তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চান ৪৭.৬% মানুষ: জরিপ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০০: ১১
তারেক রহমান। ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারমম্যান তারেক রহমানকে আগামীদিনে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেশিরভাগ মানুষ দেখতে চান। সম্প্রতি সামাজিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনোভিশন কনসাল্টিংয়ের তৃতীয় ধাপের জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

বিডিবিএল ভবনে জরিপটি উপস্থাপন করে সামাজিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।

জরিপে অংশ নেওয়া ৫ হাজার ১৪৭ জনের মধ্যে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এগিয়ে রেখেছেন ৪৭.৬ শতাংশ ভোটার।

এছাড়া জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে চান ২২.৫ শতাংশ, আর ২.৭ শতাংশ নাহিদ ইসলামকে সমর্থন দিয়েছেন।

জরিপের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫২.৮০ শতাংশ ভোটার বিএনপি জোটকে ভোট দেবে। আর জামায়াত ও এনসিপি জোটকে ভোট দিতে চায় ৩১ শতাংশ ভোটার। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন আছে ১ শতাংশ মানুষের। ভোট নিয়ে কোনো চিন্তা নেই ১৩.২০ শতাংশ মানুষের।

তবে জরিপে অংশ নেওয়া ২২.২ শতাংশ ভোটার কোনো উত্তর দেননি। যদিও এসব সিদ্ধান্তে নারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম। জরিপে অংশ নেওয়া ৬৯.৭ শতাংশ নারী মতামত দেননি।

এই জরিপ বাস্তবিক অর্থে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নাও হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

বাজেটে জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি, জাতি হতাশ: জামায়াত

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এই বাজেট দেশবাসীকে চরমভাবে হতাশ করেছে।

৪ দিন আগে

এ বাজেট চানাচুরের মতো— খেতে ভালো, পুষ্টিগুণ নেই: নাহিদ ইসলাম

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার সুন্দর কথা বলছে। তবে বাজেট নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছি না। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখানো হচ্ছে। আসলে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট। এই বাজেট চানাচুরের মতো— খেতে ভালো লাগবে, কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই।

৪ দিন আগে

রাষ্ট্র সংস্কারে অংশীদারিত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অনিবার্য: জেএসডি

প্রখ্যাত রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কার ও অংশীদারিত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

৬ দিন আগে

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

৬ দিন আগে