
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম–কাহালু) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও আগামী নির্বাচনে প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্সের (বিএসএস) সনদ জালিয়াতি করে ভুয়া সনদ তৈরি ও তা ব্যবহার করে কলেজের সভাপতির পদ গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে নাটোরের সিংড়া আমলি আদালতের বিচারক সারোয়ার জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে নাটোর জেলা পিবিআইকে দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
নাটোরের সিংড়া উপজেলার থাওইল গ্রামের মো. মাসুদ আলী এ মামলা করেছেন। তিনি নিজেকে সনদের প্রকৃত মালিক দাবি করেছেন। আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মাসুদ রানা।
মামলার বাদী মাসুদ আলী আদালতে অভিযোগ করেন, তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৩–৯৪ শিক্ষাবর্ষে বিএসএস বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২১২৪৯৩ ও রোল নম্বর ১৩৬৮৬৯। ওই বছর তিনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন ও পরে আর পরীক্ষা দেননি।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন চাতুর্যের মাধ্যমে বাদীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে একই সেশন দেখিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস পাসের জাল সনদ সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি সেই সনদ ব্যবহার করে ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর বগুড়ার কাহালু উপজেলার আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পূর্ববর্তী সভাপতি সনদটি চ্যালেঞ্জ করলে এই জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ পায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও সাবেক এমপি মোশাররফ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেন।
মোশাররফ হোসেন বলেন, গত ২৮ মে আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি পাসের মূল সনদ উত্তোলন করেছি। আমার বিরোধীরা পরিকল্পিতভাবে সুনাম ক্ষুণ্ন করতে এ মামলা করিয়েছে।
এদিকে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ও শনিবার (২৯ নভেম্বর) তিনটি ফেসবুক পোস্টে মোশাররফ হোসেন এই মামলাকে ‘সম্মান হানির অপচেষ্টা’ আখ্যা দিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমার জনপ্রিয়তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নাটোরের লোক মামলা করেছে, আর সাক্ষী মালঞ্চা ভিটি সোনাইয়ের আকরামের ছেলে আরাফাত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বঞ্চিত ও বট বাহিনী গং।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এটি বিশেষপন্থির লোকজনের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা। তিনি দাবি করেন, তাঁর ‘আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা’ দেখে প্রতিপক্ষের লোকজন দিশেহারা হয়ে এমন করছেন।
মোশাররফ হোসেন জানান, তিনি ডিগ্রি পাসের ২৫ বছর পর গত ২৮ মে সালে মূল সার্টিফিকেট তুলেছেন। তিনি তার মূল সার্টিফিকেট, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, মার্কশিট, অ্যাডমিট কার্ডসহ সব ‘অরিজিনাল কপি’ ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন।
নাটোর পিবিআই পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনার কপি এখনো হাতে পাওয়া যায়নি। কপি পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’
মামলায় অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন (৫১) বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য, বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম–কাহালু) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও আগামী নির্বাচনে প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্সের (বিএসএস) সনদ জালিয়াতি করে ভুয়া সনদ তৈরি ও তা ব্যবহার করে কলেজের সভাপতির পদ গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে নাটোরের সিংড়া আমলি আদালতের বিচারক সারোয়ার জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে নাটোর জেলা পিবিআইকে দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
নাটোরের সিংড়া উপজেলার থাওইল গ্রামের মো. মাসুদ আলী এ মামলা করেছেন। তিনি নিজেকে সনদের প্রকৃত মালিক দাবি করেছেন। আদালতের নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মাসুদ রানা।
মামলার বাদী মাসুদ আলী আদালতে অভিযোগ করেন, তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৩–৯৪ শিক্ষাবর্ষে বিএসএস বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২১২৪৯৩ ও রোল নম্বর ১৩৬৮৬৯। ওই বছর তিনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন ও পরে আর পরীক্ষা দেননি।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন চাতুর্যের মাধ্যমে বাদীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে একই সেশন দেখিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস পাসের জাল সনদ সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি সেই সনদ ব্যবহার করে ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর বগুড়ার কাহালু উপজেলার আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পূর্ববর্তী সভাপতি সনদটি চ্যালেঞ্জ করলে এই জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ পায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও সাবেক এমপি মোশাররফ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেন।
মোশাররফ হোসেন বলেন, গত ২৮ মে আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি পাসের মূল সনদ উত্তোলন করেছি। আমার বিরোধীরা পরিকল্পিতভাবে সুনাম ক্ষুণ্ন করতে এ মামলা করিয়েছে।
এদিকে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ও শনিবার (২৯ নভেম্বর) তিনটি ফেসবুক পোস্টে মোশাররফ হোসেন এই মামলাকে ‘সম্মান হানির অপচেষ্টা’ আখ্যা দিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমার জনপ্রিয়তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নাটোরের লোক মামলা করেছে, আর সাক্ষী মালঞ্চা ভিটি সোনাইয়ের আকরামের ছেলে আরাফাত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বঞ্চিত ও বট বাহিনী গং।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এটি বিশেষপন্থির লোকজনের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা। তিনি দাবি করেন, তাঁর ‘আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা’ দেখে প্রতিপক্ষের লোকজন দিশেহারা হয়ে এমন করছেন।
মোশাররফ হোসেন জানান, তিনি ডিগ্রি পাসের ২৫ বছর পর গত ২৮ মে সালে মূল সার্টিফিকেট তুলেছেন। তিনি তার মূল সার্টিফিকেট, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, মার্কশিট, অ্যাডমিট কার্ডসহ সব ‘অরিজিনাল কপি’ ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন।
নাটোর পিবিআই পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনার কপি এখনো হাতে পাওয়া যায়নি। কপি পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’
মামলায় অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন (৫১) বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য, বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ বলেন, এই হত্যার ঘটনায় শাহীনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করে ঘটনার বিবরণ দেন।
২ দিন আগে
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবুল আজাদ বলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও শিল্পপতি মুজিবের বাড়ির পেছন থেকে সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে। আমাদের ফোর্স ছিল বাড়ির সামনের অংশে। গুলি করে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তারা পালিয়ে যায়। আমরা তাদের শনাক্ত করা চেষ্টা করছি।
৩ দিন আগে
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় দলীয় কোন্দলের জেরে কর্মীদের হাতে বিএনপি নেতা এরশাদ আলী (৬৫) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
৩ দিন আগে
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজশাহীর উন্নয়ন করা হবে। নগরীর উন্নয়নে স্থানীয় জনগণ ও বিএনপির নির্বাচিত চারজন সংসদ সদস্যকে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
৩ দিন আগে