
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করতে কাজ করবেন তিনি। ভিসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের একই আকাশ একই বাতাস। আমরা মিলেমিশে ভিসার সমাধান করব।’
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সহধর্মিণী মৃনাল ত্রিবেদীও সঙ্গে ছিলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমাদের যা পপুলেশন আছে ১৪০ কোটি, তার সঙ্গে ২০ কোটি (বাংলাদেশের) অ্যাড করেছি। ১৬০ কোটি। আমি এখানে যা করতে চাই, তা সব একসঙ্গে হবে, আলাদাভাবে ভাবছি না। দেখছেন না আমি হেঁটে চলে আসছি?’
তিনি বলেন, ‘শুধু অভিন্ন সীমান্ত নয়, অভিন্ন স্বপ্নও আছে। আমাদের আকাশ এক, বাতাস এক, চ্যালেঞ্জও অনেক ক্ষেত্রে এক। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’
বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা— তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
বেনাপোল স্থলবন্দরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পবনকুমার তুলসি দাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি চিফ অব প্রটোকল অফিসার আরিফ মাহমুদ উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। বেনাপোল-পেট্রাপোল নো ম্যান্স ল্যান্ডে (শূন্যরেখায়) তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পোর্ট পরিচালক শামীম হোসেন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোর্তজা আলী, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি আশরাফ হোসেন প্রমুখ। আনুষ্ঠানিক ইমিগ্রেশন ও প্রটোকল কার্যক্রম সম্পন্নের পর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় নয়াদিল্লি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ৫৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সক্রিয় রাজনীতিবিদকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানো হলো।

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করতে কাজ করবেন তিনি। ভিসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের একই আকাশ একই বাতাস। আমরা মিলেমিশে ভিসার সমাধান করব।’
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সহধর্মিণী মৃনাল ত্রিবেদীও সঙ্গে ছিলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমাদের যা পপুলেশন আছে ১৪০ কোটি, তার সঙ্গে ২০ কোটি (বাংলাদেশের) অ্যাড করেছি। ১৬০ কোটি। আমি এখানে যা করতে চাই, তা সব একসঙ্গে হবে, আলাদাভাবে ভাবছি না। দেখছেন না আমি হেঁটে চলে আসছি?’
তিনি বলেন, ‘শুধু অভিন্ন সীমান্ত নয়, অভিন্ন স্বপ্নও আছে। আমাদের আকাশ এক, বাতাস এক, চ্যালেঞ্জও অনেক ক্ষেত্রে এক। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’
বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাই-বোন। আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। যারা আমাদের ভাই-বোন ও মা— তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
বেনাপোল স্থলবন্দরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পবনকুমার তুলসি দাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি চিফ অব প্রটোকল অফিসার আরিফ মাহমুদ উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। বেনাপোল-পেট্রাপোল নো ম্যান্স ল্যান্ডে (শূন্যরেখায়) তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পোর্ট পরিচালক শামীম হোসেন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ, ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোর্তজা আলী, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি আশরাফ হোসেন প্রমুখ। আনুষ্ঠানিক ইমিগ্রেশন ও প্রটোকল কার্যক্রম সম্পন্নের পর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় নয়াদিল্লি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ৫৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সক্রিয় রাজনীতিবিদকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানো হলো।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে
প্রাথমিকভাবে এই রুটে বিআরটিসির দুটি বাস চলবে। এর মধ্যে একটি দ্বিতল ও অন্যটি একতলা। কালুরঘাট থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত চলাচল করবে বাস দুটি। ৭৫ আসনের দ্বিতল বাসটির পাশাপাশি থাকছে ৪৫ আসনের একটি একতলা বাস।
৩ দিন আগে