
বিশেষ প্রতিনিধি, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং আরও অন্তত তিনটি রাজনৈতিক দল ও প্ল্যাটফর্ম নিয়ে নির্বাচনি জোট হওয়ার ঘোষণা পিছিয়ে গেছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে আরও এক-দুই দিন সময় লাগবে।
এনসিপি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশকে (আপ বাংলাদেশ) নিয়ে এই জোট তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। সূত্র বলছে, আ স ম আবদুর রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদকেও এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কথা ছিল। তবে জোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে না পারায় এ ঘোষণা পিছিয়ে গেছে।
জানতে চাইলে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) জোট ঘোষণা করার কথা ছিল। তবে দুয়েকটি বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দুয়েকটি দলকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বাকিরা। সবকিছু চূড়ান্ত করতে দুয়েকদিন সময় লাগবে।’
হাসনাত কাইয়ুম জানান, আ স ম আবদুর রবের দল জেএসডিকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার কথা চলছে। নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। এসব দল জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে একদিন সময় চেয়েছে।
এদিকে জোটে একটি দলের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে পারেনি এনসিপি। বুধবার (২৬ নভেম্বর) দলটির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক হয়েছে। সেখানে তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে সময় চেয়েছে।
হাসনাত কাইয়ুম আশা করছেন, আগামী শনিবার নাগাদ নতুন এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর জোটবদ্ধ হওয়া নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। ১২ দলীয় জোট বরাবরের মতোই রয়েছে বিএনপির সঙ্গে, যদিও তাদের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি জোটের ঘোষণা এখনো আসেনি। এ ছাড়া গত দেড় দশকে বিএনপি যেসব দলের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছে তাদেরও নির্বাচনি জোটে রাখার হিসাব কষছে বিএনপি। এসব দলের জন্য আসন ছাড় হিসাবে রেখেই তারা জাতীয় নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
এদিকে বেশ কিছুদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আটটি ইসলামি রাজনৈতিক দল যৌথ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে এসব দলসহ অন্যান্য ধর্মভিত্তিক দলকে নিয়ে বৃহত্তর জোট গঠনের আলোচনা চলমান রয়েছে।
এর বাইরে নতুন ও বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে উঠতেই এনসিপিসহ কয়েকটি দল নির্বাচনি জোট গঠন নিয়ে গত কিছুদিন ধরে আলোচনা চালিয়ে আসছে। এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, এবি পার্টি ও আপ বাংলাদেশের এই জোটে থাকার বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত। আরও দুয়েকটি দলকে নিয়ে আলোচনা চলছে, যা নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে শিগগিরই।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং আরও অন্তত তিনটি রাজনৈতিক দল ও প্ল্যাটফর্ম নিয়ে নির্বাচনি জোট হওয়ার ঘোষণা পিছিয়ে গেছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে আরও এক-দুই দিন সময় লাগবে।
এনসিপি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশকে (আপ বাংলাদেশ) নিয়ে এই জোট তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। সূত্র বলছে, আ স ম আবদুর রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদকেও এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কথা ছিল। তবে জোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে না পারায় এ ঘোষণা পিছিয়ে গেছে।
জানতে চাইলে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) জোট ঘোষণা করার কথা ছিল। তবে দুয়েকটি বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দুয়েকটি দলকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বাকিরা। সবকিছু চূড়ান্ত করতে দুয়েকদিন সময় লাগবে।’
হাসনাত কাইয়ুম জানান, আ স ম আবদুর রবের দল জেএসডিকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার কথা চলছে। নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। এসব দল জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে একদিন সময় চেয়েছে।
এদিকে জোটে একটি দলের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে পারেনি এনসিপি। বুধবার (২৬ নভেম্বর) দলটির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক হয়েছে। সেখানে তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে সময় চেয়েছে।
হাসনাত কাইয়ুম আশা করছেন, আগামী শনিবার নাগাদ নতুন এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর জোটবদ্ধ হওয়া নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। ১২ দলীয় জোট বরাবরের মতোই রয়েছে বিএনপির সঙ্গে, যদিও তাদের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি জোটের ঘোষণা এখনো আসেনি। এ ছাড়া গত দেড় দশকে বিএনপি যেসব দলের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছে তাদেরও নির্বাচনি জোটে রাখার হিসাব কষছে বিএনপি। এসব দলের জন্য আসন ছাড় হিসাবে রেখেই তারা জাতীয় নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
এদিকে বেশ কিছুদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আটটি ইসলামি রাজনৈতিক দল যৌথ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে এসব দলসহ অন্যান্য ধর্মভিত্তিক দলকে নিয়ে বৃহত্তর জোট গঠনের আলোচনা চলমান রয়েছে।
এর বাইরে নতুন ও বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে উঠতেই এনসিপিসহ কয়েকটি দল নির্বাচনি জোট গঠন নিয়ে গত কিছুদিন ধরে আলোচনা চালিয়ে আসছে। এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, এবি পার্টি ও আপ বাংলাদেশের এই জোটে থাকার বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত। আরও দুয়েকটি দলকে নিয়ে আলোচনা চলছে, যা নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে শিগগিরই।

এদিন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম জানান, বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনায় তাকে সমর্থন জানিয়ে চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা নিজেরাই ঘোষণা দেবেন।
১০ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ‘দেশের সব ঘরানার শীর্ষ ইসলামী নেতারা বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছেন’-এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তারেক রহমান দেশের পীর-মাশায়েখ, আলেম, ওলামা, ইমাম ও খতিবদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা জামায়াতের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম রংপুর-২ আসনের বদরগঞ্জ উপজেলার বালুয়াভাটা প্রফেসরপাড়া কেন্দ্রে সকালে ভোট দেবেন। রাজশাহী-১ আসনের প্রার্থী ও নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান গোদাগাড়ীর মহিষালবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে
১২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনের বাড্ডা এলাকার ১৬২ নম্বর এ কে এম রহমত উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায় নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়া দলটির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী আখতার হোসেন কাউনিয়ার ভায়েরহাট
১২ ঘণ্টা আগে