
চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের নির্বাচনী সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। আইনি জটিলতা ও প্রচারণার সময় স্বল্পতার কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ১১ দল ও এলডিপি মনোনীত প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পাশাপাশি এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এম এয়াকুব আলী বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে প্রতীক চূড়ান্ত পেতে বিলম্ব হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা সম্ভব হয়নি। এতে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে যে স্বল্প সময় অবশিষ্ট রয়েছে, তাতে নির্বাচনী কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ বিবেচনায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি জানান, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রধান শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে তিনি পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের ডা. ফরিদুল আলমের পক্ষে মাঠে থেকে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের নির্বাচনী সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। আইনি জটিলতা ও প্রচারণার সময় স্বল্পতার কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ১১ দল ও এলডিপি মনোনীত প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পাশাপাশি এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এম এয়াকুব আলী বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে প্রতীক চূড়ান্ত পেতে বিলম্ব হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা সম্ভব হয়নি। এতে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে যে স্বল্প সময় অবশিষ্ট রয়েছে, তাতে নির্বাচনী কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ বিবেচনায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি জানান, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রধান শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে তিনি পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের ডা. ফরিদুল আলমের পক্ষে মাঠে থেকে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে