
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বাবা প্রয়াত আনোয়ারুল ইসলাম খানের পর এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই তিনি সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ইয়াসের। একই দিন বিকেলে তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এ দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মী, সংগঠন ও ব্যক্তিপর্যায়ে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে।
ইয়াসের খান চৌধুরীর বাবা প্রয়াত আনোয়ারুল ইসলাম খান চৌধুরী ১৯৯১ সালে নান্দাইল আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং ময়মনসিংহ জেলা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাঁচ বছর সংসদ সদস্য থাকার পর ১৯৯৬ সালের পর থেকে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে ২০২৩ সালে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বাবা আনোয়ারুল ইসলাম খান চৌধুরীর একমাত্র ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী ইংল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বিবিসিতে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এদিকে ইয়াসের খান চৌধুরীর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার খবরে নান্দাইল উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানদের পক্ষ থেকেও অভিনন্দন জানানো হয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। উপজেলার ৯ নম্বর আচারগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনুর ফেসবুক পেজ থেকে ১০ জন ইউপি চেয়ারম্যানের নাম উল্লেখ করে অভিনন্দন বার্তা প্রকাশ করা হয়। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
অভিনন্দন বার্তায় ইয়াসের খান চৌধুরীর উদ্দেশে চেয়ারম্যানরা বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর প্রজ্ঞা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম যেমন সমৃদ্ধ হবে, তেমনি নান্দাইল উপজেলার সকল ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অধিকতর গতিশীলতা লাভ করবে।’ এ ছাড়া তারা ইয়াসের খান চৌধুরীর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
অভিনন্দন জানানো ইউপি চেয়ারম্যানরা হলেন— চণ্ডীপাশা ইউপির শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়া, আচারগাঁও ইউপির রফিকুল ইসলাম রেনু, নান্দাইল ইউপির মোশাররফ হোসেন কাজল, রাজগাতী ইউপির ইফতেকার মমতাজ খোকন, মুশলি ইউপির ইফতেখার উদ্দিন ভূঁইয়া, সিংরইল ইউপির সাইফুল ইসলাম, গাংগাইল ইউপির আসাদুজ্জামান নয়ন, জাহাঙ্গীরপুর ইউপির কামাল উদ্দিন মণ্ডল, খারুয়া ইউপির কামরুল হাসনাত মিন্টু এবং মোয়াজ্জেমপুর ইউপির মোছা. তাছলিমা আক্তার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় নান্দাইল থেকে ইয়াসের খান চৌধুরী প্রতিমন্ত্রী হলেন। এর আগে বিএনপি সরকারের সময় নান্দাইলের কোনো সংসদ সদস্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাননি। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ আসনের সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালাম পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বাবা প্রয়াত আনোয়ারুল ইসলাম খানের পর এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই তিনি সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ইয়াসের। একই দিন বিকেলে তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এ দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মী, সংগঠন ও ব্যক্তিপর্যায়ে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে।
ইয়াসের খান চৌধুরীর বাবা প্রয়াত আনোয়ারুল ইসলাম খান চৌধুরী ১৯৯১ সালে নান্দাইল আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং ময়মনসিংহ জেলা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাঁচ বছর সংসদ সদস্য থাকার পর ১৯৯৬ সালের পর থেকে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে ২০২৩ সালে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বাবা আনোয়ারুল ইসলাম খান চৌধুরীর একমাত্র ছেলে ইয়াসের খান চৌধুরী ইংল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বিবিসিতে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি নান্দাইল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এদিকে ইয়াসের খান চৌধুরীর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার খবরে নান্দাইল উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানদের পক্ষ থেকেও অভিনন্দন জানানো হয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। উপজেলার ৯ নম্বর আচারগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রেনুর ফেসবুক পেজ থেকে ১০ জন ইউপি চেয়ারম্যানের নাম উল্লেখ করে অভিনন্দন বার্তা প্রকাশ করা হয়। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
অভিনন্দন বার্তায় ইয়াসের খান চৌধুরীর উদ্দেশে চেয়ারম্যানরা বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর আমরা আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর প্রজ্ঞা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম যেমন সমৃদ্ধ হবে, তেমনি নান্দাইল উপজেলার সকল ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অধিকতর গতিশীলতা লাভ করবে।’ এ ছাড়া তারা ইয়াসের খান চৌধুরীর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
অভিনন্দন জানানো ইউপি চেয়ারম্যানরা হলেন— চণ্ডীপাশা ইউপির শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়া, আচারগাঁও ইউপির রফিকুল ইসলাম রেনু, নান্দাইল ইউপির মোশাররফ হোসেন কাজল, রাজগাতী ইউপির ইফতেকার মমতাজ খোকন, মুশলি ইউপির ইফতেখার উদ্দিন ভূঁইয়া, সিংরইল ইউপির সাইফুল ইসলাম, গাংগাইল ইউপির আসাদুজ্জামান নয়ন, জাহাঙ্গীরপুর ইউপির কামাল উদ্দিন মণ্ডল, খারুয়া ইউপির কামরুল হাসনাত মিন্টু এবং মোয়াজ্জেমপুর ইউপির মোছা. তাছলিমা আক্তার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় নান্দাইল থেকে ইয়াসের খান চৌধুরী প্রতিমন্ত্রী হলেন। এর আগে বিএনপি সরকারের সময় নান্দাইলের কোনো সংসদ সদস্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাননি। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ আসনের সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালাম পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে