
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে 'ফ্যাসিস্টের দোসর' আখ্যা দিয়ে জাতীয় সংসদে তার বক্তব্য দেওয়ার কোনো অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে সংসদের বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তাহের বলেন, অধিবেশনে এ রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার কোনো অধিকার নেই৷ কিন্তু বিএনপি কী কারণে এ কাজটি করছে, তা বোধগম্য নয়।
সংসদে ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে তিনি বলেন, অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে বিরোধী দলের একটি আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব আসার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দলটির সংসদ সদস্যদের বৈঠক করে ১১-দলীয় জোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব ও সাধারণ আলোচনার বিষয়বস্তু কী হবে, তা নিয়েও বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শুরু হচ্ছে। তবে এতে কে সভাপতিত্ব করবেন তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার কে হচ্ছেন, সে সিদ্ধান্তও আসেনি। জুলাই সনদ অনুযায়ী প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ডেপুটি স্পিকার দেবে কিনা, তাও নির্ধারণ হয়নি।
আগামী ১২ মার্চ দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, বিদায়ী সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিদায়ী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেছেন এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু আইনি জটিলতায় কারাগারে রয়েছেন।

বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে 'ফ্যাসিস্টের দোসর' আখ্যা দিয়ে জাতীয় সংসদে তার বক্তব্য দেওয়ার কোনো অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে সংসদের বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তাহের বলেন, অধিবেশনে এ রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার কোনো অধিকার নেই৷ কিন্তু বিএনপি কী কারণে এ কাজটি করছে, তা বোধগম্য নয়।
সংসদে ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে তিনি বলেন, অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে বিরোধী দলের একটি আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব আসার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দলটির সংসদ সদস্যদের বৈঠক করে ১১-দলীয় জোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব ও সাধারণ আলোচনার বিষয়বস্তু কী হবে, তা নিয়েও বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শুরু হচ্ছে। তবে এতে কে সভাপতিত্ব করবেন তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার কে হচ্ছেন, সে সিদ্ধান্তও আসেনি। জুলাই সনদ অনুযায়ী প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ডেপুটি স্পিকার দেবে কিনা, তাও নির্ধারণ হয়নি।
আগামী ১২ মার্চ দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, বিদায়ী সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিদায়ী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেছেন এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু আইনি জটিলতায় কারাগারে রয়েছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানরা যখন কথা বলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যা সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়। ভারতের উচিত হবে সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
২১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রীদের এই রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মন্ত্রণালয় সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রীদের দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, অন্যান্য রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের সঙ্গে আলাপে মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করার কয়েকটি কারণ উঠে এসেছে। এর মধ্যে একদিকে যেমন রয়েছে তার ক্লিন ইমেজ আর রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘ অবদানের বিষয়টি, তেমনি রয়েছে কৌশলগত দিকও।
১ দিন আগে
ফখরুলের বিদায়ে বিএনপির মহাসচিবের পদটি শূন্য হচ্ছে। এখন প্রশ্ন, তার জায়গায় কে আসছেন? আপাতত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কে হবেন, সেই সিদ্ধান্তও হয়নি। তবে দলের গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
১ দিন আগে