
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোংলার সুন্দরবন সংলগ্ন জয়মনিরঘোল এলাকায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্টেশনে দায়িত্ব পালনরত কয়েকজন কোস্ট গার্ড সদস্য আহত হন। স্থানীয় গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে এ হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনাকে ‘দুর্বৃত্তদের হামলা ও ভাঙচুর’ হিসেবে দাবি করেছে কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার প্রায় পৌনে দুই মিনিটের একটি ভিডিও এই প্রতিবেদকের হাতে আসে। ভিডিওতে দেখা যায়, জয়মনিরঘোল এলাকার অসংখ্য নারী-পুরুষ লাঠিসোঁটা হাতে কয়েকটি নৌকায় করে পশুর নদে অবস্থানরত কোস্ট গার্ডের একটি নৌযানে উঠে হামলা ও ভাঙচুর চালাচ্ছেন। তবে ঠিক কী কারণে তারা কোস্ট গার্ডের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বাহিনীর ভাষ্য, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও অসাধু চক্র নিজেদের অপকর্ম পরিচালনার সুবিধার্থে ওই এলাকা থেকে কোস্ট গার্ডকে সরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা, ভাঙচুর, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। সুন্দরবনে বনদস্যু দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কোস্ট গার্ডের চলমান সফল কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই এসব অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বনদস্যু দমন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাহিনীটি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান পরিচালনা করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মোংলা থানার অধীন জয়মনিরঘোল এলাকা দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ কারণে ওই এলাকায় কোস্ট গার্ডের একটি স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে বনদস্যুদের কাছে রসদ, লজিস্টিক সহায়তা, অস্ত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পথ কার্যকরভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বনদস্যু ও তাদের সহযোগীরা ওই এলাকায় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি চায় না।
কোস্ট গার্ডের দাবি, এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার জয়মনিরঘোল এলাকায় অবস্থিত তাদের স্টেশনে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে দায়িত্ব পালনরত কয়েকজন সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোস্ট গার্ড প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে।
একই সঙ্গে হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এ ধরনের হামলা বা অপতৎপরতার মাধ্যমে বাহিনীর চলমান দায়িত্ব পালন ও অভিযানিক কার্যক্রম ব্যাহত করা যাবে না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী, স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রকৃত তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।

বাগেরহাটের মোংলার সুন্দরবন সংলগ্ন জয়মনিরঘোল এলাকায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্টেশনে দায়িত্ব পালনরত কয়েকজন কোস্ট গার্ড সদস্য আহত হন। স্থানীয় গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে এ হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনাকে ‘দুর্বৃত্তদের হামলা ও ভাঙচুর’ হিসেবে দাবি করেছে কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার প্রায় পৌনে দুই মিনিটের একটি ভিডিও এই প্রতিবেদকের হাতে আসে। ভিডিওতে দেখা যায়, জয়মনিরঘোল এলাকার অসংখ্য নারী-পুরুষ লাঠিসোঁটা হাতে কয়েকটি নৌকায় করে পশুর নদে অবস্থানরত কোস্ট গার্ডের একটি নৌযানে উঠে হামলা ও ভাঙচুর চালাচ্ছেন। তবে ঠিক কী কারণে তারা কোস্ট গার্ডের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বাহিনীর ভাষ্য, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও অসাধু চক্র নিজেদের অপকর্ম পরিচালনার সুবিধার্থে ওই এলাকা থেকে কোস্ট গার্ডকে সরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা, ভাঙচুর, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। সুন্দরবনে বনদস্যু দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কোস্ট গার্ডের চলমান সফল কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই এসব অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বনদস্যু দমন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাহিনীটি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান পরিচালনা করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মোংলা থানার অধীন জয়মনিরঘোল এলাকা দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ কারণে ওই এলাকায় কোস্ট গার্ডের একটি স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে বনদস্যুদের কাছে রসদ, লজিস্টিক সহায়তা, অস্ত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পথ কার্যকরভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এতে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বনদস্যু ও তাদের সহযোগীরা ওই এলাকায় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি চায় না।
কোস্ট গার্ডের দাবি, এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার জয়মনিরঘোল এলাকায় অবস্থিত তাদের স্টেশনে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে দায়িত্ব পালনরত কয়েকজন সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোস্ট গার্ড প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে।
একই সঙ্গে হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এ ধরনের হামলা বা অপতৎপরতার মাধ্যমে বাহিনীর চলমান দায়িত্ব পালন ও অভিযানিক কার্যক্রম ব্যাহত করা যাবে না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী, স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রকৃত তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে