
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে মাইক্রোফাইন্যান্স তথা ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের গ্রাহকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার স্বীকৃতি হিসেবে ‘ক্লায়েন্ট প্রটেকশন সার্টিফিকেট (সিপিসি) গোল্ড’ অর্জন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক। গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা ও দায়িত্বশীল আর্থিক সেবায় এটি একটি বৈশ্বিক স্বীকৃতি।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি এ স্বীকৃতি অর্জন করল। ২০১৬ সালে প্রথমবার এই স্বীকৃতি পেয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই বেসরকারি সংস্থা।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে এ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটির (এমআরএ) নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাঈদ কুতুব।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্ ও মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির জ্যেষ্ঠ পরিচালক অরিজয় ধর। এ সময় জানানো হয়, ব্র্যাক জানিয়েছে, বর্তমানে এই কর্মসূচির আওতায় এক কোটি ৪০ লাখেরও বেশি গ্রাহক নিরাপদ, ন্যায্য ও সম্মানজনক সেবা পাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ব্র্যাকের এই স্বীকৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘মাইক্রোফাইনানজা রেটিং (এমএফআর)’। চূড়ান্ত আটটি আন্তর্জাতিক নীতিমালার ভিত্তিতে এই সার্টিফিকেশন প্রদান করা হয়েছে। এতে গ্রাহকবান্ধব পণ্য-সেবা, অতিরিক্ত ঋণ প্রতিরোধ, স্বচ্ছতা, ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অভিযোগ নিষ্পত্তি মতো বিষয়গুলোকে মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হেলাল উদ্দিন বলেন, বৈদেশিক সহায়তা কমার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় উদ্যোগের সম্প্রসারণ অপরিহার্য। তিনি ব্র্যাকের কার্যক্রমকে আদর্শ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি।’
অতিরিক্ত সচিব মো. সাঈদ কুতুব বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি শুধু ব্র্যাকের জন্য নয়, দেশের জন্যও গৌরবের বিষয়। মাইক্রোফাইন্যান্স খাতে চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ব্র্যাক সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে আসছে।
ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্ বলেন, একটি বড় অর্জনের সঙ্গে দায়িত্বও বেড়ে যায়। দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা সততা ও জবাবদিহিতার সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব। দুর্গম এলাকা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি গত পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। দেশের চার কোটিরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো এ কর্মসূচির ৯০ শতাংশ গ্রাহকই নারী। লাখো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক ও নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়নে ব্র্যাকের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

দেশে মাইক্রোফাইন্যান্স তথা ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের গ্রাহকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার স্বীকৃতি হিসেবে ‘ক্লায়েন্ট প্রটেকশন সার্টিফিকেট (সিপিসি) গোল্ড’ অর্জন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক। গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা ও দায়িত্বশীল আর্থিক সেবায় এটি একটি বৈশ্বিক স্বীকৃতি।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি এ স্বীকৃতি অর্জন করল। ২০১৬ সালে প্রথমবার এই স্বীকৃতি পেয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই বেসরকারি সংস্থা।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে এ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটির (এমআরএ) নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাঈদ কুতুব।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্ ও মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির জ্যেষ্ঠ পরিচালক অরিজয় ধর। এ সময় জানানো হয়, ব্র্যাক জানিয়েছে, বর্তমানে এই কর্মসূচির আওতায় এক কোটি ৪০ লাখেরও বেশি গ্রাহক নিরাপদ, ন্যায্য ও সম্মানজনক সেবা পাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ব্র্যাকের এই স্বীকৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘মাইক্রোফাইনানজা রেটিং (এমএফআর)’। চূড়ান্ত আটটি আন্তর্জাতিক নীতিমালার ভিত্তিতে এই সার্টিফিকেশন প্রদান করা হয়েছে। এতে গ্রাহকবান্ধব পণ্য-সেবা, অতিরিক্ত ঋণ প্রতিরোধ, স্বচ্ছতা, ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অভিযোগ নিষ্পত্তি মতো বিষয়গুলোকে মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হেলাল উদ্দিন বলেন, বৈদেশিক সহায়তা কমার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় উদ্যোগের সম্প্রসারণ অপরিহার্য। তিনি ব্র্যাকের কার্যক্রমকে আদর্শ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি।’
অতিরিক্ত সচিব মো. সাঈদ কুতুব বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি শুধু ব্র্যাকের জন্য নয়, দেশের জন্যও গৌরবের বিষয়। মাইক্রোফাইন্যান্স খাতে চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ব্র্যাক সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে আসছে।
ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্ বলেন, একটি বড় অর্জনের সঙ্গে দায়িত্বও বেড়ে যায়। দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা সততা ও জবাবদিহিতার সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব। দুর্গম এলাকা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি গত পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। দেশের চার কোটিরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো এ কর্মসূচির ৯০ শতাংশ গ্রাহকই নারী। লাখো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক ও নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়নে ব্র্যাকের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৩ দিন আগে