খালেদা জিয়ার জানাজার জন্য প্রস্তুত মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ

১৮: ৪২

খালেদা জিয়ার জানাজার জন্য প্রস্তুত মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজার জন্য রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার তথ্য জানিয়েছে সরকার। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন কার্যক্রম কোথায় কীভাবে সম্পন্ন হবে, সে তথ্যও জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১২টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ দিন সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর মঙ্গলবারই বিশেষ সভা করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। সভায় বিশেষ আমন্ত্রণে উপস্থিত হয়েছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি উপদেষ্টা পরিষদকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ অবহিত করেন।

মির্জা ফখরুল জানান, বুধবার দুপুরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজা ও জিয়া উদ্যানে স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে তাকে সমাহিত করার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেছে বিএনপি। পরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। বিএনপির পাশাপাশি সরকারও এ সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।

রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার বাদ জোহর দুপুর ২টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা হবে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার পরিবর্তে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে কফিন রাখা হবে। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জুড়ে জানাজা হবে।

সরকার বলছে, বাংলাদেশের জাতীয় নেতাকে সর্বস্তরের জনগণ যেন নির্বিঘ্নে সম্মান জানাতে পারেন এবং তার জানাজায় অংশ নিতে পারেন, সেজন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে নিরাপত্তা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সব দপ্তর। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের চারপাশের সড়কগুলোতেও যেন জনসাধারণ অবস্থান করতে পারেন, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানাজার পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমহিত করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ সময় খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত ও বিএনপি মনোনীত রাজনীতিবিদরা উপস্থিত থাকবেন। দাফন কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য সেখানে নির্ধারিত ব্যক্তিরা ছাড়া আর কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

খালেদা জিয়ার দাফনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত শেরেবাংলা নগরের অবস্থিত জিয়া উদ্যান এলাকায় জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হবে বলেও জানিয়েছে সরকার।

এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার মরদেহ প্রথমে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে নেওয়া হবে তার বাসভবন গুলশানের ‘ফিরোজা’য়। পরে সেখান থেকে নেওয়া হবে জানাজাস্থল মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে।

১৮: ২৫

কী হবে খালেদা জিয়ার ৩ আসনে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে। তার মৃত্যুর ঠিক আগের দিনই শেষ হয়েছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। এই তিন আসনে তাহলে কী হবে?

নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শেষে এখনো চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে কাউকে ঘোষণা করা হয়নি বলে এসব আসনে স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়া চলবে। নতুন করে তফসিল ঘোষণার প্রয়োজন হবে না।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে—

কী হবে খালেদা জিয়ার ৩ আসনে?

১৬: ৪২

রাষ্ট্রীয় শোক ঘিরে ডিএমপির বিধিনিষেধ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। আইন অনুযায়ী এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব বিধিনিষেধের কথা বলা হয়েছে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ২ জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় শোকের সময় এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে।

ডিএমপি অর্ডিন্যান্সের ২৮ ও ২৯ ধারা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞার তথ্য তুলে ধরে গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শোক পালনের সময় ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে।

একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রাও করা যাবে না এ সময়ে। এ ছাড়া উচ্চ শব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা জনউপদ্রব তৈরি করতে পারে— এমন কোনো কর্মকাণ্ডও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

১৬: ৩৭

এভারকেয়ার থেকে ফিরোজা হয়ে জানাজাস্থলে নেওয়া হবে খালেদা জিয়ার মরদেহ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মরদেহ জানাজার আগে নেওয়া হবে তার গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য়। এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে ‘ফিরোজা’ হয়ে কোন পথে জানাজাস্থল জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মরদেহটি নেওয়া হবে, তা ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) নির্ধারণ করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি বলেছে, এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে তথা পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়ক হয়ে কুড়িল ফ্লাইওভার অতিক্রম করে নৌ সদর দপ্তরের পাশ দিয়ে গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় নেওয়া হবে খালেদা জিয়ার মরদেহ।

গুলশানে কিছুক্ষণ রাখার পর সেখান থেকে বনানী কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ হয়ে বিমানবন্দর সড়কে মহাখালী ফ্লাইওভার দিয়ে জাহাঙ্গীর গেটের পর বিজয় সরণি অতিক্রম করে মরদেহটি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হবে উড়োজাহাজ ক্রসিংয়ে বামে মোড় নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের ৬ নম্বর গেট দিয়ে।

১৬: ২১

খালেদা জিয়ার প্রয়াণ: শ্রদ্ধার উচ্চারণে ভরে যাচ্ছে শোক বই

খালেদা জিয়ার প্রয়াণ: শ্রদ্ধার উচ্চারণে ভরে যাচ্ছে শোক বই
সরকারের উপদেষ্টা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকসহ বিশিষ্টজনেরা মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার জন্য শোক বইয়ে সই করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে শোক বই খুলেছে বিএনপি। সরকারের উপদেষ্টা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা থেকে শুরু করে কূটনীতিকদের শ্রদ্ধার উচ্চারণে ভরে উঠতে শুরু করেছে সেই শোক বই।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রথম দিনের জন্য শোক বইয়ে সই কার্যক্রম খোলা রেখেছে বিএনপি।

শোক বইয়ে এরই মধ্যে সই করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তিন উপদেষ্টা— আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও এতে সই করেছেন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে শোক বইয়ে সই করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, জামায়াতে ইসলামী নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি মোহাম্মদ ফয়েজুল করিম, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, শোক বই খোলার প্রথম চার ঘণ্টায় মোট ২৮টি দেশের কূটনীতিক শোক বইয়ে সই করেছেন। মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, এখন পর্যন্ত চীন, ভারত, পাকিস্তান, জার্মানি, ইরান, ওমান, আলজেরিয়া, কাতার, ফ্রান্স, নরওয়ে, সুইডেন, ব্রুনাই, ফিলিস্তিন, স্পেন, মরক্কো, ভুটান ও ব্রাজিলসহ ২৮টি দেশের কূটনীতিক শোক বইয়ে সই করেছেন।

এদিকে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে মেজর জেনারেল (অব.) মুনিরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম ওয়াহাব, কবি ও চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার এবং জাতীয় দলের সাবেক প্রখ্যাত ফুটবলার কায়সার হামিদও সই করেছেন শোক বইয়ে।

কূটনীতিকদের শোক বইয়ে সই কার্যক্রম সমন্বয় করছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, জেবা খান ও গিয়াসউদ্দিন রিমন।

অন্যদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিশিষ্টজনদের শোক বইয়ে সই কার্যক্রম সমন্বয় করছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

বিএনপি জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত শোক বইয়ে সই নেওয়া হয়েছে। এরপর আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শোক বইয়ে সই নেওয়া হবে।

১৫: ৫২

খালেদা জিয়ার জানাজা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী নয়, আসবেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার

খালেদা জিয়ার জানাজা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী নয়, আসবেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার নয়, বরং ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক। তিনি এ সফরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিত্ব করবেন।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে ইসহাক দার নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশন জানায়, খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ঢাকায় আসবেন। বুধবার তার ঢাকার পৌঁছানোর কথা ছিল। পরে সে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এসেছে।

এদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে। তার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করসহ একাধিক দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ঢাকায় আসার কথা জানিয়েছেন।

১৫: ৪৪

খালেদা জিয়ার জানাজায় নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

খালেদা জিয়ার জানাজায় নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণের ব্যবস্থা নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় বলা হয়, গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে দেশব্যাপী গভীর শোকের আবহ বিরাজ করছে। তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এ প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে বার্তায়। বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় নারীদের জন্য পৃথকভাবে এ বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেন তারা সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে জানাজায় অংশ নিতে পারেন।

খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার দুপুর ২টায় হবে উল্লেখ করে বার্তায় জানাজায় অংশগ্রহণে আগ্রহী সবাইকে নিরাপত্তাজনিত কারণে কোনো ধরনের ব্যাগ বহন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে আগত সবার সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানিয়েছে সরকার।

১৫: ১৯

খালেদা জিয়ার জানাজা: অতিরিক্ত ট্রেন চালাবে মেট্রোরেল

খালেদা জিয়ার জানাজা: অতিরিক্ত ট্রেন চালাবে মেট্রোরেল

খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে সময়সূচির অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর ঘোষণা দিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাসহ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকা জুড়ে খালেদা জিয়ার জানাজা হবে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) মেট্রোরেল পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলেছে, আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মেট্রোরেলে নিয়মিত সময়সূচির অতিরিক্ত বিশেষ ট্রেন সার্ভিস পরিচালনা করা হবে।

১৫: ১৬

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাশিয়ার শোক, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে রাশিয়া। ঢাকায় দেশটির দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, সরকারপ্রধান হিসেবে খালেদা জিয়ার তিন দফা দায়িত্ব পালনকালে দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখায় তাকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে মস্কো।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাশিয়া দূতাবাস এ বিবৃতি দেয়। এতে আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার প্রয়াণে রাশিয়া গভীরভাবে মর্মাহত। তার শাসনামলে বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক যে আন্তরিকতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে এগিয়েছে, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিবৃতিতে খালেদা জিয়ার পরিবার, বন্ধু ও বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি রাশিয়ার পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানানো হয়েছে।

১৫: ১৩

খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনুপ্রেরণা: ড. কামাল

খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনুপ্রেরণা: ড. কামাল
ড. কামাল হোসেন। ফাইল ছবি

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সংবিধান প্রণেতা ও গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

শোকবার্তায় ড. কামাল হোসেন বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা একজন দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক অভিভাবককে হারালাম। দেশের ইতিহাসে গণতান্ত্রিক সংগ্রামে তিনি এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া এক দুঃসময়ে দলের হাল ধরেন এবং তার সুযোগ্য নেতৃত্বে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ ও জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, তিন জোটের রূপরেখা প্রণয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার আপসহীন নেতৃত্ব জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

গণফোরামের এই প্রতিষ্ঠাতা আরও বলেন, দেশে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, জাতীয় নির্বাচনে একাধিক আসনে জয়লাভ এবং প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বহুবার কারাবরণ ও অন্যায়ের সাথে আপস না করার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করে গেছেন, যা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

ড. কামাল বলেন, বিগত সরকারের সময় তার প্রতি যে সীমাহীন জুলুম, নির্যাতন ও তাচ্ছিল্য করা হয়েছে তা দেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করেনি বরং তিনি জনগণের আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

১৫: ০৮

যেভাবে ‘আপসহীন নেত্রী’ হয়ে উঠলেন খালেদা জিয়া

যেভাবে ‘আপসহীন নেত্রী’ হয়ে উঠলেন খালেদা জিয়া

আশির দশকের সেই উত্তাল দিনগুলোতে খালেদা জিয়া ‘আপসহীন নেত্রী’ হয়ে ওঠেন মূলত ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচন ঘিরে। যখন দেশের অন্যতম প্রধান দলসহ অনেক রাজনৈতিক পক্ষ এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে সম্মতি দিয়েছিল, তখন খালেদা জিয়া একাই ছিলেন অনড়।

তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনো স্বৈরাচারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তাকে বৈধতা দেবে না বিএনপি। লোকমুখে তখন খালেদা জিয়ার একটি কথাই ছড়িয়ে পড়েছিল— ‘স্বৈরাচারের সঙ্গে কোনো আপস নেই।’

বিস্তারিত পড়ুন এখানে—

যেভাবে ‘আপসহীন নেত্রী’ হয়ে উঠলেন খালেদা জিয়া

১৫: ০১

দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন: নাহিদ

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার সাহসী নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে এ দেশের মানুষকে পথ দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারে খালেদা জিয়া অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার প্রয়াণে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। এ দিন সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া।

নাহিদ ইসলাম বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া বহুবার কারাবরণ করেছেন এবং চড়াই-উৎরাই পার করেছেন। কিন্তু নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে তিনি ছিলেন অবিচল। দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন।

বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে খালেদা জিয়ার অবদান ও সংগ্রামের স্মৃতি সংরক্ষিত থাকবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন নাহিদ। তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে থাকবে অনুপ্রেরণা হয়ে।

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল উল্লেখ করে নাহিদ আল্লাহর কাছে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও তার অসংখ্য অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

১৪: ৩২

নিঃসঙ্গ শেরপা, অমর হয়ে থাকবেন আপসহীনতার উপমা হিসেবে: হাসনাত

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই চালিয়ে যাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘নিঃসঙ্গ শেরপা’ ও ‘আপসহীনতার উপমা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। জিয়াকে গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে এক অদম্য প্রতীক হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ তার পোস্টে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জীবনের ট্র্যাজেডিগুলো তুলে ধরে লিখেছেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে খালেদা জিয়া সবকিছু হারিয়েছেন। স্বামী শহিদ হলেন। ছোট ছেলে মারা গেলেন বন্দি অবস্থায়। বড় ছেলেকে পাঠিয়ে দেওয়া হলো নির্বাসনে। স্বজনহীন একা বেগম জিয়া জনগণকেই স্বজন মেনে রয়ে গেলেন বাংলাদেশে।’

বিগত সরকারের দমন-পীড়ন ও বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা স্মরণ করে এনসিপির এই নেতা লিখেছেন, ‘এক পিশাচ ডাইনি ঘর-বাড়িটাও কেড়ে নিয়ে খালেদা জিয়াকে করলো নিঃস্ব-নিঃসঙ্গ। নিঃস্ব ও নিঃসঙ্গ অবস্থায় আপসহীন খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য বারবার রাস্তায় নামলেন। তর্জনী হেলিয়ে হুঙ্কার দিয়ে গেলেন ফ্যাসিবাদ এবং আধিপত্যবাদকে।’

হাসনাত তার পোস্টে বর্তমান বিজয়কে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রামের সার্থকতা হিসেবে দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘হে নিঃসঙ্গ শেরপা! আপনি শেষ পর্যন্ত জয় করেছেন সব চূড়া। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। পিশাচ ডাইনির অস্তিত্ব মুছে গেছে বাংলার জমিন থেকে। ওদের বানানো সব মূর্তি ভেঙে চুরমার হয়েছে।’

খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী হয়ে থেকে যাবে উল্লেখ করে হাসনাত আরও লিখেছেন, ‘বেগম জিয়া, আপনি অমর হয়ে থাকবেন আপসহীনতার উপমা হিসেবে, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াকু নেত্রী হিসেবে, বাংলাদেশের জনগণের অতি আপনজন হিসেবে। আল্লাহ আপনার সকল ভুল ক্ষমা করে বেহেশত নসিব করুন। আমিন।’

১৪: ১৭

নেতাকর্মীদের খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে বলল জাপা

নেতাকর্মীদের খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে বলল জাপা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় দলের নেতাকর্মীদের অংশ নিতে অনুরোধ জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) জাতীয় পার্টির এক বিশেষ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে এ জানাজা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে জাপা চেয়ারম্যান গোলাম মোহম্মদ কাদেরের (জি এম কাদের) নির্দেশে দলটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানাজায় অংশ নিতে দলটির নেতাকর্মীদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই জানাজা হবে। এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকায় অবস্থানরত দলটির নেতাকর্মীদের সংসদ ভবনসংলগ্ন পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে অবস্থান করতে অনুরোধ জানানো হয়।

১৪: ১৪

খালেদা জিয়ার জানাজা পড়াবেন জাতীয় মসজিদের খতিব

খালেদা জিয়ার জানাজা পড়াবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা মাঠ ও সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ পুরো এলাকা জুড়ে জানাজার নামাজ হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব জানাজা পড়াবেন।

জানাজার পুরো আয়োজনটি সঞ্চালনা করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

জানাজা শেষে স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে খালেদা জিয়াকে সমাহিত করা হবে।

১৪: ১৩

খালেদা জিয়া: রাজনীতির ‘মাইলফলক’

খালেদা জিয়া: রাজনীতির ‘মাইলফলক’

আধিপত্যবাদী নৃশংস চক্রান্তের পর জিয়ার মৃত্যুর পর দেশের হাল ধরেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি জিয়ার শাহাদতের জন্য দায়ী করেন এরশাদকে এবং পরে তার এই আপসহীন ভূমিকার যথার্থতা ও দূরদর্শিতা প্রমাণিত হয়। ষড়যন্ত্র শুরু হয় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি একনায়ক, খুনি ও স্বৈরাচারী এরশাদের বিরুদ্ধে ছিলেন আপসহীন। তার নেতৃত্বে সারা দেশে এরশাদ-বিরোধী গণআন্দোলন রূপ নেয় ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে।

খালেদা জিয়াই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করানোর আইন করেন, যেন নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র এ দেশে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিতে পারে। আওয়ামী লীগ ও তার কুচক্রী দোসররা বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকেও কঠোর দমন নীতির মুখে পড়তে হয়। বারবার তাকে কারাবরণ করতে হয়।

স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার বেগম জিয়া ও তার জনপ্রিয় দল বিএনপির বিরুদ্ধে যে দমন-পীড়ন শুরু করে, তাকে চিকিৎসার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত করে মৃত্যুর পথে ঠেলে দেয়। আফসোস, তিনি জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারলেন না ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিচার।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে—

খালেদা জিয়া: রাজনীতির ‘মাইলফলক’

১৪: ০৮

খালেদা জিয়া জনসেবার অনন্য উত্তরাধিকার রেখে গেছেন: নেপালের প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়া জনসেবার অনন্য উত্তরাধিকার রেখে গেছেন: নেপালের প্রধানমন্ত্রী

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আজীবন জনসেবার এক অনন্য উত্তরাধিকার রেখে গেছেন। তার দৃঢ় নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

নেপাল সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার পরিবার, স্বজন ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান সুশীলা কার্কি।

বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নেপালের একজন প্রকৃত বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার বিদেহী আত্মা চিরশান্তিতে থাকুক।’

১৩: ০৯

খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন ভারত-পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার জানাজায় আসছেন ভারত-পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (বাঁয়ে) ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

সদ্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে বাংলাদেশে আসবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভারত ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সূত্রগুলো তাদের দুজনের বাংলাদেশে আসার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ভারতের কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকায় আসছেন এস জয়শঙ্কর। অন্যদিকে পাকিস্তানের কূটনৈতিক সূত্রও বলছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের প্রতিনিধিত্ব করবেন ইসহাক দার।

এ ছাড়া ভুটান ও মালদ্বীপের একাধিক মন্ত্রীও খালেদা জিয়ার জানাজায় ঢাকায় আসার কথা জানিয়েছেন।

১১: ৫৯

খালেদা জিয়ার কবরের জায়গা দেখতে জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিনিধি দল

খালেদা জিয়ার কবরের জায়গা দেখতে জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিনিধি দল
খালেদা জিয়ার জন্য কবরের জায়গা দেখতে মঙ্গলবার বিকেলে জিয়া উদ্যান পরিদর্শন করেছে বিএনপির প্রতিনিধি দল। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরের জায়গা দেখতে জিয়া উদ্যানে গেছে বিএনপির প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে তারা সেখানে গিয়ে জায়গা নির্ধারণ করে কবরের মাপ নেয়।

বিএনপি জানিয়েছে, বুধবার দুপুরে জানাজা শেষে স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে খালেদা জিয়াকে।

১১: ৫০

দেশপ্রেমের জন্য খালেদা জিয়ার নাম ইতিহাসে লেখা থাকবে

দেশপ্রেমের জন্য খালেদা জিয়ার নাম ইতিহাসে লেখা থাকবে

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আকস্মিক প্রয়াণের পর বিএনপি যখন চরম অস্তিত্ব সংকটে, তখন এক সাধারণ গৃহবধূর কাঁধে এসে পড়েছিল বিশাল এক রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ভার। অনেকে হয়তো তখন ভেবেছিলেন, তিনি পারবেন না। কিন্তু আমি দেখেছি, কীভাবে তিনি সেই সংকটকাল থেকে দলটিকে নিজের হাতে আগলে রেখেছিলেন, গড়ে তুলেছিলেন।

খালেদা জিয়া রাজনীতিতে এসেছিলেন কেবল বিএনপিকে ধরে রাখার জন্য নয়, বরং এই দলটিকে তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করতে এবং তিনি তাতে দারুণভাবে সফল হয়েছিলেন।

খালেদা জিয়ার এই দীর্ঘ পথচলাকে আমি মূল্যায়ন করি তার গভীর দেশপ্রেম দিয়ে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতিটি সংগ্রামে তার নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি বলতেন, ‘এ দেশই আমার ঠিকানা, আর এ দেশের জনগণই আমার আত্মীয়।’

বিস্তারিত পড়ুন এখানে—

দেশপ্রেমের জন্য খালেদা জিয়ার নাম ইতিহাসে লেখা থাকবে

১০: ৪৫

নয়াপল্টনে চলছে কোরআন খতম

নয়াপল্টনে চলছে কোরআন খতম
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কোরআন তিলাওয়াতের আয়োজন করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছড়িয়ে পড়েছে শোকের আবহ। কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা ধারণ করেছেন কালো ব্যাজ। শুরু হয়েছে কোরআন খতম।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তখন থেকেই নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভিড় জমাতে থাকেন নেতাকর্মীরা। এ সময় দলের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় কোরআন খতম।

১০: ০৬

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ১ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

০৯: ৫৫

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের শোক ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

০৯: ৪৭

বুধবার দুপুর ২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জানাজা খালেদা জিয়ার

বুধবার দুপুর ২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জানাজা খালেদা জিয়ার
মঙ্গলবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বিশেষ বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে ব্রিফ করেন দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: ভিডিও থেকে

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা হবে আগামীকাল (৩১ ডিসেম্বর) বুধবার দুপুর ২টায়। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে শুরু করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে হবে তার এই জানাজা। এরপর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে সমাহিত করা হবে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির স্থায়ী কটির বৈঠকের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্তের কথা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদকে জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে আয়োজিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় অংশ নেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে খালেদা জিয়াকে দাফন করা হবে। সেখানে সাধারণ জনগণের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। যারা জানাজায় অংশ নেবেন, তারা কোনো ব্যাগ বা ভারী সামগ্রী বহন করতে পারবেন না।

০৯: ৪৫

৩১ ডিসেম্বরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামীকাল বুধবার (৩১ জানুয়ারি) অনুষ্ঠেয় অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এ দিন সকাল ৬টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া।

আগামীকাল বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজা হবে। এ দিনটিকে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকও ঘোষণা করা হয়েছে।

০৯: ৪০

খালেদা জিয়ার ভূমিকা জাতি চিরদিন মনে রাখবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

খালেদা জিয়ার ভূমিকা জাতি চিরদিন মনে রাখবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ফাইল ছবি

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করাসহ বিভিন্ন খাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ভূমিকা জাতি চিরদিন মনে রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এক শোকবার্তায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এ উপদেষ্টা।

শোকবার্তায় উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। পতিত স্বৈরাচার এরশাদ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তার আদর্শিক ও আপসহীন অবস্থান, নেতৃত্ব ও লড়াই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ইতিহাসে অনন্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও অবদান হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিভিন্ন খাতে খালেদা জিয়ার অবদান তুলে ধরে সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় খালেদা জিয়া পরিবেশ, অবকাঠামো, নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক উন্নয়নে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা।

০৯: ৩২

খালেদা জিয়ার মৃত্যু: জাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কর্তৃপক্ষ একদিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সভা ও ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করেছে।

জাবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গলবারের (৩০ ডিসেম্বর) সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। এ দিনের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় সব সভাও স্থগিত থাকবে।

এদিকে এক শোকবার্তায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে জাবি কর্তৃপক্ষ।

০৯: ৩১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অর্থ উপদেষ্টার শোক

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অর্থ উপদেষ্টার শোক
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক শোকবার্তায় উপদেষ্টা এ কথা বলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়া সততা, দৃঢ়তা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত ও অবস্থান দেশের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব রেখে গেছে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের এক দীর্ঘকালীন ও প্রভাবশালী নেতৃত্বের প্রতীক। রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও অবস্থান দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্বতন্ত্র ও স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা।

০৯: ২৭

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার শোক

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার শোক
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার বিদেহ আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘খালেদা জিয়া ছিলেন তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী এবং একজন সৎ ও আদর্শ রাজনীতিবিদ। দেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তার আপসহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।’

০৯: ০০

০৯: ০০

খালেদা জিয়া আমার কাছে মমতাময়ী মা— দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকে পাথর তার বড় ছেলে তারেক রহমান সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মায়ের জন্য সবার কাছে চেয়েছেন দোয়া।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান বলেন, ‘আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।’

মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আপনারা সবাই আমার মাযের জন্য দোয়া করবেন। তার প্রতি দেশবাসীর আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।’

বিস্তারিত পড়ুন এখানে—

মায়ের জন্য দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

০৭: ৫৭

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গণভোটের প্রচার বন্ধ থাকবে ২ দিন

দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট নিয়ে সরকারের প্রচারমূলক কার্যক্রম দুদিন বন্ধ রাখা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ও আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুদিন এ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক এবং উপদেষ্টার পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বুধবার এ বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট নেওয়া হবে। গণভোট সামনে রেখেই যাত্রা করেছে ‘ভোটের গাড়ি’, যা গণভোটের বার্তা নিয়ে সারা দেশ ঘুরছে।

০৭: ৫৩

শোকার্ত পরিবেশে স্থায়ী কমিটির সঙ্গে প্রথম সরাসরি বৈঠকে তারেক রহমান

শোকার্ত পরিবেশে স্থায়ী কমিটির সঙ্গে প্রথম সরাসরি বৈঠকে তারেক রহমান
মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান তারেক রহমান। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল

দেড় দশকের বেশি সময় ধরে অবস্থান করছেন লন্ডনে। এর মধ্যেই তারেক রহমান পেয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। দলের স্থায়ী কমিটির সঙ্গে তাই নিয়মিতই বৈঠক করতে হয়েছে তাকে। তবে সেসব বৈঠকে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হতেন।

১৭ বছর পর দেশে ফিরে প্রথমবার যখন তারেক রহমান স্থায়ী কমিটির সঙ্গে সশরীরে উপস্থিত থেকে বৈঠকে বসছেন, কেবল গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে নয়, সারা দেশেই বিএনপি জুড়ে শোকের ছায়া। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যে প্রয়াত হয়েছেন সকালেই।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে খালেদা জিয়ার প্রয়াণের শোকাবহ পরিবেশের মধ্যেই দুপুরে দলের কর্মসূচি নির্ধারণ করতে বৈঠকে বসেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। বিএনপির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, বিশেষ এই বৈঠক দুপুর ১২টা ৩৮ মিনিটে শুরু হয়েছে।

স্থায়ী কমিটির এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন সদ্য মাকে হারানো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে আছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া সংক্রান্ত কাজে নিজ নিজ এলাকায় থাকায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

০৭: ৩৭

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিপিএলের খেলা বাতিল

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিপিএলের মঙ্গলবারের (৩০ ডিসেম্বর) খেলা বাতিল করা হয়েছে।

এ দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, দেশের শোকাবহ পরিস্থিতি ও খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের দুটি ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। ম্যাচ দুটির নতুন তারিখ পরে জানাবে বিসিবি।

এদিকে মঙ্গলবার ফেডারেশন কাপের দুই ম্যাচ স্থগিত রেখেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আজ নোয়াখালীতে অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের সূচি ছিল। সেই ফাইনালও আজ হবে না। বাফুফে পরে এই খেলাগুলোর সূচি প্রকাশ করবে।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এর আগেই আলাদা আলাদাভাবে শোক জানিয়েছে বিসিবি, বাফুফে, বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশন, বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশন, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন।

০৭: ১৪

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম: শেখ হাসিনা

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম: শেখ হাসিনা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জুলাই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে তার এ শোকবার্তাটি প্রকাশ করা হয়েছে।

শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার অবদান অপরিসীম। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে ও বিএনপি নেতৃত্বের এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো। আমি খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ও পরিবারের অন‍্যান‍্য শোকাহত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান শেখ হাসিনা। শোকবার্তায় তিনি বলেন, আশা করছি মহান আল্লাহ তার পরিবারের সদস্যদের এবং বিএনপির সবাইকে এই শোক কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবেন।

০৭: ০৯

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে খালেদা জিয়াকে

বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। সংসদ ভবন এলাকার পাশে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে তার স্বামী ও বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করা হবে।

তিনি আরও জানান, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সংসদ প্লাজায় জোহরের নামাজের পর জানাজা হবে। তার মরদেহ আজ এভারকেয়ারে থাকবে। বুধবার সকালে সেখান থেকে মরদেহ সংসদ ভবনে নেওয়া হবে।

০৭: ০৩

খালেদা জিয়ার জন্য শোক বই, সই ৩ দিন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে বিএনপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শোক বই খোলা হয়েছে। গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই শোক বইটি থাকবে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পর্যন্ত এতে শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানানো যাবে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, এই শোক বইয়ে সইয়ের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, শুভানুধ্যায়ী, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ তাদের শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানাতে পারবেন।

শোক বইয়ে স্বাক্ষরের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে— মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা।

০৬: ৩৬

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত
মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুসহ অন্যান্য বিষয়ে জানাতে বিশেষ আমন্ত্রণে অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ সভায় এ শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

সভায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামীকাল বুধবার থেকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা ও আগামীকাল বুধবার একদিনের সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় শুরুতেই তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় শোকের তিন দিন দেশের সব সরকারি আধা সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

একই সঙ্গে আগামীকাল বুধবার দেশের প্রতিটি মসজিদে খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয় গুলোতেও আয়োজন হবে বিশেষ প্রার্থনার।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক বই খোলা হবে।

সভায় বিশেষ আমন্ত্রণে অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং খালেদা জিয়ার নিরাপত্তাসহ সব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।

মির্জা ফখরুল জানান, আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও এর সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা হবে। পরে তাকে শহিদ রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে।

মঙ্গলবারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় খালেদা জিয়ার দাফন ও জানাজা সম্পর্কিত বিষয়ে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজ গভীর শোকের সময় আমরা সবাই সমবেত হয়েছি। পুরো জাতি খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করছিল, যেন তিনি আমাদের সঙ্গে আরও অনেক বছর থাকেন। আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। জাতির পক্ষ থেকে আমরা তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। তার দাফন ও জানাজার বিষয়ে যা যা কিছু প্রয়োজন সব ধরনের সহায়তা সরকার করবে।’

স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সর্বশেষ উনার সঙ্গে দেখা হয়েছিল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে। সেদিন তিনি খুব উৎফুল্ল ছিলেন। আমার সঙ্গে অনেকক্ষণ গল্প করেছেন। আমার ও আমার স্ত্রীর স্বাস্থ্যের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। তিনি নিজে অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু সবার সুস্থতা নিয়ে তার উদ্বেগ ছিল।’

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘তিনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন। জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে, যখন আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ থাকতেই হবে, এ সময় তার উপস্থিতি আমাদের ভীষণ প্রয়োজন ছিল। তার চলে যাওয়া জাতির বিরাট ক্ষতি।’

০৬: ২৫

জিয়াউর রহমানের পাশে শায়িত হবেন খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দল।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হতে পারে।

০৬: ২১

বুধবার দুপুরে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে জানাজা খালেদা জিয়ার

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা হবে আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর)। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ জানাজা হবে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে দলের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদকে অবহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ দিন উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ বৈঠকের পর আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি সবাইকে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

০৬: ১৬

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি মহান অভিভাবককে হারিয়েছে: প্রধান উপদেষ্টা

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি মহান অভিভাবককে হারিয়েছে: প্রধান উপদেষ্টা
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মঙ্গলবার দুপুুর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি একজন মহান অভিভাবককে হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, আজ আমাদের পুরো জাতি গভীর শোক ও বেদনায় নিস্তব্ধ। দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। তার ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। তার মৃত্যুতে জাতি এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

এই গভীর শোকের মুহুর্তে তিনি খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, তার দলের রাজনৈতিক সহকর্মী এবং অগণিত কর্মী-সমর্থকের প্রতি সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান। আল্লাহর কাছে তিনি প্রার্থনা করেন— তিনি যেন আমাদের সবাইকে এই গভীর শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি দান করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার অসামান্য ভূমিকা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তার আপসহীন নেতৃত্ব বারবার জাতিকে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে এবং মুক্তির প্রেরণা জুগিয়েছে।

দেশ ও জাতির প্রতি খালেদা জিয়ার সমুজ্জ্বল অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখতে তার অবিচল ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হবার নয়।

এই শোকাবহ মুহূর্তে আপনাদের সবার প্রতি প্রধান উপদেষ্টা আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে মহান আল্লাহর দরবারে খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। একই সঙ্গে জাতির এই কঠিন সময়ে আমরা যেন ঐক্যবদ্ধ থাকি। শোকের এই সময়ে কেউ যেন অস্থিতিশীলতা বা নাশকতার অপচেষ্টা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে আমি সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। এই সময়ে আমাদের সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা অত্যন্ত জরুরি।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক ও সাধারণ ছুটির ঘোষণা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং আগামীকাল (বুধবার) তার জানাজার দিনে একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছি। জানাজাসহ সব ধরনের শোক পালনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আমি সবার প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।

সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমি জানি, আপনারা সবাই এই সময়ে অনেক আবেগাপ্লুত। আমি আশা করছি, শোকের এই সময়ে আপনারা ধৈর্যের পরিচয় দেবেন এবং তার জানাজাসহ সব আনুষ্ঠানিকতা পালনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করবেন। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ধৈর্য, শক্তি ও ঐক্যবদ্ধ থাকার ক্ষমতা দিন।

০৬: ০৭

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, বুধবার জানাজার দিনে সাধারণ ছুটি

দেশের প্রথম প্রধান নারী প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

একই সঙ্গে আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) তার জানাজার দিনে সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন।

০৫: ৪৯

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মোদি-শেহবাজের সমবেদনা, বিভিন্ন দেশের শোকবার্তা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। এ ছাড়া ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনও শোক প্রকাশ করেছে।

শোকবার্তায় খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্মরণ করেন নরেন্দ্র মোদি। দেশের উন্নয়ন ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

২০১৫ সালে ঢাকায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে ব্যক্তিগত সাক্ষাতের কথা স্মরণ করে মোদি আশা প্রকাশ করেন, খালেদা জিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ভবিষ্যতেও দুই দেশের অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শেহবাজ শরিফ শোকবার্তায় বলেছেন, খালেদা জিয়া আজীবন অবদান রেখেছেন এবং দেশের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা ছিল। তিনি পাকিস্তানের একজন নিবেদিত বন্ধু ছিলেন।

শেহবাজ বলেন, পাকিস্তান সরকার ও পাকিস্তানের জনগণ এই দুঃখের মুহূর্তে বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে। এই কঠিন সময়ে আমাদের চিন্তাভাবনা ও প্রার্থনা তার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা তার আত্মার শান্তি দান করুন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইসহাক দার বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিক ছিলেন, যিনি চীনের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন ছিলেন এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিকাশে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্ব, সমতা ও পারস্পরিক লাভের ভিত্তিতে সর্বাঙ্গীন সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় উল্লেক করে ওয়াং ই চীন সরকার চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে উচ্চভাবে মূল্যায়ন করে বলে উল্লেখ করেছেন।

এক শোকবার্তায় খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনা করে জার্মান দূতাবাস বলছে, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রনায়ক, সাবেক ফার্স্ট লেডি ও দীর্ঘকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন হিসেবে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয়। তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন।

জার্মান দূতাবাস তার সঙ্গে বিভিন্ন সময়ের বৈঠকের স্মৃতিও তুলে ধরেছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০০৪ সালে ঢাকায় জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জশকা ফিশারের সঙ্গে বৈঠক ও ২০১১ সালে রাষ্ট্রপতি ক্রিশ্চিয়ান উলফের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরের সময় অনুষ্ঠিত আলোচনার কথা। জার্মানি খালেদা জিয়ার জাতীয় জীবনে অবদানকে সম্মান জানিয়েছে এবং তার পরিবার, রাজনৈতিক দল ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

ঢাকায় ফরাসি দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানিয়েছে, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে খালেদা বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এই শোকের সময় তার পরিবার, রাজনৈতিক দল এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের সমবেদনা। তার স্থায়ী প্রভাব স্মরণীয় থাকবে।

যুক্তরাজ্য হাইকমিশনও খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা অত্যন্ত দুঃখিত।’

অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এক বার্তায় লিখেছে, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী, নেত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমাদের চিন্তা ও সমবেদনা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে।’

ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মিশনও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে। ইইউ বলেছে, ‘খালেদা জিয়ার জীবন ও নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বিশেষ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

০৫: ২৫

দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে দিকনির্দেশনা দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে একযোগে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

০৫: ২৩

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জকসু নির্বাচন স্থগিত

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এ নির্বাচনের নতুন তারিখ পরে জানানো হবে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সিন্ডিকেট সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান উপাচার্য অধ্যাপক রেজাউল করিম।

আজ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কেন্দ্রীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের কথা ছিল। ভোরে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর জানার পর জরুরিভিত্তিতে সিন্ডিকেটের সভা ডেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

০৫: ২১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাজনীতিতে বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো: মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাজনীতিতে বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো: মির্জা ফখরুল
মঙ্গলবার সকালে এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ ও বিশ্ব রাজনীতির গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রীর চলে যাওয়া শুধু দলের জন্যই নয়, বরং সমগ্র জাতির জন্য এক অস্বাভাবিক ও অপূরণীয় ক্ষতি, যা কোনোদিন পূরণ হওয়ার নয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সংবাদটি নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে হবে— এটা আমরা কখনো ভাবিনি। আমরা এবারও আশা করছিলাম, ঠিক আগের মতোই আবারও তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। আমরা মহা ভারাক্রান্ত হৃদয়ে। এরই মধ্যে আপনারা শুনেছেন ড. শাহাবুদ্দিনের ঘোষণা। আজ ভোর ৬টায় আমাদের গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, আমাদের জাতির অভিভাবক আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেছে… ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইল্লা ইলাইহি রাজিউন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই শোক, এই ক্ষতি এটা অস্বাভাবিক-অপূরণীয়। এই জাতি কোনোদিন এটা পূরণ করতে পারবে না। যে নেত্রী তার সারাজীবন জনগণের অধিকারের জন্য, কল্যাণের জন্য, তার সমগ্র জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন, সেই দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই। এটা আমরা তার সহকর্মী এবং রাজনৈতিক কর্মী, আমরা ভাবতে পারি না।

‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো। শুধু তাই নয়, গণতান্ত্রিক পৃথিবীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো,’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আমাদের ফোন করেছিলেন। এরই মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সকাল সাড়ে ১০টায় তারা একটি স্পেশাল কেবিনেট মিটিং (উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক) করবেন। সেখানে তারা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার যে শেষ কাজগুলো, তার জানাজা, তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা, তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া— এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন। এরপর আমরা পুরো জিনিসটাকে কো-অর্ডিনেট করে আবার সেটা আপনাদের সামনে জানাব।

০৫: ১৫

খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক: প্রধান উপদেষ্টা

খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক: প্রধান উপদেষ্টা

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, তার মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা গভীর শোক জানিয়ে বলেন, খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি তার এক মহান অভিভাবককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার রাজনৈতিক অবদান, দীর্ঘ সংগ্রাম এবং দেশের মানুষের প্রতি তার যে গভীর মমতা, তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার আপসহীন নেতৃত্বের ফলে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে, মুক্তির অনুপ্রেরণা পেয়েছে। দেশ ও জাতির প্রতি তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও জাতির কল্যাণে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব ও দৃঢ় মনোবল সবসময় পথ দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টা। বলেন, তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত রাজনীতিককে হারাল।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন। স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব স্বৈরশাসক এরশাদের দীর্ঘ ৯ বছরের দুঃশাসনের পতন ঘটাতে প্রধান ভূমিকা রাখে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়ার বহু কর্ম ও সিদ্ধান্ত দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন, যা বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।

অ্যধ্যাপক ইউনূস বলেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর অর্থনৈতিক উদারীকরণের মাধ্যমে তিনি দেশের অর্থনীতির একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে খালেদা জিয়া ছিলেন সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য প্রতীক। তার আপোষহীন ভূমিকা দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে জাতিকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

রাজনৈতিক সাফল্যের কারণেই খালেদা জিয়া চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তার শোকসন্তপ্ত পরিবার ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির দিনে তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার ও ধৈর্য ধারণের আহ্বানও জানান। সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেছেন তিনি।

০৫: ১০

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক ও দোয়া

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক ও দোয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির লিখেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ওপরে রহম করুন, ক্ষমা করুন এবং তার প্রিয় জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন।

শফিকুর রহমান আরও লেখেন, তার আপনজন, প্রিয়জন ও সহকর্মীদেরকে মহান আল্লাহ সবরে জামিল দান করুন। আমিন।

০৫: ০১

বিএনপির ৭ দিনের শোক, সব কার্যালয়ে শোক বই

বিএনপির ৭ দিনের শোক, সব কার্যালয়ে শোক বই
খালেদা জিয়ার মৃত্যৃতে ৭ দিনের শোক বিএনপির, কর্মসূচি।

দলীয় চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সাত দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গুলশানের চেয়ারপারসনের কার্যালয়সহ সব কার্যালয়ে শোক বই খোলা রাখবে দলটি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর জানানোর পর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

প্রাথমিকভাবে নেওয়া কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— মঙ্গলবার থেকে আগামী একসপ্তাহ দলটির সব কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। এ সময়ে কালো ব্যাজ ধারণ করবেন দলের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচি ঘোষণার প্রাক্কালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এগুলো আমাদের প্রাথমিক কর্মসূচি। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনের ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

০৫: ০১

খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর নেই। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ‘আপসনহীন নেত্রী’। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী— খালেদা জিয়ার একজীবন