
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি যে ২৩৭ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে সে তালিকায় নেই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। তার আসন সিরাজগঞ্জ-১ থেকে অবশ্য অন্য কোনো প্রার্থীও ঘোষণা করেনি বিএনপি। দলের প্রার্থী ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় কনকচাঁপা বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’।
কনকচাঁপা তার ফেসবুক প্রোফাইলে এমন প্রতিক্রিয়া জানান। এর আগে সোমবার বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে।
এ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে অন্যতম দাবিদার কনকচাঁপা। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও এ আসন থেকে দলের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি।
এবারও দীর্ঘদিন ধরে নিজের নির্বাচনি এলাকায় সক্রিয়ভাবে গণসংযোগ ও রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন কনকচাঁপা। সেই নির্বাচনি আসন বাদ রেখেই প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সিরাজগঞ্জের অন্য পাঁচটি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলেও কনকচাঁপার এই আসনটি ‘হোল্ড’ বা স্থগিত রাখা হয়।
প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরপরই রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন। তার অনুসারী ও স্থানীয় রাজনীতিতে এ পোস্ট আলোচনা তৈরি করেছে।
নিজের মনোনয়ন না পাওয়া বা নিজের আসনে মনোনয়ন স্থগিত থাকার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে কনকচাঁপা লিখেছেন, ‘এই পৃথিবীর কোনো ফায়সালাতেই আমি কিছু ভাবি না। আল্লাহ ভালো বুঝবেন আমার জন্য কী ভালো হবে। তার চেয়ে ভালো বোঝে এমন কে আছেন এই জগতে! অতএব আলহামদুলিল্লাহ...’।
কনকচাঁপার অনুসারীরা মনে করছেন, দলের সিদ্ধান্তই আপাতত মেনে নিয়েছেন কনকচাঁপা। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, তার সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি হয়তো বিএনপি তাদের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য উন্মুক্ত রাখতে পারে।
কনকচাঁপা ছাড়াও অবশ্য এ আসনে মনোনয়নের জোরালো দাবিদার হিসেবে রয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানা ও কাজীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সেলিম রেজা। এই দুই নেতারও স্থানীয় রাজনীতিতে রয়েছে শক্ত অবস্থান এবং নিজস্ব কর্মী-সমর্থক। এই ত্রিমুখী প্রতিযোগিতার কারণেই দলের হাইকমান্ড স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি— এমনটিও মনে করছেন কেউ কেউ।
এদিকে সিরাজগঞ্জ-১ আসন অমীমাংসিত রাখলেও জেলার বাকি পাঁচ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তালিকায় রয়েছেন সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩ (তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা) আসনে বিপি আইনুল হক, সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে এম আকবর আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি ও চৌহালী) আসনে মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম খান এবং সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে এম এম মোহিত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি যে ২৩৭ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে সে তালিকায় নেই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। তার আসন সিরাজগঞ্জ-১ থেকে অবশ্য অন্য কোনো প্রার্থীও ঘোষণা করেনি বিএনপি। দলের প্রার্থী ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় কনকচাঁপা বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’।
কনকচাঁপা তার ফেসবুক প্রোফাইলে এমন প্রতিক্রিয়া জানান। এর আগে সোমবার বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে।
এ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে অন্যতম দাবিদার কনকচাঁপা। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও এ আসন থেকে দলের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি।
এবারও দীর্ঘদিন ধরে নিজের নির্বাচনি এলাকায় সক্রিয়ভাবে গণসংযোগ ও রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন কনকচাঁপা। সেই নির্বাচনি আসন বাদ রেখেই প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সিরাজগঞ্জের অন্য পাঁচটি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলেও কনকচাঁপার এই আসনটি ‘হোল্ড’ বা স্থগিত রাখা হয়।
প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরপরই রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন। তার অনুসারী ও স্থানীয় রাজনীতিতে এ পোস্ট আলোচনা তৈরি করেছে।
নিজের মনোনয়ন না পাওয়া বা নিজের আসনে মনোনয়ন স্থগিত থাকার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে কনকচাঁপা লিখেছেন, ‘এই পৃথিবীর কোনো ফায়সালাতেই আমি কিছু ভাবি না। আল্লাহ ভালো বুঝবেন আমার জন্য কী ভালো হবে। তার চেয়ে ভালো বোঝে এমন কে আছেন এই জগতে! অতএব আলহামদুলিল্লাহ...’।
কনকচাঁপার অনুসারীরা মনে করছেন, দলের সিদ্ধান্তই আপাতত মেনে নিয়েছেন কনকচাঁপা। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, তার সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি হয়তো বিএনপি তাদের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য উন্মুক্ত রাখতে পারে।
কনকচাঁপা ছাড়াও অবশ্য এ আসনে মনোনয়নের জোরালো দাবিদার হিসেবে রয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানা ও কাজীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সেলিম রেজা। এই দুই নেতারও স্থানীয় রাজনীতিতে রয়েছে শক্ত অবস্থান এবং নিজস্ব কর্মী-সমর্থক। এই ত্রিমুখী প্রতিযোগিতার কারণেই দলের হাইকমান্ড স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি— এমনটিও মনে করছেন কেউ কেউ।
এদিকে সিরাজগঞ্জ-১ আসন অমীমাংসিত রাখলেও জেলার বাকি পাঁচ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তালিকায় রয়েছেন সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩ (তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা) আসনে বিপি আইনুল হক, সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে এম আকবর আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি ও চৌহালী) আসনে মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম খান এবং সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে এম এম মোহিত।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে