
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারের দিঘির সিঁড়ি থেকে কুমিরের টেনে নেওয়া আট বছর বয়সী শিশু ফাতেমার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাজার মসজিদে জানাজা শেষে দীঘির পূর্ব পাড়ের গণকবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন।
এর আগে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজারের দিঘির সিঁড়ি থেকে ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যায় কুমির। পরে রাতভর ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের উদ্ধার অভিযানের পর আজ ভোর ৫টার দিকে দীঘির পূর্ব পাড় থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়েছে।
এদিকে, খানজাহান আলী মাজারের দিঘীর কুমিরের আক্রমণে শিশু ফাতেমার মৃত্যুতে প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের টনক নড়েছে। মাজারে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরাও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা দর্শনার্থী রাসেল রাব্বিসহ কয়েকজন বলেন, ‘মাজারে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। দীঘির কুমির খুব হিংস্র প্রকৃতির। ফাতেমার মৃত্যুর ঘটনা বেদনাদায়ক। এই দীঘিতে আগেও কুমিরের আক্রমণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তাই দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে। দীঘিতে একটা নিরাপত্তা বেষ্টনি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। খানজাহান আলী মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম বলেন, মাজারেরে ইতিহাস ঐতিহ্যের কথা বিবেচনা করে এখানে আসা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
বাগেরহাট সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম শরীফ খান বলেন, গোসল করতে নেমে কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশুরটিকে মাজারের গণকবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জীবনের মূল্য অনেক বেশি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। দর্শনার্থীদের কথা বিবেচনা করে একটা নিরাপত্তা বেষ্টনির ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তাই আপাতত দীঘিতে থাকা কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

বাগেরহাটে হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারের দিঘির সিঁড়ি থেকে কুমিরের টেনে নেওয়া আট বছর বয়সী শিশু ফাতেমার জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাজার মসজিদে জানাজা শেষে দীঘির পূর্ব পাড়ের গণকবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন।
এর আগে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজারের দিঘির সিঁড়ি থেকে ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যায় কুমির। পরে রাতভর ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের উদ্ধার অভিযানের পর আজ ভোর ৫টার দিকে দীঘির পূর্ব পাড় থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়েছে।
এদিকে, খানজাহান আলী মাজারের দিঘীর কুমিরের আক্রমণে শিশু ফাতেমার মৃত্যুতে প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের টনক নড়েছে। মাজারে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরাও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা দর্শনার্থী রাসেল রাব্বিসহ কয়েকজন বলেন, ‘মাজারে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। দীঘির কুমির খুব হিংস্র প্রকৃতির। ফাতেমার মৃত্যুর ঘটনা বেদনাদায়ক। এই দীঘিতে আগেও কুমিরের আক্রমণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তাই দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা দিতে কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে। দীঘিতে একটা নিরাপত্তা বেষ্টনি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। খানজাহান আলী মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম বলেন, মাজারেরে ইতিহাস ঐতিহ্যের কথা বিবেচনা করে এখানে আসা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
বাগেরহাট সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম শরীফ খান বলেন, গোসল করতে নেমে কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশুরটিকে মাজারের গণকবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জীবনের মূল্য অনেক বেশি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। দর্শনার্থীদের কথা বিবেচনা করে একটা নিরাপত্তা বেষ্টনির ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তাই আপাতত দীঘিতে থাকা কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে