
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সারা দেশে মাজারে হামলার ধারাবাহিকতায় এবার আক্রান্ত হলো রাজধানীর মিরপুরের ঐতিহাসিক শাহ আলী বোগদাদি (রহ.) মাজার। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মাজার প্রাঙ্গণে হামলা চালিয়ে ভক্ত ও অনুসারীদের মারধর করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতের এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা ছিলেন বলে দাবি করেছেন মাজারে আগত ভক্ত ও ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ। তবে জামায়াত বলছে, হামলার সঙ্গে দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। পুলিশ মাজারে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশের ভাষ্য, তারা কোনো অভিযান চালায়নি।
জানা গেছে, মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত কয়েক শ বছর পুরনো শাহ আলী বোগদাদির মাজারে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে জলসা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা অংশ নেন। বৃহস্পতিবার রাতেও জলসা চলছিল। এ সময় লাঠিসোঁটা হাতে একদল লোক এসে মাজারে অবস্থানরত ভক্ত ও অনুসারীদের ওপর হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠি হাতে কয়েকজন ব্যক্তি মাজারে আসা লোকজনকে মারধর করছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, মাজারের পূর্ব পাশে খোলা জায়গায় মাদুর ও পলিথিন বিছিয়ে ভক্তরা বসেছিলেন। সেখানে কিছু হকারও পসরা সাজিয়ে বসেন। রাত প্রায় ১টার দিকে মুখে সার্জিক্যাল মাস্ক ও হাতে লাঠি নিয়ে একদল ব্যক্তি সেখানে হামলা চালায়। হামলার মুখে ভক্তরা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন। পরে হামলাকারীরা তাদের পিটিয়ে এলাকা থেকে বের করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হামলার শেষ দিকে তিনি ঘটনাস্থলে যান। তার ভাষ্য, মাজারের পূর্ব পাশে বাইরে থেকে আসা নারী-পুরুষ মাদুর বিছিয়ে বসেছিলেন। সেখানে মাদক সেবনের অভিযোগও শোনা গেছে। তবে জুমার নামাজের স্থানে কেউ গাঁজা সেবন করেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ওসি আরও জানান, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ‘জামায়াত-শিবিরের’ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকারও বলেছেন, জামায়াত-শিবিরের একটি অংশ হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, শাহ আলী মাজার এলাকা ঢাকা-১৪ সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মাজারে হামলায় জামায়াত নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর আমি পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনারকে কল দিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, মাজারের সামনের গেটে ফেরি করে মাদক বিক্রি হয়। বৃহস্পতিবার রাতে এটা আরও বেড়ে যায়। এ জন্য পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে।’
সেখানে জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী ছিল না দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকজন ছিল বলে শুনেছি।’ এ ছাড়া জামায়াত নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আমির সেলিম উদ্দিন, তিনি বলেন, ‘জামায়াত-শিবিরের লোকদের হামলা করার কোনো কারণ নেই। তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।’
পুলিশ জানিয়েছে, কারা হামলায় অংশ নিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি এবং কোনো মামলাও দায়ের হয়নি।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশ জুড়ে মাজারে হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে দাবি করেছে সুফি সমাজভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘মাকাম: সেন্টার ফর সুফি হেরিটেজ’। প্রতিষ্ঠানটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৭ মাসে সারা দেশে ৯৭টি মাজারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে।

সারা দেশে মাজারে হামলার ধারাবাহিকতায় এবার আক্রান্ত হলো রাজধানীর মিরপুরের ঐতিহাসিক শাহ আলী বোগদাদি (রহ.) মাজার। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মাজার প্রাঙ্গণে হামলা চালিয়ে ভক্ত ও অনুসারীদের মারধর করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতের এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা ছিলেন বলে দাবি করেছেন মাজারে আগত ভক্ত ও ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ। তবে জামায়াত বলছে, হামলার সঙ্গে দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। পুলিশ মাজারে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশের ভাষ্য, তারা কোনো অভিযান চালায়নি।
জানা গেছে, মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত কয়েক শ বছর পুরনো শাহ আলী বোগদাদির মাজারে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে জলসা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা অংশ নেন। বৃহস্পতিবার রাতেও জলসা চলছিল। এ সময় লাঠিসোঁটা হাতে একদল লোক এসে মাজারে অবস্থানরত ভক্ত ও অনুসারীদের ওপর হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠি হাতে কয়েকজন ব্যক্তি মাজারে আসা লোকজনকে মারধর করছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, মাজারের পূর্ব পাশে খোলা জায়গায় মাদুর ও পলিথিন বিছিয়ে ভক্তরা বসেছিলেন। সেখানে কিছু হকারও পসরা সাজিয়ে বসেন। রাত প্রায় ১টার দিকে মুখে সার্জিক্যাল মাস্ক ও হাতে লাঠি নিয়ে একদল ব্যক্তি সেখানে হামলা চালায়। হামলার মুখে ভক্তরা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন। পরে হামলাকারীরা তাদের পিটিয়ে এলাকা থেকে বের করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হামলার শেষ দিকে তিনি ঘটনাস্থলে যান। তার ভাষ্য, মাজারের পূর্ব পাশে বাইরে থেকে আসা নারী-পুরুষ মাদুর বিছিয়ে বসেছিলেন। সেখানে মাদক সেবনের অভিযোগও শোনা গেছে। তবে জুমার নামাজের স্থানে কেউ গাঁজা সেবন করেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ওসি আরও জানান, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ‘জামায়াত-শিবিরের’ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মোস্তাক সরকারও বলেছেন, জামায়াত-শিবিরের একটি অংশ হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, শাহ আলী মাজার এলাকা ঢাকা-১৪ সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মাজারে হামলায় জামায়াত নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর আমি পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনারকে কল দিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, মাজারের সামনের গেটে ফেরি করে মাদক বিক্রি হয়। বৃহস্পতিবার রাতে এটা আরও বেড়ে যায়। এ জন্য পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে।’
সেখানে জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী ছিল না দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকজন ছিল বলে শুনেছি।’ এ ছাড়া জামায়াত নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আমির সেলিম উদ্দিন, তিনি বলেন, ‘জামায়াত-শিবিরের লোকদের হামলা করার কোনো কারণ নেই। তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।’
পুলিশ জানিয়েছে, কারা হামলায় অংশ নিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি এবং কোনো মামলাও দায়ের হয়নি।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশ জুড়ে মাজারে হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে দাবি করেছে সুফি সমাজভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘মাকাম: সেন্টার ফর সুফি হেরিটেজ’। প্রতিষ্ঠানটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৭ মাসে সারা দেশে ৯৭টি মাজারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে