
বাগেরহাট প্রতিনিধি

‘স্মার্ট লাইফ ফ্রি ওয়াইফাই’— স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী সিলভার লাইন গ্রুপ বাগেরহাট জেলার সব ইউনিয়নে সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট (ওয়াইফাই) সেবা চালু করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজার মোড়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিলভার লাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ এইচ সেলিমের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও গ্রুপটির পরিচালক মেহেদী হাসান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট পৌরসভার সাবেক কমিশনার মাহবুবুর রহমান টুটুল, ক্রীড়া সংগঠক মিনা মারফুজ্জামান রনি, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি শেখ নাজমুল হুদা, শেখ রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, জেলার ৯০টি গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমপূর্ণ স্থানে এই কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সেবা চালু করা হয়েছে। এতে শহর ও গ্রামের মানুষ একটি নতুন ডিজিটাল কমিউনিটির আওতায় যুক্ত হতে পারবে।
সিলভার লাইন গ্রুপের পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, ‘আজকের বিশ্বে ইন্টারনেট আর বিলাসিতা নয়; এটি শিক্ষা, সুযোগ এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য একটি মৌলিক প্রয়োজন। আমরা বাগেরহাটের ৯০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমপূর্ণ স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু করেছি। এতে একদিকে যেমন চায়ের দোকানের ঐতিহ্যবাহী আড্ডার সংস্কৃতি বজায় থাকবে, তেমনি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এটি একটি কার্যকর মডেল হিসেবে কাজ করবে।’
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে এই সেবা প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ এলাকায় সম্প্রসারণ করা হবে; যাতে কোনো গ্রাম, কোনো শিক্ষার্থী কিংবা কোনো নাগরিক ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত না থাকে।
সিলভার লাইন গ্রুপ জানিয়েছে, এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ— যার লক্ষ্য বাগেরহাটে ডিজিটাল বৈষম্য কমানো, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংযোগ শক্তিশালী করা এবং কমিউনিটি উন্নয়নে অবদান রাখা।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই ফ্রি ওয়াইফাই সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ ও সাধারণ পরিবারগুলো শিক্ষা, চাকরির সুযোগ, সরকারি সেবা এবং বৃহত্তর অর্থনীতির সঙ্গে আরও সহজে সংযুক্ত হতে পারবে।

‘স্মার্ট লাইফ ফ্রি ওয়াইফাই’— স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী সিলভার লাইন গ্রুপ বাগেরহাট জেলার সব ইউনিয়নে সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট (ওয়াইফাই) সেবা চালু করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজার মোড়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিলভার লাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ এইচ সেলিমের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও গ্রুপটির পরিচালক মেহেদী হাসান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট পৌরসভার সাবেক কমিশনার মাহবুবুর রহমান টুটুল, ক্রীড়া সংগঠক মিনা মারফুজ্জামান রনি, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি শেখ নাজমুল হুদা, শেখ রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, জেলার ৯০টি গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমপূর্ণ স্থানে এই কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ওয়াইফাই ইন্টারনেট সেবা চালু করা হয়েছে। এতে শহর ও গ্রামের মানুষ একটি নতুন ডিজিটাল কমিউনিটির আওতায় যুক্ত হতে পারবে।
সিলভার লাইন গ্রুপের পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, ‘আজকের বিশ্বে ইন্টারনেট আর বিলাসিতা নয়; এটি শিক্ষা, সুযোগ এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য একটি মৌলিক প্রয়োজন। আমরা বাগেরহাটের ৯০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমপূর্ণ স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু করেছি। এতে একদিকে যেমন চায়ের দোকানের ঐতিহ্যবাহী আড্ডার সংস্কৃতি বজায় থাকবে, তেমনি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এটি একটি কার্যকর মডেল হিসেবে কাজ করবে।’
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে এই সেবা প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ এলাকায় সম্প্রসারণ করা হবে; যাতে কোনো গ্রাম, কোনো শিক্ষার্থী কিংবা কোনো নাগরিক ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত না থাকে।
সিলভার লাইন গ্রুপ জানিয়েছে, এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ— যার লক্ষ্য বাগেরহাটে ডিজিটাল বৈষম্য কমানো, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংযোগ শক্তিশালী করা এবং কমিউনিটি উন্নয়নে অবদান রাখা।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই ফ্রি ওয়াইফাই সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ ও সাধারণ পরিবারগুলো শিক্ষা, চাকরির সুযোগ, সরকারি সেবা এবং বৃহত্তর অর্থনীতির সঙ্গে আরও সহজে সংযুক্ত হতে পারবে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে