
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের পাঁচ দিনের মাথায় গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তাকে প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে ডিএমপির আদেশে শুধু ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক আদেশে দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহারের তথ্য জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, তাকে গুলশান থানা থেকে সরিয়ে ডিএমপি সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার গুলশান-১ এলাকায় আওয়ামী লীগের কয়েক শ নেতাকর্মী ঝটিকা মিছিল বের করেন। পুলিশ মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে সেখানে দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।
ঘটনাটির কয়েকটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে কয়েক শ মানুষকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। মিছিল চলার সময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি তাজা ককটেলসহ দুজনকে আটকের কথাও জানিয়েছিল পুলিশ।
মিছিলের ঘটনায় ওই দিনই গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ১৬। এতে ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত মামলাটিতে ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে গুলশানের মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কয়েক শ নেতাকর্মীর এমন জমায়েত নিয়ে ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে মিছিলের বিষয়ে আগে থেকেই কোনো তথ্য ছিল কি না এবং থাকলে আগাম কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।
মিছিলের পাঁচ দিনের মাথায় আজ বুধবার প্রশাসনিক কারণ উল্লেখ করে গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হলো। ডিএমপির আদেশে তার প্রত্যাহারের সঙ্গে ওই মিছিল বা মামলার কোনো সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের পাঁচ দিনের মাথায় গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তাকে প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে ডিএমপির আদেশে শুধু ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক আদেশে দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহারের তথ্য জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, তাকে গুলশান থানা থেকে সরিয়ে ডিএমপি সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার গুলশান-১ এলাকায় আওয়ামী লীগের কয়েক শ নেতাকর্মী ঝটিকা মিছিল বের করেন। পুলিশ মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে সেখানে দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।
ঘটনাটির কয়েকটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে কয়েক শ মানুষকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। মিছিল চলার সময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি তাজা ককটেলসহ দুজনকে আটকের কথাও জানিয়েছিল পুলিশ।
মিছিলের ঘটনায় ওই দিনই গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ১৬। এতে ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত মামলাটিতে ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে গুলশানের মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কয়েক শ নেতাকর্মীর এমন জমায়েত নিয়ে ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে মিছিলের বিষয়ে আগে থেকেই কোনো তথ্য ছিল কি না এবং থাকলে আগাম কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।
মিছিলের পাঁচ দিনের মাথায় আজ বুধবার প্রশাসনিক কারণ উল্লেখ করে গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হলো। ডিএমপির আদেশে তার প্রত্যাহারের সঙ্গে ওই মিছিল বা মামলার কোনো সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে নিহতের স্বজন ও সহপাঠীরা।
১০ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। এখন গণতন্ত্রকে রক্ষা করা আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সরকারি ও বিরোধী দল উভয়েরই দায়িত্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা এবং সংসদকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা। দ্বিমত থাকতে পারে, সেগুলোও আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে
১ দিন আগে
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। পঞ্চগড় সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ত। কীটনাশক পানের পর পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে আরশিনগর এলাকার একটি সেলুনে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন ফরহাদ। সেখানে কয়েকজন তরুণ তার ওপর হামলা চালান। গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত ফরহাদকে স্থানীয় লোকজন ও তার বন্ধুরা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
১ দিন আগে