
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী সদর উপজেলায় তিন তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী ও তার পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে বাদীর (ভুক্তভোগী এক তরুণের বাবা) 'হাত-পা ভেঙে দেওয়া এবং চোখ তুলে নেওয়া'র হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলার বাদী আব্দুর রব মোল্লা বলেন, এজাহারভুক্ত আসামি মনির গাইন, সুমন মোল্লা ও মুসা নিয়মিত তার স্বজনদের ফোন করে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছেন। এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জুন পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া গ্রামে। ব্যাটারি চুরির অভিযোগ তুলে বায়জীদ মোল্লা, মিরাজ মৃধা ও আসলাম নামে তিন তরুণকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। পরে ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্যও হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ১ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে বায়জীদকে লাঠি ও শক্ত বস্তু দিয়ে মারধরের দৃশ্য দেখা যায়। একপর্যায়ে তিনি বাঁচার জন্য দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাকে ধরে এনে আবার গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে নির্যাতনের শিকার হন মিরাজ ও আসলামও।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর গত ১০ জুন বায়জীদের বাবা আব্দুর রব মোল্লা পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে ১২ জুন অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
ভুক্তভোগী বায়জীদের দাবি, ঘটনার আগে নূর মোহাম্মদ নামে এক ব্যক্তি তার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। টাকা না পেয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং পরে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে এনে তাকে নির্যাতন করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
মামলার বাদীর (বায়জীদের বাবা) অভিযোগ, কয়েকজন আসামি পলাতক থাকলেও অন্যরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মনির গাইন ও সুমন মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল বড়াল বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। হুমকির বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাদী নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ করলে সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি মামলার তদন্তের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনীতি/আরআইআর

পটুয়াখালী সদর উপজেলায় তিন তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী ও তার পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে বাদীর (ভুক্তভোগী এক তরুণের বাবা) 'হাত-পা ভেঙে দেওয়া এবং চোখ তুলে নেওয়া'র হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলার বাদী আব্দুর রব মোল্লা বলেন, এজাহারভুক্ত আসামি মনির গাইন, সুমন মোল্লা ও মুসা নিয়মিত তার স্বজনদের ফোন করে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছেন। এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জুন পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া গ্রামে। ব্যাটারি চুরির অভিযোগ তুলে বায়জীদ মোল্লা, মিরাজ মৃধা ও আসলাম নামে তিন তরুণকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। পরে ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্যও হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ১ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে বায়জীদকে লাঠি ও শক্ত বস্তু দিয়ে মারধরের দৃশ্য দেখা যায়। একপর্যায়ে তিনি বাঁচার জন্য দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাকে ধরে এনে আবার গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে নির্যাতনের শিকার হন মিরাজ ও আসলামও।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর গত ১০ জুন বায়জীদের বাবা আব্দুর রব মোল্লা পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে ১২ জুন অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ। তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
ভুক্তভোগী বায়জীদের দাবি, ঘটনার আগে নূর মোহাম্মদ নামে এক ব্যক্তি তার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। টাকা না পেয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং পরে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে এনে তাকে নির্যাতন করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
মামলার বাদীর (বায়জীদের বাবা) অভিযোগ, কয়েকজন আসামি পলাতক থাকলেও অন্যরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মনির গাইন ও সুমন মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল বড়াল বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। হুমকির বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাদী নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ করলে সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি মামলার তদন্তের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনীতি/আরআইআর

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে