
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির পর এক গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন (২৩), কেফায়েত হোসেন (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) ও মোহাম্মদ তারেক (২৬)। তারা সবাই একই উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ তার দুই মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তার স্বামী কর্মসূত্রে চট্টগ্রাম নগরে থাকেন। গভীর রাতে ৮ থেকে ১০ সদস্যের একটি ডাকাত দল ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ঘরের আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করার পাশাপাশি গৃহবধূ ও তার ১৫ বছর বয়সী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।
ভুক্তভোগী নারীর ছোট ভাই জানান, ঘটনার পর ডাকাত দল চলে গেলে পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছুটে যান। তখন গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে মানসিকভাবে বিপর্যন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে রাত চারটার দিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ভুক্তভোগী নারীর মা বলেন, এমন নৃশংস ঘটনা এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির পর এক গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন (২৩), কেফায়েত হোসেন (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) ও মোহাম্মদ তারেক (২৬)। তারা সবাই একই উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ তার দুই মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তার স্বামী কর্মসূত্রে চট্টগ্রাম নগরে থাকেন। গভীর রাতে ৮ থেকে ১০ সদস্যের একটি ডাকাত দল ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ঘরের আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করার পাশাপাশি গৃহবধূ ও তার ১৫ বছর বয়সী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।
ভুক্তভোগী নারীর ছোট ভাই জানান, ঘটনার পর ডাকাত দল চলে গেলে পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছুটে যান। তখন গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে মানসিকভাবে বিপর্যন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে রাত চারটার দিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ভুক্তভোগী নারীর মা বলেন, এমন নৃশংস ঘটনা এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১ দিন আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
২ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
২ দিন আগে