
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে একটি নৌকা থেকে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য জড়ো করা ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় পাচারকারী সন্দেহে নয়জনকে আটক করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
শনিবার (৬ জুন) দুপুরে নিজ স্টেশনে সংবাদ সম্মেলনে কোস্ট গার্ড টেকনাফ স্টেশনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মুত্তাকিন সিদ্দিকী বলেন, কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী দ্বীপ ও বাহারছড়া এলাকার সদস্যদের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় শাহপরী দ্বীপ এলাকা এবং বাহারছড়া উপকূলেও এ অভিযান চলে।
মুত্তাকিন সিদ্দিকী বলেন, অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন একটি নৌকাকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি নির্দেশ অমান্য করে গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে নৌকাটি আটক করা হয়। তল্লাশিতে বোটে থাকা ৫০ জনকে উদ্ধার এবং মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নয়জনকে আটক করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা এবং বাকিরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে জানান তিনি। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে কয়েকজনকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা।
আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে মুত্তাকিন সিদ্দিকী বলেন, ‘সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের কথা বলে তাদের প্রথমে টেকনাফে নিয়ে আসে। পরে তাদের বিভিন্ন গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিপণ আদায় করা হত।’
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড সূত্র। সংস্থাটি আরও জানায়, উদ্ধার ভুক্তভোগী ও আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। মানবপাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে একটি নৌকা থেকে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য জড়ো করা ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় পাচারকারী সন্দেহে নয়জনকে আটক করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বাহারছড়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
শনিবার (৬ জুন) দুপুরে নিজ স্টেশনে সংবাদ সম্মেলনে কোস্ট গার্ড টেকনাফ স্টেশনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মুত্তাকিন সিদ্দিকী বলেন, কোস্ট গার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী দ্বীপ ও বাহারছড়া এলাকার সদস্যদের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় শাহপরী দ্বীপ এলাকা এবং বাহারছড়া উপকূলেও এ অভিযান চলে।
মুত্তাকিন সিদ্দিকী বলেন, অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন একটি নৌকাকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি নির্দেশ অমান্য করে গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে নৌকাটি আটক করা হয়। তল্লাশিতে বোটে থাকা ৫০ জনকে উদ্ধার এবং মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নয়জনকে আটক করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা এবং বাকিরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে জানান তিনি। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে কয়েকজনকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা।
আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে মুত্তাকিন সিদ্দিকী বলেন, ‘সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের কথা বলে তাদের প্রথমে টেকনাফে নিয়ে আসে। পরে তাদের বিভিন্ন গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিপণ আদায় করা হত।’
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড সূত্র। সংস্থাটি আরও জানায়, উদ্ধার ভুক্তভোগী ও আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। মানবপাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ হামলার পেছনে রয়েছেন ক্যাডার বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমনের সহযোগীরা। সম্প্রতি ইমন মোবাইল ফোনে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। হুমকি দিয়েছিলেন, চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে দেওয়া হবে।
১ দিন আগে
নাটোরের লালপুর উপজেলার ডহরশলা এলাকায় একতা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে খুলনাগামী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
১ দিন আগে
আহতদের উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন সুমন দাস (৪৫), হৃদয় হাওলাদার (২৬), হাবিবুল্লাহ শেখ (২৮), ফিরোজ শেখ (৬৫) ও মোতালেব হোসেন (৪৮)। তারা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
২ দিন আগে
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২ দিন আগে