
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর বাউফলে ডাকাতির অভিযোগে আটক দুই ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়েছে গ্রামবাসী। এতে একজন নিহত এবং অন্যজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে, উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মো. উজ্জল মোল্লা (৩২)। সে বাউফলের কনকদিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ফারুক মোল্লার ছেলে।
আহতের নাম মো. রাজিব হোসেন (৩০)। তার বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার আন্দুয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ছত্তার জোমাদ্দার।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কাশিপুর এলাকায় গভীর রাতে খলিল হাওলাদার ও আজহার জমাদ্দারের বাড়িতে ডাকাতদল হানা দেয়। এ সময় তারা বাড়ির লোকজনকে মারধর করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। ডাকাতরা নগদ প্রায় ১০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। ডাকাতিকালে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এ সময় গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে ডাকাতদলের অন্য সদস্যরা লুট করা মালামাল নিয়ে পালিয়ে গেলেও গ্রামবাসীরা দুজনকে আটক করে। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের গণপিটুনি দিলে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং অন্যজন গুরুতর আহত হন।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার জানান, ডাকাতির অভিযোগে গ্রামবাসীদের গণপিটুনিতে আহত দুজনকে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশ কাজ করছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালীর বাউফলে ডাকাতির অভিযোগে আটক দুই ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়েছে গ্রামবাসী। এতে একজন নিহত এবং অন্যজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে, উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মো. উজ্জল মোল্লা (৩২)। সে বাউফলের কনকদিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ফারুক মোল্লার ছেলে।
আহতের নাম মো. রাজিব হোসেন (৩০)। তার বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার আন্দুয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ছত্তার জোমাদ্দার।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কাশিপুর এলাকায় গভীর রাতে খলিল হাওলাদার ও আজহার জমাদ্দারের বাড়িতে ডাকাতদল হানা দেয়। এ সময় তারা বাড়ির লোকজনকে মারধর করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। ডাকাতরা নগদ প্রায় ১০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। ডাকাতিকালে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এ সময় গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে ডাকাতদলের অন্য সদস্যরা লুট করা মালামাল নিয়ে পালিয়ে গেলেও গ্রামবাসীরা দুজনকে আটক করে। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের গণপিটুনি দিলে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং অন্যজন গুরুতর আহত হন।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার জানান, ডাকাতির অভিযোগে গ্রামবাসীদের গণপিটুনিতে আহত দুজনকে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশ কাজ করছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১ দিন আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে