
রাজশাহী ব্যুরো

বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা, রাসিকের সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য এবং রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এ দেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র—যিনি কখনো ম্লান হননি, কখনো নিভেও যাননি। আকাশে অনেক তারা জ্বলে আবার নিভে যায়, কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া জনগণের হৃদয়ে আজীবন উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়েই থাকবেন।
আজ বুধবার বেলা ১১টায় রাজশাহী সাহেববাজার সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাজশাহী জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মিনু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন এদেশে এসে জনগণের ভালোবাসা জয় করে ইতিহাস হয়ে গেছেন—তেমনি বেগম খালেদা জিয়াও মানুষের মনের মণিকোঠায় চিরকাল বেঁচে থাকবেন।
তিনি বলেন, 'মা খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে গড়ে তুলেছেন। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি তাঁর কারণেই।'
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মিনু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাকে কখনো পুরো নাম ধরে ডাকতেন না, শুধু ‘মিজান’ বলেই ডাকতেন। কাদামাটি দিয়ে যেমন মূর্তি তৈরি করা হয়, ঠিক তেমনি রাজনৈতিকভাবে আমাকে গড়ে তুলেছিলেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জনগণের জীবন্ত প্রতীক এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিনু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সব সময় বলতেন—দেশের জনগণই তার একমাত্র সম্পদ। দেশের মাটিতেই জন্ম, দেশের মাটিতেই মৃত্যু—এই বিশ্বাস তার দেশপ্রেমের অনন্য দৃষ্টান্ত। ৩০ ডিসেম্বর তার প্রয়াণে দেশের ১৮ কোটি মানুষ শোকাহত হয়েছে, কাঁদছে সারা বিশ্ব।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীর বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ও সাহসী। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তারা বুকের বোতাম খুলে দাঁড়াবে। আসন্ন নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনেই বিএনপি বিজয়ী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
যুবকদের উদ্দেশে মিনু বলেন, বিএনপি সবসময় তরুণদের দল। শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিএনপির রাজনীতি ‘আমি’ নয়, ‘আমরা’র রাজনীতি—এটাই বেগম জিয়ার শিক্ষা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য সংসদ সদস্য প্রার্থীরাও বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে দলের জন্য আজীবন কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা রাজশাহী-১ (তানোর গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয় সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং রাসিকের সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহিন শওকত, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং রাজশাহী-৩ (পবা মোহনপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপি সদস্য দেবাশীষ রায় মধু।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মন্ডল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন আলী, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ মকবুল হোসেন, কামরুজ্জামান হেনা, তানজিম তান টুটুল ও গোলাম মোস্তফা মামুন, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামীমুল ইসলাম মুন ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আর রশিদ।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা, রাসিকের সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য এবং রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এ দেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র—যিনি কখনো ম্লান হননি, কখনো নিভেও যাননি। আকাশে অনেক তারা জ্বলে আবার নিভে যায়, কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া জনগণের হৃদয়ে আজীবন উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়েই থাকবেন।
আজ বুধবার বেলা ১১টায় রাজশাহী সাহেববাজার সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় রাজশাহী জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মিনু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন এদেশে এসে জনগণের ভালোবাসা জয় করে ইতিহাস হয়ে গেছেন—তেমনি বেগম খালেদা জিয়াও মানুষের মনের মণিকোঠায় চিরকাল বেঁচে থাকবেন।
তিনি বলেন, 'মা খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে গড়ে তুলেছেন। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি তাঁর কারণেই।'
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মিনু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাকে কখনো পুরো নাম ধরে ডাকতেন না, শুধু ‘মিজান’ বলেই ডাকতেন। কাদামাটি দিয়ে যেমন মূর্তি তৈরি করা হয়, ঠিক তেমনি রাজনৈতিকভাবে আমাকে গড়ে তুলেছিলেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জনগণের জীবন্ত প্রতীক এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিনু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সব সময় বলতেন—দেশের জনগণই তার একমাত্র সম্পদ। দেশের মাটিতেই জন্ম, দেশের মাটিতেই মৃত্যু—এই বিশ্বাস তার দেশপ্রেমের অনন্য দৃষ্টান্ত। ৩০ ডিসেম্বর তার প্রয়াণে দেশের ১৮ কোটি মানুষ শোকাহত হয়েছে, কাঁদছে সারা বিশ্ব।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীর বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ও সাহসী। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তারা বুকের বোতাম খুলে দাঁড়াবে। আসন্ন নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনেই বিএনপি বিজয়ী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
যুবকদের উদ্দেশে মিনু বলেন, বিএনপি সবসময় তরুণদের দল। শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিএনপির রাজনীতি ‘আমি’ নয়, ‘আমরা’র রাজনীতি—এটাই বেগম জিয়ার শিক্ষা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য সংসদ সদস্য প্রার্থীরাও বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে দলের জন্য আজীবন কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা রাজশাহী-১ (তানোর গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয় সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং রাসিকের সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহিন শওকত, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং রাজশাহী-৩ (পবা মোহনপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপি সদস্য দেবাশীষ রায় মধু।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মন্ডল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন আলী, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ মকবুল হোসেন, কামরুজ্জামান হেনা, তানজিম তান টুটুল ও গোলাম মোস্তফা মামুন, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামীমুল ইসলাম মুন ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আর রশিদ।

তবে গণভোটের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরগুনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এ শোকজ নোটিশ জারি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— জালগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৬২) ও খোরশেদ আলম (৩৫)। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন— খোরশেদ আলমের স্বজন মো. জহির, মো. জয়নাল ও মো. মোর্শেদ।
৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের লাজৈর গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, খবর পেয়ে ৭টা ৫৮ মিনিটে তাদের প্রথম দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সকাল ১০টা নাগাদ আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
১১ ঘণ্টা আগে