
নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার দায়ে তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে প্রত্যাহার করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঝটিকা সফরে গিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
একই সময় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আনোয়ার হোসেনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে হাসপাতাল পরিদর্শনের পর তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহারের ইস্যুতে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তোপের মুখে পড়েন মন্ত্রী।
বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তত্ত্বাবধায়কের প্রত্যাহার বাতিলের দাবি জানান। তাদের বক্তব্য, বর্তমানে হাসপাতাল আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ভালো কাজ করছে। একপর্যায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল ক্যাম্পাস ত্যাগ করে সার্কিট হাউসে যান। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বছর টিকাদান কর্মসূচি ও ক্যাম্পেইন করার কথা। কিন্তু গত ফ্যাসিস্ট ও ইন্টেরিম সরকার ঠিকমতো টিকাদান ক্যাম্পেইন করেনি। ফলে দেশে হামের ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে টিকা সংগ্রহ করে শতভাগ টিকাদান শেষ করেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে টিকা গ্রহণকারীদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’
নোয়াখালী সদর হাসপাতালের নতুন ভবন আগামী তিন মাসের মধ্যে চালু হয়ে যাবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তখন পুরোনো ভবনের রোগীদের সেখানে নেওয়া হবে এবং পুরনো ভবনগুলোতে আরও ২৫০ শয্যার ব্যবস্থা করা হবে।’ নোয়াখালীর স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অল্প সময়ের মধ্যে অভূতপূর্ব পরিবর্তন হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার দায়ে তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে প্রত্যাহার করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঝটিকা সফরে গিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
একই সময় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আনোয়ার হোসেনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে হাসপাতাল পরিদর্শনের পর তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহারের ইস্যুতে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তোপের মুখে পড়েন মন্ত্রী।
বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তত্ত্বাবধায়কের প্রত্যাহার বাতিলের দাবি জানান। তাদের বক্তব্য, বর্তমানে হাসপাতাল আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ভালো কাজ করছে। একপর্যায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল ক্যাম্পাস ত্যাগ করে সার্কিট হাউসে যান। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বছর টিকাদান কর্মসূচি ও ক্যাম্পেইন করার কথা। কিন্তু গত ফ্যাসিস্ট ও ইন্টেরিম সরকার ঠিকমতো টিকাদান ক্যাম্পেইন করেনি। ফলে দেশে হামের ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে টিকা সংগ্রহ করে শতভাগ টিকাদান শেষ করেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে টিকা গ্রহণকারীদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’
নোয়াখালী সদর হাসপাতালের নতুন ভবন আগামী তিন মাসের মধ্যে চালু হয়ে যাবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তখন পুরোনো ভবনের রোগীদের সেখানে নেওয়া হবে এবং পুরনো ভবনগুলোতে আরও ২৫০ শয্যার ব্যবস্থা করা হবে।’ নোয়াখালীর স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অল্প সময়ের মধ্যে অভূতপূর্ব পরিবর্তন হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে