সোহরাওয়ার্দী হলের ফলে কারচুপির অভিযোগ, অবরুদ্ধ চবির সহউপাচার্য

চবি প্রতিনিধি
চবির প্রকৌশল অনুষদ ভবনের সামনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে হট্টগোল হয়। পরে সহউপাচার্য অধ্যাপক কামালকে অবরুদ্ধ করেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সোহরাওয়ার্দী হল সংসদ নির্বাচনের ফলে কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনকে প্রকৌশল অনুষদ ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে প্রকৌশল অনুষদ ভবনের সামনে হট্টগোল শুরু হয়। দিবাগত রাত পৌনে ৩টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হট্টগোল চলছিল। এর মধ্যে পুলিশ হাজির হয়ে অধ্যাপক কামালকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী হল সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত ফলে দেখা যায়, ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী নেয়ামত উল্লাহ এক হাজার ২০৬ ভোট পেয়ে ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন। তার চেয়ে মাত্র ৩ ভোট কম পেয়েছেন ছাত্রদলের প্রার্থী জমাদিউল আওয়াল, তার ভোট এক হাজার ২০৩টি।

ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তাদের প্রার্থীকে কারচুপির মাধ্যমে জোর করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন প্রকৌশল অনুষদের ৩১২ নম্বর কক্ষের কথা, যেখানে দর্শন ও সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছে। এ কক্ষে ছাত্রদলের প্রার্থী জমাদিউল আওয়াল পেয়েছেন মাত্র ৩ ভোট। এ ফল মেনে নিতে পারছেন না ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অধ্যাপক কামাল ফল সোহরাওয়ার্দী হলের ফল ঘোষণার পর চলে যেতে চাইলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে অবরুদ্ধ করেন। তার কাছে ৩১২ নম্বর কক্ষের ভোট পুনরায় গণনা করার দাবি জানান। এ সময় অধ্যাপক কামাল তাদের চাকসু নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বললেও তারা মানেননি।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

২ দিন আগে

জামায়াত-এনসিপিকে হারানোর ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল ইন্টেরিমও— অভিযোগ শফিকুরের

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”

২ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে হামলার নিন্দা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির, দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।

৩ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ: জামায়াতের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের

রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”

৩ দিন আগে