
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার হোমনায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হোমনা উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকার নিজ বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী ও এক সন্তান এবং অন্য আরেক শিশু।
হোমনা থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী ঢাকা পোস্টক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কুমিল্লার হোমনায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে হোমনা উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকার নিজ বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী ও এক সন্তান এবং অন্য আরেক শিশু।
হোমনা থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী ঢাকা পোস্টক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে