
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।
নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় পরিবারের চার সদস্যের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে তিনি চিৎকার শুরু করেন। তার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং তাৎক্ষণিক পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তার কাছে গরু বিক্রি করার দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের টাকা লুটের জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। এছাড়া বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে গেছে।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। নিহিতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।
নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত পড়ে থাকতে দেখেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় পরিবারের চার সদস্যের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে তিনি চিৎকার শুরু করেন। তার আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং তাৎক্ষণিক পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তার কাছে গরু বিক্রি করার দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের টাকা লুটের জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। এছাড়া বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে গেছে।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। নিহিতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে একটি অস্থায়ী নামাজের স্থান তৈরি করা হয়। পাশেই ওজুর জন্য পানির ড্রাম রাখা হয়েছে এবং একটি সাদা কাগজে ‘নামাজের স্থান’ লিখে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে মসজিদ নির্মাণের দাবিতে গণস্বাক্ষরও নেওয়া হয়। শুক্রবার দুপুরে একদল লোক ওই স্থানে জায়নামাজ পেতে না
২০ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজিত নবীন আইনজীবীদের বরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
২০ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) সকালে নেত্রকোণা মডেল থানার পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের।
১ দিন আগে