
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনার রূপসা উপজেলায় নেশার টাকার জন্য মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত ছেলে নাদিম ইসলামকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাদিম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং প্রায়ই মায়ের কাছ থেকে টাকা নিতেন। ঘটনার দিন সকাল ৮টার দিকে নেশার টাকার দাবিতে মা মিম্মি বেগমের (৫০) সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির পাশের একটি গাছের ডাল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন নাদিম। গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন মিম্মি বেগম এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত মিম্মি বেগম স্থানীয় বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। ঘটনার সময় তার মেয়ে বাড়িতে না থাকায় তাৎক্ষণিক কোনো সহায়তা পাননি বলে জানিয়েছে পরিবার।
নিহতের মেয়ে শিলা আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার মা বাঁচার জন্য অনেক চেষ্টা করেছিল। বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করেছিল, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। আমি খুনির ফাঁসি চাই।’
এ দিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে আইচগাতি পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত নাদিমকে আটক করেন। তবে এ সময় উত্তেজিত স্থানীয়রা তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নেশার টাকার বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আটক নাদিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

খুলনার রূপসা উপজেলায় নেশার টাকার জন্য মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত ছেলে নাদিম ইসলামকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাদিম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং প্রায়ই মায়ের কাছ থেকে টাকা নিতেন। ঘটনার দিন সকাল ৮টার দিকে নেশার টাকার দাবিতে মা মিম্মি বেগমের (৫০) সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির পাশের একটি গাছের ডাল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন নাদিম। গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন মিম্মি বেগম এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত মিম্মি বেগম স্থানীয় বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। ঘটনার সময় তার মেয়ে বাড়িতে না থাকায় তাৎক্ষণিক কোনো সহায়তা পাননি বলে জানিয়েছে পরিবার।
নিহতের মেয়ে শিলা আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমার মা বাঁচার জন্য অনেক চেষ্টা করেছিল। বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করেছিল, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। আমি খুনির ফাঁসি চাই।’
এ দিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে আইচগাতি পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত নাদিমকে আটক করেন। তবে এ সময় উত্তেজিত স্থানীয়রা তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নেশার টাকার বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আটক নাদিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে