
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বাজারে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে বিলাসবহুল ধাতু সোনার দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন করে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে এই নতুন দর। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায়। বিশ্ববাজার ও স্থানীয় পরিস্থিতির সমন্বয় করে নেওয়া বাজুসের এই সিদ্ধান্ত সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
একইভাবে ২১ ক্যারেট সোনার দাম গতকাল ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা। আজ তা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ফলে ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ৯৯ টাকা।
আর ১৮ ক্যারেট সোনার দাম গতকাল ভরিতে ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা। নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ১ হাজার ৮০৮ টাকা।
এ ছাড়া রুপার দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার ভরিপ্রতি দাম দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৬৪৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের জরুরি সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

দেশের বাজারে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে বিলাসবহুল ধাতু সোনার দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন করে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে এই নতুন দর। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায়। বিশ্ববাজার ও স্থানীয় পরিস্থিতির সমন্বয় করে নেওয়া বাজুসের এই সিদ্ধান্ত সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। আজ নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
একইভাবে ২১ ক্যারেট সোনার দাম গতকাল ছিল ভরিপ্রতি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা। আজ তা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ফলে ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ৯৯ টাকা।
আর ১৮ ক্যারেট সোনার দাম গতকাল ভরিতে ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা। নতুন দরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা, অর্থাৎ ভরিতে দাম বেড়েছে ১ হাজার ৮০৮ টাকা।
এ ছাড়া রুপার দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার ভরিপ্রতি দাম দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৬৪৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের জরুরি সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে স্বস্তির খবর হলো—অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকাই থাকছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ <৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বজায় রয়েছে।
৩ দিন আগে
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৩ দিন আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
৪ দিন আগে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প।
৫ দিন আগে