
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনা, পুশইন, সীমান্ত হত্যা এবং অনুপ্রবেশের ঘটনায় উদ্বেগের মধ্যে আগামী ৮ জুন ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন। সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা আশা করছেন, এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং সীমান্ত পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।
বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হবে ৮ জুন এবং শেষ হবে ১১ জুন। সম্মেলনে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। প্রতিনিধি দলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর ও যৌথ নদী কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা থাকবেন।
বিজিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবারের সম্মেলনে সীমান্ত দিয়ে পুশইন ও পুশব্যাকের চেষ্টা, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, নো ম্যানস ল্যান্ডে (শূন্যরেখা) স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ, সীমান্ত হত্যা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হবে।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। ফলে আসন্ন সম্মেলনের দিকে তারা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তাকিয়ে আছেন।
লালমনিরহাটের শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন সামীম বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কেবল দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নয়; এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তিনি বলেন, সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দুই দেশের জনগণের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করে। তাই আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতিমালার আলোকে সীমান্তসংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সীমান্ত হত্যা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের মানুষের উদ্বেগের অন্যতম কারণ। প্রতিটি প্রাণহানি শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার মানসিক দূরত্বও বাড়িয়ে দেয়। তিনি সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় মানবিক ও আইনসম্মত পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অর্থনীতি বিষয়ের অধ্যাপক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. আব্দুল আজিজ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সীমান্তে যেকোনো বিতর্কিত পদক্ষেপ বা মানবাধিকারবিষয়ক উদ্বেগ ইতিবাচক জনমতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই উভয় দেশের উচিত দায়িত্বশীল আচরণ ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজা।
স্থানীয়দের মতে, একটি শান্তিপূর্ণ সীমান্ত শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিপরীতে সীমান্তে অবিশ্বাস ও সংঘাত দুই দেশের জন্যই ক্ষতিকর।
সীমান্তবাসীর প্রত্যাশা, ৮ জুনের এই সম্মেলন শুধু নিয়মিত বৈঠক হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং সীমান্তে শান্তি, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পথ সুগম করবে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব আধুনিক বাস্তবতার আলোকে আরও সুদৃঢ় হবে বলেও তারা আশা করছেন।

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনা, পুশইন, সীমান্ত হত্যা এবং অনুপ্রবেশের ঘটনায় উদ্বেগের মধ্যে আগামী ৮ জুন ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন। সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা আশা করছেন, এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং সীমান্ত পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।
বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হবে ৮ জুন এবং শেষ হবে ১১ জুন। সম্মেলনে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। প্রতিনিধি দলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর ও যৌথ নদী কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা থাকবেন।
বিজিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবারের সম্মেলনে সীমান্ত দিয়ে পুশইন ও পুশব্যাকের চেষ্টা, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, নো ম্যানস ল্যান্ডে (শূন্যরেখা) স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ, সীমান্ত হত্যা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হবে।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। ফলে আসন্ন সম্মেলনের দিকে তারা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তাকিয়ে আছেন।
লালমনিরহাটের শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন সামীম বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কেবল দুই প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নয়; এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তিনি বলেন, সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দুই দেশের জনগণের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করে। তাই আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতিমালার আলোকে সীমান্তসংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সীমান্ত হত্যা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের মানুষের উদ্বেগের অন্যতম কারণ। প্রতিটি প্রাণহানি শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার মানসিক দূরত্বও বাড়িয়ে দেয়। তিনি সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় মানবিক ও আইনসম্মত পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অর্থনীতি বিষয়ের অধ্যাপক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. আব্দুল আজিজ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সীমান্তে যেকোনো বিতর্কিত পদক্ষেপ বা মানবাধিকারবিষয়ক উদ্বেগ ইতিবাচক জনমতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই উভয় দেশের উচিত দায়িত্বশীল আচরণ ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজা।
স্থানীয়দের মতে, একটি শান্তিপূর্ণ সীমান্ত শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিপরীতে সীমান্তে অবিশ্বাস ও সংঘাত দুই দেশের জন্যই ক্ষতিকর।
সীমান্তবাসীর প্রত্যাশা, ৮ জুনের এই সম্মেলন শুধু নিয়মিত বৈঠক হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং সীমান্তে শান্তি, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পথ সুগম করবে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব আধুনিক বাস্তবতার আলোকে আরও সুদৃঢ় হবে বলেও তারা আশা করছেন।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে