
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার হোমনায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হোমনা উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকার নিজ বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী ও এক সন্তান এবং অন্য আরেক শিশু।
হোমনা থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী ঢাকা পোস্টক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কুমিল্লার হোমনায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হোমনা উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকার নিজ বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী ও এক সন্তান এবং অন্য আরেক শিশু।
হোমনা থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী ঢাকা পোস্টক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে
টানা বর্ষণের মধ্যে কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
২ দিন আগে