
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
শুক্রবার ভোরে তাকে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে সাধারণ কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শে সীমিত পরিসরে কথা বলতে পারছেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ মার্চ ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসায় অবস্থার পরিবর্তন আসায় তাকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
শুক্রবার ভোরে তাকে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে সাধারণ কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শে সীমিত পরিসরে কথা বলতে পারছেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ মার্চ ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসায় অবস্থার পরিবর্তন আসায় তাকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে