সাবেক এমপি অধ্যক্ষ শাহ আলম আটক

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
সাবেক এমপি অধ্যক্ষ শাহ আলম। ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অধ্যক্ষ শাহ আলমকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউটের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

পরিবারের দাবি, ইফতার পার্টিতে অংশ নিতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে চিনে ফেলে এবং পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শাহ আলমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

শাহ আলমের ছেলে একে 'রাজনৈতিক প্রতিহিংসা' বলে অভিযোগ করেছেন।

রমনা থানা সূত্রে জানা যায়, বিক্ষুব্ধ জনসাধারণের তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে শাহ্ আলমকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, শাহ্ আলম ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পিরোজপুর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়াও তিনি পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

জামায়াত-এনসিপিকে হারানোর ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল ইন্টেরিমও— অভিযোগ শফিকুরের

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”

২ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে হামলার নিন্দা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির, দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।

৩ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ: জামায়াতের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের

রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”

৩ দিন আগে

এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

৩ দিন আগে