
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় এক তরুণকে গুলি করে হত্যা করেছে একদল অস্ত্রধারী। রাউজানের এক হত্যাকাণ্ডের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
এদিকে অস্ত্রধারীদের গুলিতে এক শিশুও চোখে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত ১০টার দিকে রৌফাবাদ এলাকার শহিদ মিনার গলিতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসান প্রকাশ রাজু (২৪) রাউজানের কদলপুর এলাকার আবুল কালামের ছেলে। গুলিবিদ্ধ রেশমি আক্তার (১১) শহিদ কলোনির রিয়াজ আহমেদের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত রাজু রৌফাবাদে শহিদ কলোনিতে বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে কলোনির সামনের রাস্তায় চার-পাঁচজন ট্যাক্সিতে করে হাজির হয়। মূল সড়ক থেকেই তারা গুলি করতে করতে কলোনিতে প্রবেশ করেন। এরপর আবার গুলি করতে করতেই বেরিয়ে যান।
তারা আরও জানান, মাথার বাম পাশে ও বুকে গুলিবিদ্ধ হন রাজু। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় শিশু রেশমিও গুলিবিদ্ধ হয়। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম আশেক জানান, রেশমিকে হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আমীরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত অবস্থায় একজনের লাশ পেয়েছি। এক শিশুও আহত হয়েছে। লাশ উদ্ধার করেছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি রাউজানে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের জের ধরে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে রাজুকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পরিবার ও পুলিশ। জানা গেছে, ওই হত্যাকাণ্ডের পরই রাজু রৌফাবাদে বোনের বাসায় এসেছিলেন।

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় এক তরুণকে গুলি করে হত্যা করেছে একদল অস্ত্রধারী। রাউজানের এক হত্যাকাণ্ডের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
এদিকে অস্ত্রধারীদের গুলিতে এক শিশুও চোখে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত ১০টার দিকে রৌফাবাদ এলাকার শহিদ মিনার গলিতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসান প্রকাশ রাজু (২৪) রাউজানের কদলপুর এলাকার আবুল কালামের ছেলে। গুলিবিদ্ধ রেশমি আক্তার (১১) শহিদ কলোনির রিয়াজ আহমেদের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত রাজু রৌফাবাদে শহিদ কলোনিতে বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে কলোনির সামনের রাস্তায় চার-পাঁচজন ট্যাক্সিতে করে হাজির হয়। মূল সড়ক থেকেই তারা গুলি করতে করতে কলোনিতে প্রবেশ করেন। এরপর আবার গুলি করতে করতেই বেরিয়ে যান।
তারা আরও জানান, মাথার বাম পাশে ও বুকে গুলিবিদ্ধ হন রাজু। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় শিশু রেশমিও গুলিবিদ্ধ হয়। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম আশেক জানান, রেশমিকে হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আমীরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত অবস্থায় একজনের লাশ পেয়েছি। এক শিশুও আহত হয়েছে। লাশ উদ্ধার করেছি। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি রাউজানে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের জের ধরে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে রাজুকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পরিবার ও পুলিশ। জানা গেছে, ওই হত্যাকাণ্ডের পরই রাজু রৌফাবাদে বোনের বাসায় এসেছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে