
রাজশাহী ব্যুরো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শুরু হয়েছে। তবে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি সংসদীয় আসনের অনেক ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পারেননি স্বতন্ত্র ও ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা। অর্থসংকট ও সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে সব কেন্দ্রে এজেন্ট নিয়োগ সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতা ও প্রার্থীরা।
জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের অধিকাংশে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে। বড় এই দুই দলই প্রায় সব ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিয়েছে।
রাজশাহীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও নাগরিক ঐক্যের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব দলের প্রার্থীদের অনেকেই হাতে গোনা কয়েকটি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পেরেছেন; অধিকাংশ কেন্দ্রেই তারা এজেন্ট দিতে পারেননি।
রাজশাহী-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মির মো. শাহজাহান বলেন, ‘আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমরা কোনো কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পারিনি। সুষ্ঠু ভোট হলে পোলিং এজেন্টের প্রয়োজন নেই।’
রাজশাহী-২ আসনের লেবার পার্টির প্রার্থী মেজবাউল ইসলামও একই সুরে কথা বলেন। তিনি জানান, সব কেন্দ্রে এজেন্ট দেওয়া সম্ভব হয়নি।
রাজশাহী-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আফজাল হোসেন ৪০টি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিয়েছেন। তবে আমজনতার দলের প্রার্থী সাঈদ পারভেজ কোনো কেন্দ্রেই পোলিং এজেন্ট দেননি।
রাজশাহী-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী তাজুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমি পাঁচটি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিয়েছি। বাকিগুলোতে আর্থিক সংকটের কারণে দিতে পারিনি।’ একই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ফজলুল হক বলেন, ‘আমি কোনো কেন্দ্রেই পোলিং এজেন্ট দিতে পারিনি।’
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট সংসদীয় আসন ৩৯টি। এসব আসনে ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬ জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শুরু হয়েছে। তবে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি সংসদীয় আসনের অনেক ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পারেননি স্বতন্ত্র ও ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা। অর্থসংকট ও সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে সব কেন্দ্রে এজেন্ট নিয়োগ সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতা ও প্রার্থীরা।
জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের অধিকাংশে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে। বড় এই দুই দলই প্রায় সব ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিয়েছে।
রাজশাহীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও নাগরিক ঐক্যের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব দলের প্রার্থীদের অনেকেই হাতে গোনা কয়েকটি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পেরেছেন; অধিকাংশ কেন্দ্রেই তারা এজেন্ট দিতে পারেননি।
রাজশাহী-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মির মো. শাহজাহান বলেন, ‘আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমরা কোনো কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পারিনি। সুষ্ঠু ভোট হলে পোলিং এজেন্টের প্রয়োজন নেই।’
রাজশাহী-২ আসনের লেবার পার্টির প্রার্থী মেজবাউল ইসলামও একই সুরে কথা বলেন। তিনি জানান, সব কেন্দ্রে এজেন্ট দেওয়া সম্ভব হয়নি।
রাজশাহী-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আফজাল হোসেন ৪০টি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিয়েছেন। তবে আমজনতার দলের প্রার্থী সাঈদ পারভেজ কোনো কেন্দ্রেই পোলিং এজেন্ট দেননি।
রাজশাহী-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী তাজুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমি পাঁচটি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিয়েছি। বাকিগুলোতে আর্থিক সংকটের কারণে দিতে পারিনি।’ একই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ফজলুল হক বলেন, ‘আমি কোনো কেন্দ্রেই পোলিং এজেন্ট দিতে পারিনি।’
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট সংসদীয় আসন ৩৯টি। এসব আসনে ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬ জন।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর জেলার মাওনা থেকে টাইলস বোঝাই একটি ট্রাক সাতক্ষীরার উদ্দেশে রওনা হয়। ট্রাকটি মাগুরা-যশোর মহাসড়কের কেচুয়াডুবি এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে যায়। এতে ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেলে চালক আকাশ গাড়ির ভেতর আটকা পড়েন।
১০ ঘণ্টা আগে
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার পর ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে আসামিরা সন্ত্রাসীদের নিয়ে ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পে হামলা চালান। এ সময় তারা বাদীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে ও তার স্বামীকে মারধর করেন। পরে স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রধান আসামি আবদুর রহমান বাদীকে ধর্ষণ করে
২০ ঘণ্টা আগে
উখিয়া শাহপরী দ্বীপ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এরদোয়ানপুত্র ও ফুটবলার মেসুত ওজিল রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফিরছিলেন। ভিআইপি প্রোটোকল ভেঙে তাদের গাড়িবহরে হঠাৎ একটি অটোরিকশা ঢুকে পড়ে। এ সময় বহরের একটি গাড়ির সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়।
১ দিন আগে
একটি গোলপাতার খেতে বৃদ্ধ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
১ দিন আগে