
বগুড়া প্রতিনিধি

নিজের নির্বাচনী এলাকায় প্রথম জনসভায় অংশ নিয়ে আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়ার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসমুদ্রে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই নির্ধারণ করবে দেশে জবাবদিহিমূলক সরকার থাকবে কি না। মেগা প্রজেক্টের নামে হওয়া 'মেগা দুর্নীতি' বন্ধ করে যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।"
তারেক রহমান বলেন, দেশে গত ১৫ বছর কোনো উন্নয়ন হয়নি; সারা দেশ উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। শুধু তথাকথিত মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। এ দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরতে হবে।
তিনি বলেন, দুর্নীতি দূর করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আর দেশকে গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বিএনপির বিগত শাসনামলের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু বগুড়া নয়; সমগ্র বাংলাদেশের কথা চিন্তা করতে হবে। সমগ্র দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শুধু বগুড়াবাসীর দাবির বিষয়ে চিন্তা করলে হবে না, গোটা দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। কারণ, অন্য কোথাও বঞ্চিত না করে ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। চাকরিসহ সব কিছু হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে। গত ১৫ বছরে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব সেক্টর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
বক্তব্য শেষে তারেক রহমান বগুড়ার সাতটি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং সবার কাছে ভোট প্রার্থনা ও দোয়া কামনা করেন।
এর আগে রাজশাহী ও নওগাঁয় নির্বাচনি জনসভা শেষে রাতে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠের নির্বাচনি জনসভার মঞ্চে আসেন। এ সময় তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। তখন জনসভা ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। জনসমুদ্রের হাজার হাজার নারী-পুরুষ তাদের স্বাগত জানান।
প্রথমেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের এ জনসভা নিয়ে নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছিল ব্যাপক উদ্দীপনা ও উচ্ছ্বাস। আর নিজের নির্বাচনি এলাকায় তারেক রহমানের এটিই প্রথম জনসভা। বিকাল থেকে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে মিছিলের পর মিছিল শহরকে মিছিলের নগরীতে পরিণত করে। জনসভা ও আশপাশের এলাকায় ছিল ব্যানার-ফেস্টুন।
বেগম খালেদা জিয়ার বগুড়া-৬ (সদর) আসনে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছেন। তার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণে নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও উৎসাহের মাত্রা বেশি। মধ্যরাত পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক নারী নেতাকর্মী ও সমর্থক জনসভাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম ও কেএম খায়রুল বাশারের সঞ্চালনায় নির্বাচনী জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন চাঁন, আলী আজগর তালুকদার হেনা, মাহবুবর রহমান হারেজ, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুর রহমান, আহসানুল তৈয়ব জাকির, তৌহিদুল আলম মামুন, অ্যাডভোকেট এ কে এম সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের প্রার্থী মোশারফ হোসেন, বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের প্রার্থী মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের প্রার্থী আবদুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন প্রমু

নিজের নির্বাচনী এলাকায় প্রথম জনসভায় অংশ নিয়ে আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়ার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসমুদ্রে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই নির্ধারণ করবে দেশে জবাবদিহিমূলক সরকার থাকবে কি না। মেগা প্রজেক্টের নামে হওয়া 'মেগা দুর্নীতি' বন্ধ করে যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।"
তারেক রহমান বলেন, দেশে গত ১৫ বছর কোনো উন্নয়ন হয়নি; সারা দেশ উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। শুধু তথাকথিত মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। এ দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরতে হবে।
তিনি বলেন, দুর্নীতি দূর করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আর দেশকে গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বিএনপির বিগত শাসনামলের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু বগুড়া নয়; সমগ্র বাংলাদেশের কথা চিন্তা করতে হবে। সমগ্র দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শুধু বগুড়াবাসীর দাবির বিষয়ে চিন্তা করলে হবে না, গোটা দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। কারণ, অন্য কোথাও বঞ্চিত না করে ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। চাকরিসহ সব কিছু হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে। গত ১৫ বছরে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব সেক্টর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
বক্তব্য শেষে তারেক রহমান বগুড়ার সাতটি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং সবার কাছে ভোট প্রার্থনা ও দোয়া কামনা করেন।
এর আগে রাজশাহী ও নওগাঁয় নির্বাচনি জনসভা শেষে রাতে স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠের নির্বাচনি জনসভার মঞ্চে আসেন। এ সময় তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। তখন জনসভা ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। জনসমুদ্রের হাজার হাজার নারী-পুরুষ তাদের স্বাগত জানান।
প্রথমেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের এ জনসভা নিয়ে নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছিল ব্যাপক উদ্দীপনা ও উচ্ছ্বাস। আর নিজের নির্বাচনি এলাকায় তারেক রহমানের এটিই প্রথম জনসভা। বিকাল থেকে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে মিছিলের পর মিছিল শহরকে মিছিলের নগরীতে পরিণত করে। জনসভা ও আশপাশের এলাকায় ছিল ব্যানার-ফেস্টুন।
বেগম খালেদা জিয়ার বগুড়া-৬ (সদর) আসনে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছেন। তার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণে নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও উৎসাহের মাত্রা বেশি। মধ্যরাত পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক নারী নেতাকর্মী ও সমর্থক জনসভাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম ও কেএম খায়রুল বাশারের সঞ্চালনায় নির্বাচনী জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন চাঁন, আলী আজগর তালুকদার হেনা, মাহবুবর রহমান হারেজ, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুর রহমান, আহসানুল তৈয়ব জাকির, তৌহিদুল আলম মামুন, অ্যাডভোকেট এ কে এম সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের প্রার্থী মোশারফ হোসেন, বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের প্রার্থী মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের প্রার্থী আবদুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন প্রমু

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে