বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি: ঢাকার ২ সিটির সেই ২ কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ঈদুল আজহার পরদিন রাজধানীর বর্জ্য পরিস্থিতি দেখতে গাড়ি নিয়ে বের হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইনসেটে সাময়িক বরখাস্ত দুই সিটির দুই কর্মকর্তা। ছবি: কোলাজ

কোরবানির পশুর বর্জ্য পরিচ্ছন্ন করার কাজে গাফিলতি পাওয়ায় দায়িত্ব থেকে অপসারণ করার পর এবার ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। ঈদুল আজহার পরদিন রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে গিয়ে কাজে অবহেলার অভিযোগে এ দুজনকে অপসারণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ঈদুল আজহার ছুটির পর প্রথম কার্যদিবস সোমবারেই (১ জুন) ওই দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

উপসচিব পদমর্যাদার ওই দুই কর্মকর্তা হলেন— ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছাদেকুর রহমান ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মোস্তানজির।

তাদের দুজনের বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণের অভিযোগ’ এনেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তাদের বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণের অভিযোগে’ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তাদের সরকারি চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা প্রয়োজন। সাময়িক বরখাস্তকালে তারা খোরপোশ ভাতা পাবেন।

এর আগে ঈদুল আজহার পরদিন নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের বর্জ্য পরিস্থিতি দেখতে বের হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, গুলশানের বাসা থেকে রামপুরা, মালিবাগ ও বাসাবো হয়ে কমলাপুরের দিকে চলে যান প্রধানমন্ত্রী। এরপর সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ধোলাই খাল, নারিন্দা হয়ে বংশাল, গুলিস্তান, শাহবাগ, নিউ মার্কেট ঘুরে জিগাতলা, ধানমন্ডি, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে মহাখালী সড়কের পরিস্থিতি দেখেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার পরিদর্শনে হাতিরপুল ও এলিফ্যান্ট রোডে এবং গ্রিনরোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় রাস্তায় ময়লা জমে থাকতে দেখেন। যথাসময়ে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে ব্যর্থ হওয়ায় দুই সিটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর ওই নির্দেশের পর বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির অভিযোগে সেদিনই দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসনে ন্যস্ত করা হয়। ঈদের পর প্রথম কার্যদিবসেই তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ওই দিন বলেছিলেন, তাদের (দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা) অপসারণ করে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। তবে এখানেই শেষ নয়, দায়িত্বে অবহেলার জন্য তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

পাহাড়ি ঢলে ডুবল গোমতীর চরাঞ্চল, সহস্রাধিক কৃষকের ফসলহানি

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

১ দিন আগে

ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে ভাসছে কমলগঞ্জ, পানিবন্দি ১৫ গ্রাম

রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর

১ দিন আগে

কিশোরগঞ্জের হাওরে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ২টি নৌ ডাকাতি

ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের

১ দিন আগে

টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল, আশ্রয়কেন্দ্রে শতাধিক পরিবার

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

২ দিন আগে