
ভোলা প্রতিনিধি

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে তার জন্মভূমি ভোলায় দাফন করার প্রস্তুতি চলছে। ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে বাবা-মায়ের পাশে শায়িত হবেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।
আজ মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর থেকেই তার বাড়িতে দাফনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পারিবার সূত্র জানা গেছে, পারিবারিক উদ্যোগে আজ দুপুরেই ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলায় আনা হবে।
প্রয়াত তোফায়েল আহমেদকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই কোড়ালিয়া গ্রামে ভিড় করছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। জোহরের নামাজের পর বেলা ২টায় ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে, প্রথম জানাজা হয়েছিল গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে।
দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার মরদেহ নেওয়া হবে নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায়। সেখানে স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।
তোফায়েল আহমেদের জানাজাকে ঘিরে ভিড় করা স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভোলার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা তোফায়েল আহমেদ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলন ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে তার জন্মভূমি ভোলায় দাফন করার প্রস্তুতি চলছে। ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে বাবা-মায়ের পাশে শায়িত হবেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।
আজ মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর থেকেই তার বাড়িতে দাফনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পারিবার সূত্র জানা গেছে, পারিবারিক উদ্যোগে আজ দুপুরেই ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলায় আনা হবে।
প্রয়াত তোফায়েল আহমেদকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই কোড়ালিয়া গ্রামে ভিড় করছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। জোহরের নামাজের পর বেলা ২টায় ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে, প্রথম জানাজা হয়েছিল গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে।
দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার মরদেহ নেওয়া হবে নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায়। সেখানে স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।
তোফায়েল আহমেদের জানাজাকে ঘিরে ভিড় করা স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভোলার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা তোফায়েল আহমেদ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলন ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে