
বগুড়া প্রতিনিধি

ঈদুল আজহার রাতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ফাঁকা সড়কে দ্রুতগতির তিনটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই তরুণ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও চারজন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেরপুর-কাজীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে শুভগাছা সাফলজানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন— শেরপুর পৌর শহরের উলিপুর মহল্লার হারুনুর রশিদের ছেলে আবু রায়হান (১৮) ও এলাকার ফুলতলা গ্রামের প্রবাসী নান্নু মিয়ার ছেলে তামিম হোসেন (১৮)।
রায়হান বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন। তামিম ছিলেন শেরপুরের শেরউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন— মো. রাজন, মো. সিয়াম, মো. হাসান ও মো. ছামির। তাদের প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধুনট থেকে শেরপুরের দিকে যাচ্ছিল দুটি মোটরসাইকেল। বিপরীত দিক থেকে আসছিল আরেকটি মোটরসাইকেল। শুভগাছা সাফলজানি এলাকায় তিন মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনটি মোটরসাইকেলই দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে তিন মোটরসাইকেলে থাকা আরোহী ছয়জনই গুরুতর আহত হন।
ছয়জনকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আবু রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথেই তামিমের মৃত্যু হয়।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত মোটরসাইকেল তিনটি উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ঈদুল আজহার রাতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ফাঁকা সড়কে দ্রুতগতির তিনটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই তরুণ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও চারজন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেরপুর-কাজীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে শুভগাছা সাফলজানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন— শেরপুর পৌর শহরের উলিপুর মহল্লার হারুনুর রশিদের ছেলে আবু রায়হান (১৮) ও এলাকার ফুলতলা গ্রামের প্রবাসী নান্নু মিয়ার ছেলে তামিম হোসেন (১৮)।
রায়হান বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন। তামিম ছিলেন শেরপুরের শেরউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন— মো. রাজন, মো. সিয়াম, মো. হাসান ও মো. ছামির। তাদের প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধুনট থেকে শেরপুরের দিকে যাচ্ছিল দুটি মোটরসাইকেল। বিপরীত দিক থেকে আসছিল আরেকটি মোটরসাইকেল। শুভগাছা সাফলজানি এলাকায় তিন মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনটি মোটরসাইকেলই দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে তিন মোটরসাইকেলে থাকা আরোহী ছয়জনই গুরুতর আহত হন।
ছয়জনকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আবু রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথেই তামিমের মৃত্যু হয়।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত মোটরসাইকেল তিনটি উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে