
টিম রাজনীতি ডটকম



ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল জানার পর থেকেই কৌতূহল ছিল, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির মন্ত্রিসভায় থাকছেন কারা কারা। দুই দশক ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটির প্রবীণ অনেক নেতা এবারে নির্বাচন করেছেন, দল মনোনয়ন দিয়েছিল তরুণ অনেক নেতাকেও। সব জল্পনা-কল্পনা শেষে অবশেষে তারেক রহমান শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, শপথ সম্পন্ন হয়েছে তার মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার কিছু পরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শুরু হয় নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান। নবনিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী পদের শপথ নেন তারেক রহমান। এরপর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গোপনীয়তার শপথ নেন তিনি। পরে পদের শপথ ও গোপনীয়তার শপথপত্রে সই করেন তারেক রহমান।
এর মাধ্যমে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তারেক রহমান, যার বাবা ও মা দুজনেই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের জীবদ্দশায়।
এরপর বিকেল ৪টা ১৯ মিনিটে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী শপথ নেন রাষ্ট্রপতির কাছে। তারাও মন্ত্রী পদের পাশাপাশি গোপনীয়তার শপথ নেন। পরে সই করেন পদের শপথ ও গোপনীয়তার শপথপত্রে।
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার ২৫ পূর্ণ মন্ত্রী হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
এরপর বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন রাষ্ট্রপতির কাছে। তারাও প্রতিমন্ত্রী পদের পাশাপাশি গোপনীয়তার শপথ নেন। পরে সই করেন পদের শপথ ও গোপনীয়তার শপথপত্রে।
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার ২৪ প্রতিমন্ত্রী হলেন— এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রীর শপথের পর শপথ নিয়েছেন মন্ত্রিসভার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৪ জন। এরপর তারা গোপনীয়তার শপথও পাঠ করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পড়ান। এরপর প্রতিমন্ত্রীরা শপথ বইয়ে সই করেন।
যে ২৪ জন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারা হলেন—

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথের পর শপথ নিয়েছেন তার মন্ত্রিসভার পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৫ জন। এরপর তারা গোপনীয়তার শপথও পাঠ করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১৯ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পড়ান। এরপর মন্ত্রীরা শপথ বইয়ে সই করেন।
যে ২৫ জন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারা হলেন—

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ান।
এর পরপরই তিনি গোপনীয়তার শপথ পাঠ করেন। এরপর সই করেন শপথ বইয়ে।
এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি অভিনন্দন জানান নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিতে যাচ্ছে শিগগিরই। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ডাক পেয়েছেন ২৪ জন। এর মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ২৩ জন, একজন টেকনোক্র্যাট।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যে ২৪ জন ডাক পেয়েছেন তারা হলেন—

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপি সরকারের ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভার তথ্য জানা গেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে। এর মধ্যে নারী জায়গা পেয়েছেন মাত্র তিনজন। তাদের মধ্যে একজন পূর্ণ মন্ত্রী, দুজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে মন্ত্রিসভার শপথ। এর আগেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২৪ জনকে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে পাওয়া তালিকায় দেখা যায়, নারীদের মধ্যে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য ডাক পেয়েছেন মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।
আফরোজা খানম রিতার বাবা প্রয়াত হারুনার রশীদ খান মুন্নু ছিলেন স্বনামধন্য শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ। চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি। বাবার পর মানিকগঞ্জ বিএনপির রাজনীতির হাল ধরেন রিতা।
এদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য যে দুজন নারী মন্ত্রিপরিষদের আমন্ত্রণ পেয়েছেন তারা হলেন শামা ওবায়েদ ও ফারজানা শারমিন পুতুল।
শামা ওবায়েদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ফরিদপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে এক লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে ৩২ হাজার ৩৮৯ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন তিনি।
বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে শামা ওবায়েদ বিএনপির রাজনীতিতে পরিচিতমুখ। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটিতেও রয়েছেন তিনি।
এদিকে ফারজানা শারমিন পুতুল এবারের নির্বাচনে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের সংসদের তিনিই সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য। রাজশাহী বিভাগের একমাত্র বিজয়ী নারী প্রার্থীও তিনি।
সাবেক বিএনপি সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে ফারজানা শারমিন পুতুল নাটোর-১ আসনটি ১৮ বছর পর বিএনপির জন্য পুনরুদ্ধার করেছেন। ফজলুর রহমান পটল ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পুতুল বিএনপির মানবাধিকারবিষয়ক কমিটিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধেছিল গণসংহতি আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদ। এর মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছেন।
এবার তারা দুজনেই ডাক পেয়েছেন মন্ত্রিসভায়। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এদিকে ভোটের আগে নিজ দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (এনডিএম) ছেড়ে সরাসরি বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন ববি হাজ্জাজ। তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে যাচ্ছেন তিনিও।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ববি হাজ্জাজকে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিতে যাচ্ছে শিগগিরই। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ডাক পেয়েছেন ২৫ জন। এর মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ২৩ জন, বাকি দুজন টেকনোক্র্যাট।
পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে যে ২৫ জন ডাক পেয়েছেন তারা হলেন—

ঢাকা-১৬ আসনে নির্বাচন করে তিন হাজার ৩৬১ ভোটে হেরে গিয়েছিলেন সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক। এমপি না হতে পারলেও মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন তিনি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রতিমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এই আহ্বায়ক।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার শপথ হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক সে মন্ত্রিসভাতেই প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পেয়েছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-১৬ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে জামায়াতের প্রার্থীর কাছে হেরে যান আমিনুল। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল বাতেন পান ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল ধানের শীষ প্রতীকে পান ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। ভোটের ব্যবধান তিন হাজার ৩৬১।
আমিনুল অবশ্য ভোটের পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তার নির্বাচনি এলাকায় ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভোট কারচুপির অভিযোগ তোলেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রিটার্নিং অফিসার বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়ে নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত ও বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।

তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন ড. খলিলুর রহমান ও মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ। সংসদ সদস্য হিসেবে তারা নির্বাচন না করলেও টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকছেন এই মন্ত্রিসভায়।
দুজনের মধ্যে ড. খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের একটি সূত্র বলছে, তিনি এ দুই পদ থেকে আজই পদত্যাগ করেছেন।
এদিকে আমিন উর রশিদ ইয়াছিন কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ আসনে থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। এরপর কুমিল্লা-৬ আসনে দুবার নির্বাচন করলেও জয় পাননি তিনি। এবার নির্বাচনই করেননি। টেকনোক্র্যাট হিসেবে তিনিও থাকছেন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায়।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম একে একে জানা যাচ্ছে। প্রাথমিক তালিকা বলছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির ছয় সদস্য ডাক পেয়েছেন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, তাদের কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব নেতাদের নাম মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে জানানো হয়েছে, তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য।
এ তালিকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির যে ছয় সদস্য রয়েছেন তারা হলেন— দলের মহাসচিবের দায়িত্বে থাকা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় দলের সভা করেছে বিএনপি। সে সভাতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ দলটি সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পড়ান বিএনপির সংসদ সদস্যদের। এরপরই বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংসদীয় কমিটির সভায় বসেন।
সভা শেষে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ দলের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদ সদস্যদের শপথ শেষ। এবার নতুন সরকার গঠনের পালা। সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপি এরই মধ্যে সংসদীয় দলের সভায় দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। এবার তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পালা। তার শপথের পর শপথ নেবেন মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা প্রাঙ্গণে নতুন সরকারের শপথ হওয়ার কথা রয়েছে। এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন দেশি-বিদেশি প্রায় ১২০০ অতিথি।