
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি’ (এগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ) সই হয়েছে। প্রায় ৯ মাসের দীর্ঘ আলোচনার পর এ শুল্ক আর মাত্র ১ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্কের পরিমাণ ২০ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ১৯ শতাংশ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সই করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার।
এর আগে বিশ্বব্যাপী 'শুল্কযুদ্ধে'র অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ওপরও বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সময় বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। পরে আলোচনার মাধ্যমে সে শুল্ক আগস্টে ২০ শতাংশে নেমে এসেছিল।
অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সরকার নিবিড় যোগাযোগ রেখে চলেছে। শুল্ক আরও কমানোর প্রক্রিয়া চলছে। ২০ শতাংশের পর আরও ২ থেকে ৩ শতাংশ কমানোর আশাবাদ জানিয়েছিলেন সংশ্লিষ্টরা। শেষ পর্যন্ত তা মাত্র ১ শতাংশ কমানো সম্ভব হলো।
চুক্তি সইয়ের পর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন বলেন, এই চুক্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এক ঐতিহাসিক নতুন স্তরে নিয়ে গেল। এর ফলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই একে অপরের বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তি প্রবেশাধিকার পাবে।
উপদেষ্টা জানান, এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র অঙ্গীকার করেছে, যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে তৈরি বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শূন্য পারস্পরিক শুল্ক সুবিধা পাবে— এ লক্ষ্যে একটি পৃথক ব্যবস্থা (মেকানিজম) গড়ে তোলা হবে।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশে নামায় আমাদের রপ্তানিকারা আরও বাড়তি সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা বাংলাদেশের পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য নতুন গতি সঞ্চার করবে।
সোমবারই উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চুক্তিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই পক্ষ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করলে চুক্তিটি কার্যকর হবে।
চুক্তি সইয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি’ (এগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ) সই হয়েছে। প্রায় ৯ মাসের দীর্ঘ আলোচনার পর এ শুল্ক আর মাত্র ১ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্কের পরিমাণ ২০ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ১৯ শতাংশ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সই করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার।
এর আগে বিশ্বব্যাপী 'শুল্কযুদ্ধে'র অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ওপরও বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সময় বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। পরে আলোচনার মাধ্যমে সে শুল্ক আগস্টে ২০ শতাংশে নেমে এসেছিল।
অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সরকার নিবিড় যোগাযোগ রেখে চলেছে। শুল্ক আরও কমানোর প্রক্রিয়া চলছে। ২০ শতাংশের পর আরও ২ থেকে ৩ শতাংশ কমানোর আশাবাদ জানিয়েছিলেন সংশ্লিষ্টরা। শেষ পর্যন্ত তা মাত্র ১ শতাংশ কমানো সম্ভব হলো।
চুক্তি সইয়ের পর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন বলেন, এই চুক্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এক ঐতিহাসিক নতুন স্তরে নিয়ে গেল। এর ফলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই একে অপরের বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তি প্রবেশাধিকার পাবে।
উপদেষ্টা জানান, এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র অঙ্গীকার করেছে, যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে তৈরি বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শূন্য পারস্পরিক শুল্ক সুবিধা পাবে— এ লক্ষ্যে একটি পৃথক ব্যবস্থা (মেকানিজম) গড়ে তোলা হবে।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশে নামায় আমাদের রপ্তানিকারা আরও বাড়তি সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা বাংলাদেশের পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য নতুন গতি সঞ্চার করবে।
সোমবারই উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চুক্তিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই পক্ষ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করলে চুক্তিটি কার্যকর হবে।
চুক্তি সইয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসে প্রশাসক পদে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, আভিভা ফাইন্যান্সে মো. আলাউদ্দিন হোসেন, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টে আবু সামা মো. আতাউর রহমান এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টে মো. সাদেকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে প্র
২ দিন আগে
শুধু নিয়মিত খাবার বিতরণই নয়, নিজের বিশেষ দিনগুলোতেও সায়েম সোবহান আনভীর বেছে নেন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর পথ। জন্মদিনের মতো ব্যক্তিগত আনন্দের দিনেও জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের পরিবর্তে এতিম শিশুদের মুখে হাসি দেখাকেই বেশি গুরুত্ব দেন তিনি।
৩ দিন আগে
আইনমন্ত্রী বলেন, সব সেক্টরের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে লাভবান হয় আমরা সেদিকে এগিয়ে যাব। বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছে। আমরা এই সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছি।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকমিশন, ইসলামাবাদ, উপ-হাইকমিশন, করাচি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে কয়েক বছর যাবৎ ক্রমাগত যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে এ সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে বাংলাদেশ হাই কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
৩ দিন আগে