
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম বন্দরের বহুল আলোচিত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আপাতত পরিচালনা করবে নৌ বাহিনী। তবে সরাসরি নৌ বাহিনীকে নয়, এটি পরিচালনার ভার থাকছে তাদের অধীন প্রতিষ্ঠান ড্রাইডকের হাতে। তাদের সঙ্গে এনসিটি পরিচালনার চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের পর ড্রাইডকের মাধ্যমে র্টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভায় অনুমোদন হয়েছে। আগামী ৬ জুলাই ড্রাইডকের সঙ্গে ছয় মাসের জন্য এনসিটি পরিচালনার চুক্তি করবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও বাংলাদেশ নৌ বাহিনী পরিচালিত একটি সামরিক জাহাজ মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম বন্দরের সীমানার মধ্যেই এটির অবস্থান।
এনসিটি পরিচালনার ভার বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে নানামুখী বাদ-প্রতিবাদের মধ্যে আপাতত নৌ বাহিনীকে এ কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। শেষ পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে সে দায়িত্ব পেল ড্রাইডক। এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের প্রায় দুই দশকের ‘রাজত্বে’র অবসান ঘটছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে মোট চারটি কনটেইনার টার্মিনাল আছে— চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি), নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), জেনারেল কার্গো বার্থ (কনটেইনার ও বাল্ক-জিসিবি) ও পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল (পিসিটি)।
এনসিটি চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথম ও সবচেয়ে বড় টার্মিনাল, যেখানে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য কী গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আছে। টার্মিনালটি পরিচালনার জন্য একসঙ্গে অন্তত ৭৭ জন আরটিজি অপারেটর, ৩০ জন কিউজিসি অপারেটর, ৩২ জন স্ট্র্যাডাল ক্যারিয়ার অপারেটর, ১২ জন এম্পটি হ্যান্ডলার অপারেটর, ৬ জন হারবার ক্রেন অপারেটর ছাড়াও ১৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন চালানোর অপারেটর প্রয়োজন হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হ্যান্ডলিং হওয়া ৩২ লাখ টিইইউস কনটেইনারের মধ্যে ৪৪ শতাংশ এককভাবে পরিচালনা হয়েছে এনসিটি থেকেই।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহুল আলোচিত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আপাতত পরিচালনা করবে নৌ বাহিনী। তবে সরাসরি নৌ বাহিনীকে নয়, এটি পরিচালনার ভার থাকছে তাদের অধীন প্রতিষ্ঠান ড্রাইডকের হাতে। তাদের সঙ্গে এনসিটি পরিচালনার চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের পর ড্রাইডকের মাধ্যমে র্টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভায় অনুমোদন হয়েছে। আগামী ৬ জুলাই ড্রাইডকের সঙ্গে ছয় মাসের জন্য এনসিটি পরিচালনার চুক্তি করবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও বাংলাদেশ নৌ বাহিনী পরিচালিত একটি সামরিক জাহাজ মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম বন্দরের সীমানার মধ্যেই এটির অবস্থান।
এনসিটি পরিচালনার ভার বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে নানামুখী বাদ-প্রতিবাদের মধ্যে আপাতত নৌ বাহিনীকে এ কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। শেষ পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে সে দায়িত্ব পেল ড্রাইডক। এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের প্রায় দুই দশকের ‘রাজত্বে’র অবসান ঘটছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে মোট চারটি কনটেইনার টার্মিনাল আছে— চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি), নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), জেনারেল কার্গো বার্থ (কনটেইনার ও বাল্ক-জিসিবি) ও পতেঙ্গা কন্টেনার টার্মিনাল (পিসিটি)।
এনসিটি চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথম ও সবচেয়ে বড় টার্মিনাল, যেখানে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য কী গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আছে। টার্মিনালটি পরিচালনার জন্য একসঙ্গে অন্তত ৭৭ জন আরটিজি অপারেটর, ৩০ জন কিউজিসি অপারেটর, ৩২ জন স্ট্র্যাডাল ক্যারিয়ার অপারেটর, ১২ জন এম্পটি হ্যান্ডলার অপারেটর, ৬ জন হারবার ক্রেন অপারেটর ছাড়াও ১৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন চালানোর অপারেটর প্রয়োজন হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হ্যান্ডলিং হওয়া ৩২ লাখ টিইইউস কনটেইনারের মধ্যে ৪৪ শতাংশ এককভাবে পরিচালনা হয়েছে এনসিটি থেকেই।

রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে
টানা বর্ষণের মধ্যে কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
২ দিন আগে