
বিবিসি বাংলা

পাবনা-৩ ও পাবনা-৪ আসনে ভোট পুনরায় গণনার দাবিতে পাবনা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার বেলা ৪টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় পাবনা-৩ ও পাবনা-৪ আসনের বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় ভোট পুনঃগণনার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ঘিরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। প্রধান গেট বন্ধ করে কার্যালয়ের সামনে পুলিশ, বিজিবির পাশাপাশি অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়।
বেলা ৫টার দিকে জেলা প্রশাসক সেনাবাহিনী প্রহরায় তার কার্যালয়ে আসেন।
পরে পাবনা-৩ এর বিএনপির পরাজিত প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও পাবনা-৪ এর বিএনপি পরাজিত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের সাথে বৈঠকে বসেন।
প্রায় এক ঘন্টা পর বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাদের কর্মীদের নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে সড়ে যান।
পরে জেলা প্রশাসকের পক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলিম জানান, পরাজিত প্রার্থী দুইজনের আবেদন পত্র দুটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পাবনা-৩ আসনে তিন হাজার ২৬৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের মাওলানা আলী আজগার। তিনি এক লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান জাফির তুহিন এক লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট।
পাবনা-৪ আসনে তিন হাজার ৮০১ ভোটের ব্যবধানে জামায়াতের আবু তালেব মন্ডল বিজয়ী হয়েছেন। আবু তালেব মন্ডল পেয়েছেন এক লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।

পাবনা-৩ ও পাবনা-৪ আসনে ভোট পুনরায় গণনার দাবিতে পাবনা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার বেলা ৪টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় পাবনা-৩ ও পাবনা-৪ আসনের বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় ভোট পুনঃগণনার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ঘিরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। প্রধান গেট বন্ধ করে কার্যালয়ের সামনে পুলিশ, বিজিবির পাশাপাশি অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়।
বেলা ৫টার দিকে জেলা প্রশাসক সেনাবাহিনী প্রহরায় তার কার্যালয়ে আসেন।
পরে পাবনা-৩ এর বিএনপির পরাজিত প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও পাবনা-৪ এর বিএনপি পরাজিত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের সাথে বৈঠকে বসেন।
প্রায় এক ঘন্টা পর বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাদের কর্মীদের নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে সড়ে যান।
পরে জেলা প্রশাসকের পক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলিম জানান, পরাজিত প্রার্থী দুইজনের আবেদন পত্র দুটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পাবনা-৩ আসনে তিন হাজার ২৬৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের মাওলানা আলী আজগার। তিনি এক লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান জাফির তুহিন এক লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট।
পাবনা-৪ আসনে তিন হাজার ৮০১ ভোটের ব্যবধানে জামায়াতের আবু তালেব মন্ডল বিজয়ী হয়েছেন। আবু তালেব মন্ডল পেয়েছেন এক লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে