই মুহূর্ত বাংলা ছাড়’, ‘গুপ্ত বাহিনীর আস্তানা ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ছ-তে ছাত্রশিবির, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’, ‘হাসিনা আজহার এই বাংলার গাদ্দার’, ‘আ তে আজহার, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’, ‘লীগ গেছে যেই পথে শিবির যাবে সেই পথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, আমরা এখানে দুটি কারণে দাঁড়িয়েছি। প্রথমত, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে আমাদের বন্ধুদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলা চালিয়েছে একাত্তরের পরাজিত শক্তি ছাত্রশিবির।
দ্বিতীয় কারণ তুলে ধরে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুলকে তার যুদ্ধাপরাধের দায় থেকে খালাস করা হয়েছে। কোন প্রক্রিয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে, তা পরিষ্কার না করে সরকারের কর্তাব্যক্তিরা একে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাকে বেখসুর খালাস দেওয়ার প্রতিবাদে আমরা সমাবেশ করছি।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাংগঠনিক সম্পাদক সুহাইল আহমেদ শুভ বলেন, গত পরশু ছাত্র ফ্রন্টের স্কুলবিষয়ক সম্পাদক বিশ্বজিৎ নন্দী রাতে বাসায় ফেরার সময় শিবিরের সন্ত্রাসীরা মব তৈরি করে তাকে আটকে রাখে। পরে তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে পুলিশ। তাকে আটকে রাখা হয় শুধু এ টি এম আজহারকে রাজাকার সাব্যস্ত করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কারণে। সেই পুলিশ প্রশাসনকে আমরা ধিক্কার জানাই।

সমাবেশ শেষে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মীদের একটি মিছিল শাহবাগ মোড় ঘুরে আবার টিএসসি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। ছবি: রাজনীতি ডটকম
ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন শুভ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধকারী আল-বদর বাহিনীর প্রধানকে (এ টি এম আজহার) মুক্ত করা হয়েছে। তার প্রতিবাদে দেশব্যাপী একাত্তরের পক্ষের শক্তি আন্দোলন সংগ্রাম করছে। এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-শিবির মব তৈরি করছে, উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তারা এতেই ক্ষান্ত হয়নি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মিছিলে শিবির হামলা করেছে, চট্টগ্রামেও তারা হামলা করেছে। একজন নারী শিক্ষার্থীকে লাথি দিয়ে ফেলে দিয়েছে তারা, যার মধ্য দিয়ে জামায়াত-শিবিরের আসল চরিত্র উন্মোচিত হয়েছে।
বাহাউদ্দীন শুভ দাবি করেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে মবে ইন্ধন দিচ্ছে জামায়াত-শিবির। তিনি বলেন, হলগুলোতে ছাত্রলীগের মতো একক আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে শিবির। যারা একাত্তরের বিপক্ষে কাজ করেছে, পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছে, তাদের রাজনীতি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলতে দেওয়া যায় না।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি শাহবাগ ঘুরে ফের টিএসসি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে