
বাগেরহাট প্রতিনিধি

সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করে ভারতে আটকা পড়া ১২৮ জেলে দেশে ফিরেছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশে এসে আটকা পড়া ২৩ ভারতীয় জেলে ফিরে গেছেন নিজ দেশে। কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশি ১২৮ জেলেকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব জেলেরা বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে গভীর সাগরে বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমারেখায় (আইএমবিএল) দুই দেশের কোস্টগার্ডের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এসব বন্দিদের নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশি জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গভীর সাগরে বন্দি বিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিল বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জাহাজ কামরুজ্জামান ও ভারতীয় কোস্টগার্ডের জাহাজ বিজয়া। বাংলাদেশের পক্ষে জেলেদের বুঝে নেন কমান্ডার শাহ্কামরুজ্জামান, ভারতের পক্ষে জেলেদের বুঝে নেন কমান্ডার নাদান কুমার।
পরে ১২৮ বাংলাদেশি জেলেকে শুক্রবার বিকেলে বাগেরহাটের মোংলায় কোস্টগার্ড পশ্চিম অঞ্চল সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড জানায়, গত বছরের ১৬ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগে ১২৮ বাংলাদেশি জেলেসহ পাঁচটি বোট এফবি আদিব-২ (২৮ জন), এফবি মায়ের দোয়া (৩২ জন), এফবি নুরে মদিনা (২৪ জন), এফবি আমিনা গণি (২৯ জন) ও এফবি আল্লাহ মালিক (১৫ জন) আটক করে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
অন্যদিকে গত বছরের ১৮ ও ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশের জলসীমায় অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় ২৩ জন ভারতীয় জেলে ও তাদের দুটি বোট এফবি শুভযাত্রা (১৪ জন) ও এফবি অনি-২ (৯ জন) আটক করে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী।
পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার মাধ্যমে উভয় দেশের বন্দিদের বিনিময়ের সিদ্ধান্ত হয়। শাহ্কামরুজ্জামান বলেন, সরকারি নির্দেশনা ও দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বের স্মারক হিসেবে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করে ভারতে আটকা পড়া ১২৮ জেলে দেশে ফিরেছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশে এসে আটকা পড়া ২৩ ভারতীয় জেলে ফিরে গেছেন নিজ দেশে। কোস্ট গার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশি ১২৮ জেলেকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব জেলেরা বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে গভীর সাগরে বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমারেখায় (আইএমবিএল) দুই দেশের কোস্টগার্ডের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এসব বন্দিদের নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশি জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গভীর সাগরে বন্দি বিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিল বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জাহাজ কামরুজ্জামান ও ভারতীয় কোস্টগার্ডের জাহাজ বিজয়া। বাংলাদেশের পক্ষে জেলেদের বুঝে নেন কমান্ডার শাহ্কামরুজ্জামান, ভারতের পক্ষে জেলেদের বুঝে নেন কমান্ডার নাদান কুমার।
পরে ১২৮ বাংলাদেশি জেলেকে শুক্রবার বিকেলে বাগেরহাটের মোংলায় কোস্টগার্ড পশ্চিম অঞ্চল সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড জানায়, গত বছরের ১৬ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগে ১২৮ বাংলাদেশি জেলেসহ পাঁচটি বোট এফবি আদিব-২ (২৮ জন), এফবি মায়ের দোয়া (৩২ জন), এফবি নুরে মদিনা (২৪ জন), এফবি আমিনা গণি (২৯ জন) ও এফবি আল্লাহ মালিক (১৫ জন) আটক করে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
অন্যদিকে গত বছরের ১৮ ও ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশের জলসীমায় অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় ২৩ জন ভারতীয় জেলে ও তাদের দুটি বোট এফবি শুভযাত্রা (১৪ জন) ও এফবি অনি-২ (৯ জন) আটক করে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী।
পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার মাধ্যমে উভয় দেশের বন্দিদের বিনিময়ের সিদ্ধান্ত হয়। শাহ্কামরুজ্জামান বলেন, সরকারি নির্দেশনা ও দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বের স্মারক হিসেবে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে