
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ারের খেতাব পেতে যাচ্ছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তার মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি (আইপিও) মাস্কের সম্পদকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই আইপিও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। শেয়ার বিক্রির আগে মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৮০ বিলিয়ন ডলার। তবে স্পেসএক্সের নতুন মূল্যায়নের ফলে তার সম্পদের বড় অংশ এখন কোম্পানিটির শেয়ারের ওপর নির্ভরশীল।
হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার শেয়ার লেনদেন শুরু হলে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ যেখানে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে, সেখানে মাস্কের সম্পদ সেই অঙ্কের তিন গুণেরও বেশি। ফলে বৈশ্বিক সম্পদবৈষম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় জন্ম নেওয়া ৫৪ বছর বয়সী মাস্ক প্রযুক্তি জগতে নিজের অবস্থান গড়ে তোলেন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা ও স্পেসএক্সের মাধ্যমে। পরে ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার (বর্তমান এক্স) কিনে তিনি রাজনীতি, অভিবাসন, সরকারি ব্যয় ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো বিষয়ে অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।
মাস্কের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও কম বিতর্কের জন্ম দেয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে পরামর্শক হিসেবে কাজ করার সময় তাকে ঘিরে সমালোচনা বাড়ে। একই সময়ে বিভিন্ন দেশে টেসলার বিক্রি কমে যায় এবং কোম্পানিটি বয়কটের মুখেও পড়ে।
তবে সমর্থকদের মতে, অসম্ভবকে সম্ভব করার ইতিহাসই মাস্কের সবচেয়ে বড় শক্তি। টেসলার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক গাড়িকে মূলধারায় নিয়ে আসার পর এখন অনেক বিনিয়োগকারী বিশ্বাস করছেন, মহাকাশ প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও তিনি একই ধরনের বিপ্লব ঘটাতে পারবেন।
বাজার বিশ্লেষকদের ভাষায়, স্পেসএক্সের বর্তমান মূল্যায়নের পেছনে শুধু আর্থিক সূচক নয়, কাজ করছে ‘ইলন প্রিমিয়াম’— অর্থাৎ মাস্কের দূরদর্শিতা ও উচ্চাভিলাষের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা। সমালোচনা ও বিতর্ক সত্ত্বেও সেই আস্থাই তাকে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হওয়ার পথে এগিয়ে দিয়েছে।

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ারের খেতাব পেতে যাচ্ছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তার মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি (আইপিও) মাস্কের সম্পদকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই আইপিও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। শেয়ার বিক্রির আগে মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৮০ বিলিয়ন ডলার। তবে স্পেসএক্সের নতুন মূল্যায়নের ফলে তার সম্পদের বড় অংশ এখন কোম্পানিটির শেয়ারের ওপর নির্ভরশীল।
হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার শেয়ার লেনদেন শুরু হলে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ যেখানে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে, সেখানে মাস্কের সম্পদ সেই অঙ্কের তিন গুণেরও বেশি। ফলে বৈশ্বিক সম্পদবৈষম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় জন্ম নেওয়া ৫৪ বছর বয়সী মাস্ক প্রযুক্তি জগতে নিজের অবস্থান গড়ে তোলেন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা ও স্পেসএক্সের মাধ্যমে। পরে ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার (বর্তমান এক্স) কিনে তিনি রাজনীতি, অভিবাসন, সরকারি ব্যয় ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো বিষয়ে অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।
মাস্কের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও কম বিতর্কের জন্ম দেয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে পরামর্শক হিসেবে কাজ করার সময় তাকে ঘিরে সমালোচনা বাড়ে। একই সময়ে বিভিন্ন দেশে টেসলার বিক্রি কমে যায় এবং কোম্পানিটি বয়কটের মুখেও পড়ে।
তবে সমর্থকদের মতে, অসম্ভবকে সম্ভব করার ইতিহাসই মাস্কের সবচেয়ে বড় শক্তি। টেসলার মাধ্যমে বৈদ্যুতিক গাড়িকে মূলধারায় নিয়ে আসার পর এখন অনেক বিনিয়োগকারী বিশ্বাস করছেন, মহাকাশ প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও তিনি একই ধরনের বিপ্লব ঘটাতে পারবেন।
বাজার বিশ্লেষকদের ভাষায়, স্পেসএক্সের বর্তমান মূল্যায়নের পেছনে শুধু আর্থিক সূচক নয়, কাজ করছে ‘ইলন প্রিমিয়াম’— অর্থাৎ মাস্কের দূরদর্শিতা ও উচ্চাভিলাষের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা। সমালোচনা ও বিতর্ক সত্ত্বেও সেই আস্থাই তাকে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হওয়ার পথে এগিয়ে দিয়েছে।

অর্থনীতি নানামুখী চাপে থাকায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য পরিস্থিতিরও তেমন ‘উন্নতি না মেলায়’ আগামী দুই বছর সময় ‘কঠিন’ যাবে বলে সতর্ক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে ব্যবসায় চাঙ্গা ভাব না এলেও এবং অর্থনীতি স্থিতিশীল না হওয়া সত্ত্বেও চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট
২ দিন আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) ০৬টা ৩৩মিনিট নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১ দশমিক ৬৮ ডলার বা ২ দশমিক ০৯ শতাংশ কমে ৭৮ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে। অথচ আজ দিনের শুরুতে লেনদেনের শুরুতে এই দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮২ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছি
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ঘিরে সরকার ও ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা— দীর্ঘদিনের শ্রমবাজারকেন্দ্রিক বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক এবার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা, হালাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো নতুন ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত হবে।
৩ দিন আগে
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক সতর্ক করে বলেন, সুস্পষ্ট জাতীয় কর্মসংস্থান কর্মসূচি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য বাস্তবায়ন কঠিন হবে এবং তা কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবেই থেকে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
৩ দিন আগে